somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

সকাল রয়
আমি বোধহয় সেই ক্ষণজন্মা জন্ম যার প্রভাতে,যার আবেদনে মেঘ ঝরেছিলো আসমান হতে।।

♠ দ্রীঘাংচু পত্রনিবাস ♠

২৩ শে জানুয়ারি, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৫১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :




“দ্রীঘাংচু পত্রনিবাস” ক্যাফেটরিয়ায় বসে আছি। নিত্যানন্দ টেবিলে ফুচকার প্লেট রাখতে গিয়ে বললো- রয়’দা তোমার একটা চিরকুট আছে। আমি হাত বাড়িয়ে নিলাম। দুইহাজার বারো খ্রিস্টাব্দে লেখা জন্মদিনের চিরকুট। কফিতে ফুটান দিতেই মস্তিস্ক থেকে স্মৃতি প্রিভিউ হলো “তেইশে জানুয়ারী মিলি’র জন্মদিন”। সেদিন কাগজখানি ও আমাকে দিয়েছিলো তার বদলে আমি ওকে দিয়েছিলাম এরিখ সেগাল আর গীতবিতান।

মার্বেলস স্টোর থেকে আমরা কিনেছিলাম পিনাটকেক আর ভ্যানিলা আইসক্রিম। নদীর ধারে সন্ধ্যায় হয়েছিলো গানময় গল্পসংকল্প উৎসব। ফানুস উড়েছিলো গুটিকতক আর কুয়াশার ডিনডিন ট্যানট্যানান পার্টি চলেছিলো মধ্যপূর্ব রাত পর্যন্ত। অনেক বন্ধুরা সেদিন আসেনি। মাত্র জনা ছয়েক। তোমার প্রিয়ফুল কবরীশূল আর ত্রিকালসন্ধ্যাও এনেছিলো তোমারই প্রিয় শত্রু পারিজাত বাঙ্কু।

কালোপাড়ের ধুতিশাড়ি পড়েছিলে তুমি, কপালে চন্দ্রতপন এঁকেছিলে হাত ভরতি ছিলো নীলচুড়ি। আমি পড়েছিলাম নীল জিন্স আর সাদা টিশার্ট। বন্ধুরা জমকালো পোষাকে আকাশ করে দিয়েছিলো কালো। যখন পার্টির শেষে রাত বুকে নিয়ে ফিরছিলাম আমরা হাঁটতে-হাঁটতে তখন তুমি একটানা বলছিলে… “ধরা তবে হোক শান্ত, হোক ঘুমচোখা রুই অথবা মৃগাঙ্ক, আসুক আলো, ধরে নিক ঠোঁট ভরা সব বিষাদের ঢেউকে। আরও হাসিছাড়া দিন মরে যাক দ্রুত, ফুরিয়ে যাক মখমলে জমে থাকা সকল ক্ষত। আমরা হাঁটতে-হাঁটতে একটা সমুদ্র পাড়ি দিয়ে দেই, জন্মদিন তার পূর্বপারে হারিয়ে ফেলুক খেই”।
সেদিনের রাতমাখা চোখে এরপর আর আসেনি তেমন জন্ম আন্দোলন স্তব।
সর্বশেষ এডিট : ২৩ শে জানুয়ারি, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৫২
৩টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

স্রেফ 'জিন্নাহকে স্মরণ আর বঙ্গবন্ধুকে গালি' রাজাকারি মানসিকতারই উদাহরণ

লিখেছেন শেহজাদ আমান, ১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৩৪



ভারতীয় উপমহাদেশের জাতিসত্তাদের স্বাধীনতা আন্দোলনের অত্যন্ত প্রভাবশালী একজন নেতা হিসেবে মুহাম্মদ আলী জিন্নাহর প্রতি কেউ 'যৌক্তিক' বা তাঁর 'প্রাপ্য' সম্মানটুকু জানাতেই পারেন; তাতে কোনো সমস্যা নেই। কিন্তু, যখন সেই... ...বাকিটুকু পড়ুন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে জিন্নাহর ছবি প্রশ্ন জাগে, আমরা কোন দেশে বাস করি?

লিখেছেন রাবব১৯৭১, ১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১১:৫৯

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে জিন্নাহর ছবি প্রশ্ন জাগে, আমরা কোন দেশে বাস করি?
যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ভাষা আন্দোলনের ইতিহাসের সঙ্গে অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত, যে বাংলাদেশ রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে স্বাধীন হয়েছে সেই বিশ্ববিদ্যালয়ের ডাকসু... ...বাকিটুকু পড়ুন

এগারটি বছর পার হয়ে গেল…. কিছু পরিসংখ্যান নিয়ে একাদশতম বর্ষপূর্তি পোস্ট

লিখেছেন খায়রুল আহসান, ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৮:৪১



পূর্বের বর্ষপূর্তি পোস্টের লিঙ্কঃ দশম বর্ষপূর্তি পোস্ট

সামহোয়্যরইনব্লগে গত ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৫ তারিখ রাত ১১টা ২৬ মিনিটে প্রকাশিত হয় আমার প্রথম কবিতা, বক্ষমাঝে থাকবে তুমি। বলা যায় খুব দ্রুতই, মাত্র তৃতীয়... ...বাকিটুকু পড়ুন

দুঃখ খচিত পতাকা আমার

লিখেছেন এম ডি মুসা, ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১২:২৪


ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পবিত্র প্রাঙ্গণে
আজ হঠাৎ কার ছায়া নামে?
কার দুঃসাহসী কালো হাত
ইতিহাসের বুকের ওপর আঁকে পরাধীনতার নাম?

যে নাম একদিন ভাষার কণ্ঠ রুদ্ধ করতে চেয়েছিল,
যে শাসন একাত্তরে ছড়িয়েছিল মৃত্যুর অন্ধকার
আজ কেন তার... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাংলাদেশ হতো হায়দ্রাবাদ

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ২:৫৫

।।হায়দারাবাদের নিজাম।।


১৯৪৭ সাল ভারতবর্ষের মুসলমানরা যখন নির্যাতনের শিকার অনেকগুলো গণহত্যা হয়েছিল দাঙ্গা হয়েছিল। ১৯৪৬ সালে বা তারও আগে এই মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ রাজনীতি শুরু করেছিল কংগ্রেসের রাজনীতি দিয়ে তিনি কংগ্রেসের... ...বাকিটুকু পড়ুন

×