somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ভেঙেছে সহিংসতার অতীত সকল রেকর্ড

১০ ই জুন, ২০১৬ রাত ৯:৩০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

একটা সময় ছিল যখন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে ঘিরে গ্রামের মেঠোপথে বিরাজ করতো উচ্ছ্বাস, আনন্দ। যোগ হতো, এক ভিন্নরকম আমেজ। প্রার্থীরা ভোটারের দুয়ারে গিয়ে ভোট চাইত, আর প্রান্তিক জনপদের মানুষগুলো নিজেদের ভোটকে গুরুত্বের সঙ্গে দেখত, দেখেশুনে নিজের পছন্দের প্রার্থীকে নিজেদের শাসনের জন্য নিয়োগ করত। গ্রাম্য দোকানগুলোতে নির্বাচন উপলক্ষ্যে চায়ের কাপে উঠত ঝড়।
আজ এ স্মৃতি যেন রূপকথার গল্প। প্রথমবারের মতো দলীয় প্রতীকে ষষ্ঠ ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে দেখা যায়নি চিরচেনা ইউপি নির্বাচনের সেই দৃশ্যপট। উল্টো আমেজহীন এ নির্বাচনে ঝরেছে প্রাণ। স্বজনহারাদের বেড়েছে আর্তনাদ। একটার পর একটা লাশ পড়ার খবরে দিশেহারা হয়ে পড়েছে জাতি। উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে গ্রাম্য মেঠোপথ। ককটেল আর বোমার আঘাতে ক্ষত-বিক্ষত হয়েছে শত মায়ের বুক। এ নির্বাচনে ভেঙেছে সহিংসতার অতীত সকল রেকর্ড।
স্থানীয় সরকার হচ্ছে, আমাদের গণতন্ত্রের মূলস্তম্ভ। তাই গণতান্ত্রিক উপায়ে স্থানীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবেÑ এমন প্রত্যাশা জনগণের। কিন্তু সরকার দলীয় পরিচয়ে নির্বাচনের নামে রক্তপাত, ব্যালট ছিনতাই, আহত-নিহতের মতো ঘটনায় গণতন্ত্রকে শয্যাশায়ী করেছে, প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে নির্বাচন প্রক্রিয়া।
নির্বাচনে দেখা গেছে, তফসিল ঘোষণার পর থেকে নির্বাচনের পরের দিন পর্যন্ত সহিংসতা চলমান ছিল। দলীয় প্রতীকে ইউপি নির্বাচনে দেশবাসী প্রত্যাশা করেছিল, রাজনীতিতে একটি গুণগত পরিবর্তন আসবে, জনগণ স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগ করবে। কিন্তু নির্বাচন কমিশন (ইসি) ইউপির সুষ্ঠু নির্বাচন করতে ব্যর্থ হয়েছে। ইসির ব্যর্থতাই বলে দেয়, এ নির্বাচনে একটি দলের একক কর্তৃত্ব ছিল। নির্বাচনে সহিংসতা ঘটে। তবে এবারের নির্বাচনে সহিংসতার মাত্রাটি ছিল বেশ ভয়াবহ। এবারের নির্বাচনি সহিংসতার মাত্রাটি দীর্ঘমেয়াদি। নির্বাচনি তফসিল ঘোষণার পর থেকেই এখন পর্যন্ত এ সহিংসতা চলছে। এ সহিংসতার মাধ্যমে যে বিভেদ সৃষ্টি করা হয়েছে, এটি তৃণমূল পর্যায়ের সম্প্রীতি-সৌহার্দ্যটি দারুণভাবে বিনষ্ট করবে বলে আমার ধারণা। এ সহিংসতার আরেকটি বৈশিষ্ট্য হলো সহিংসতার অধিকাংশই ক্ষমতাসীন দলের মধ্যে হয়েছে। তাদেরই রক্ত ঝরছে। তারাই এর ভিকটিম হয়েছেন এবং মাশুল দিচ্ছেন।
এই ইউপি নির্বাচন অতীতের নির্বাচনগুলোতে ঘটে যাওয়া সকল সহিংসতার রেকর্ড অতিক্রম করেছে। বিভিন্ন পত্র-পত্রিকার তথ্যের আলোকে ষষ্ঠ ধাপের ইউপি নির্বাচনে নির্বাচনি সহিংসতায় ১১০ জনের নিহতের ঘটনা ঘটেছে। নির্বাচনি সহিংসতা হতাহতের বিষয়টি মানুষের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। অতীতের নির্বাচনগুলোর মধ্যে ১৯৮৮ সালে সবচেয়ে বেশি প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছিল।
এবারের নির্বাচনে সহিংসতার কারণÑ সরকারদলীয় প্রার্থীরা যেকোনো মূল্যে জয়ী হওয়ার আকাক্সক্ষা। সে সঙ্গে আচরণবিধি ভঙ্গ করে পার পাওয়ার কারণে সহিংসতা বৃদ্ধি পেয়েছে। এ নির্বাচনে বিধি ভঙ্গের ব্যাপারে নির্বাচন কমিশনকে কখনোই কঠোর অবস্থানে দেখা যায়নি। ইউপি নির্বাচনে মনোনয়ন বাণিজ্যও ছড়িয়ে পড়েছে, আগে সংসদ নির্বাচনে মনোনয়ন বাণিজ্য হতো। এখন স্থানীয় সরকার নির্বাচনেও তা ছড়িয়ে পড়ছে।
যে হারে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ার ঘটনা ঘটছে তা নিঃসন্দেহে উদ্বেগজনক। ছয় দফার ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ, বিতর্কিত ও বিকৃত হয়েছে। নির্বাচন অস্ত্রের ঝনঝনানিতে পরিণত হয়েছে। প্রকাশ্যে অস্ত্র প্রদর্শন করা হয়েছে। প্রত্যেকটি প্রাণের গুরুত্ব আছে। আবারও প্রাণহানি না হওয়াটাও নির্বাচন সুষ্ঠুতার একক মানদ- নয়। কারণ অস্ত্র দেখলেই প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ও কর্মী-সমর্থকরা আগেই সরে যান।
কোনো ধাপের নির্বাচনই নির্বাচন কমিশন সুষ্ঠু করতে পারেনি। নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে আয়োজনের ক্ষেত্রে কমিশন পুরোপুরি ব্যর্থ। প্রমাণ হয়ে গেছে, তাদের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়। তাই ব্যর্থতার দায় নিয়েই তাদের সরে দাঁড়ানো উচিত। নির্বাচন পরিণত হয়েছে দুঃস্বপ্নে।

একটা সময় ছিল যখন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে ঘিরে গ্রামের মেঠোপথে বিরাজ করতো উচ্ছ্বাস, আনন্দ। যোগ হতো, এক ভিন্নরকম আমেজ। প্রার্থীরা ভোটারের দুয়ারে গিয়ে ভোট চাইত, আর প্রান্তিক জনপদের মানুষগুলো নিজেদের ভোটকে গুরুত্বের সঙ্গে দেখত, দেখেশুনে নিজের পছন্দের প্রার্থীকে নিজেদের শাসনের জন্য নিয়োগ করত। গ্রাম্য দোকানগুলোতে নির্বাচন উপলক্ষ্যে চায়ের কাপে উঠত ঝড়।
আজ এ স্মৃতি যেন রূপকথার গল্প। প্রথমবারের মতো দলীয় প্রতীকে ষষ্ঠ ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে দেখা যায়নি চিরচেনা ইউপি নির্বাচনের সেই দৃশ্যপট। উল্টো আমেজহীন এ নির্বাচনে ঝরেছে প্রাণ। স্বজনহারাদের বেড়েছে আর্তনাদ। একটার পর একটা লাশ পড়ার খবরে দিশেহারা হয়ে পড়েছে জাতি। উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে গ্রাম্য মেঠোপথ। ককটেল আর বোমার আঘাতে ক্ষত-বিক্ষত হয়েছে শত মায়ের বুক। এ নির্বাচনে ভেঙেছে সহিংসতার অতীত সকল রেকর্ড।
স্থানীয় সরকার হচ্ছে, আমাদের গণতন্ত্রের মূলস্তম্ভ। তাই গণতান্ত্রিক উপায়ে স্থানীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবেÑ এমন প্রত্যাশা জনগণের। কিন্তু সরকার দলীয় পরিচয়ে নির্বাচনের নামে রক্তপাত, ব্যালট ছিনতাই, আহত-নিহতের মতো ঘটনায় গণতন্ত্রকে শয্যাশায়ী করেছে, প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে নির্বাচন প্রক্রিয়া।
নির্বাচনে দেখা গেছে, তফসিল ঘোষণার পর থেকে নির্বাচনের পরের দিন পর্যন্ত সহিংসতা চলমান ছিল। দলীয় প্রতীকে ইউপি নির্বাচনে দেশবাসী প্রত্যাশা করেছিল, রাজনীতিতে একটি গুণগত পরিবর্তন আসবে, জনগণ স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগ করবে। কিন্তু নির্বাচন কমিশন (ইসি) ইউপির সুষ্ঠু নির্বাচন করতে ব্যর্থ হয়েছে। ইসির ব্যর্থতাই বলে দেয়, এ নির্বাচনে একটি দলের একক কর্তৃত্ব ছিল। নির্বাচনে সহিংসতা ঘটে। তবে এবারের নির্বাচনে সহিংসতার মাত্রাটি ছিল বেশ ভয়াবহ। এবারের নির্বাচনি সহিংসতার মাত্রাটি দীর্ঘমেয়াদি। নির্বাচনি তফসিল ঘোষণার পর থেকেই এখন পর্যন্ত এ সহিংসতা চলছে। এ সহিংসতার মাধ্যমে যে বিভেদ সৃষ্টি করা হয়েছে, এটি তৃণমূল পর্যায়ের সম্প্রীতি-সৌহার্দ্যটি দারুণভাবে বিনষ্ট করবে বলে আমার ধারণা। এ সহিংসতার আরেকটি বৈশিষ্ট্য হলো সহিংসতার অধিকাংশই ক্ষমতাসীন দলের মধ্যে হয়েছে। তাদেরই রক্ত ঝরছে। তারাই এর ভিকটিম হয়েছেন এবং মাশুল দিচ্ছেন।
এই ইউপি নির্বাচন অতীতের নির্বাচনগুলোতে ঘটে যাওয়া সকল সহিংসতার রেকর্ড অতিক্রম করেছে। বিভিন্ন পত্র-পত্রিকার তথ্যের আলোকে ষষ্ঠ ধাপের ইউপি নির্বাচনে নির্বাচনি সহিংসতায় ১১০ জনের নিহতের ঘটনা ঘটেছে। নির্বাচনি সহিংসতা হতাহতের বিষয়টি মানুষের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। অতীতের নির্বাচনগুলোর মধ্যে ১৯৮৮ সালে সবচেয়ে বেশি প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছিল।
এবারের নির্বাচনে সহিংসতার কারণÑ সরকারদলীয় প্রার্থীরা যেকোনো মূল্যে জয়ী হওয়ার আকাক্সক্ষা। সে সঙ্গে আচরণবিধি ভঙ্গ করে পার পাওয়ার কারণে সহিংসতা বৃদ্ধি পেয়েছে। এ নির্বাচনে বিধি ভঙ্গের ব্যাপারে নির্বাচন কমিশনকে কখনোই কঠোর অবস্থানে দেখা যায়নি। ইউপি নির্বাচনে মনোনয়ন বাণিজ্যও ছড়িয়ে পড়েছে, আগে সংসদ নির্বাচনে মনোনয়ন বাণিজ্য হতো। এখন স্থানীয় সরকার নির্বাচনেও তা ছড়িয়ে পড়ছে।
যে হারে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ার ঘটনা ঘটছে তা নিঃসন্দেহে উদ্বেগজনক। ছয় দফার ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ, বিতর্কিত ও বিকৃত হয়েছে। নির্বাচন অস্ত্রের ঝনঝনানিতে পরিণত হয়েছে। প্রকাশ্যে অস্ত্র প্রদর্শন করা হয়েছে। প্রত্যেকটি প্রাণের গুরুত্ব আছে। আবারও প্রাণহানি না হওয়াটাও নির্বাচন সুষ্ঠুতার একক মানদ- নয়। কারণ অস্ত্র দেখলেই প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ও কর্মী-সমর্থকরা আগেই সরে যান।
কোনো ধাপের নির্বাচনই নির্বাচন কমিশন সুষ্ঠু করতে পারেনি। নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে আয়োজনের ক্ষেত্রে কমিশন পুরোপুরি ব্যর্থ। প্রমাণ হয়ে গেছে, তাদের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়। তাই ব্যর্থতার দায় নিয়েই তাদের সরে দাঁড়ানো উচিত। নির্বাচন পরিণত হয়েছে দুঃস্বপ্নে।
সর্বশেষ এডিট : ১০ ই জুন, ২০১৬ রাত ৯:৩১
৩টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

একান্ত ভাবনা

লিখেছেন মেহেদি হাসান শান্ত, ২২ শে আগস্ট, ২০২৬ সকাল ৯:৪০

একবার রিয়েক্টর ফিজিক্স ক্লাসে আমাদের একজন শিক্ষক বলেছিলেন, "এই দেশে আসলে সবাই সবার সঙ্গে বাটপারি করে।" কথাটা শুনে প্রথমে একটু অবাক হয়েছিলাম। কিন্তু যতদিন গেছে, চারপাশটা যতটুকু দেখেছি, ততই মনে... ...বাকিটুকু পড়ুন

দুর্ভিক্ষের আওয়াজ কি আমরা বাংলাদেশিরা শুনতে পাচ্ছি?

লিখেছেন মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ, ২২ শে আগস্ট, ২০২৬ সকাল ১০:৪৩

মুচলেকা দিয়ে, গোপন সমঝোতা করে মীর জাফর কিংবা মীর কাসিমের মতো “কথিত ক্ষমতার” সিংহাসনে বসা যায় ঠিকই কিন্তু বসে বসে জনগণের সর্বনাশ দেখা ছাড়া তাদের বিশেষ কিছু করার থাকে... ...বাকিটুকু পড়ুন

সম্ভাবনার বন্দি

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ২২ শে আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ১:১৮



বান্দরবান জেলা কারাগারের চারপাশে পনেরো ফুট উঁচু পাথর ও কংক্রিটের নিরেট প্রাচীর। তারও ওপরে পেঁচানো ধারালো কাঁটাতারের জাল।

বর্ষার কুয়াশাচ্ছন্ন সকালে ৩ নম্বর ব্লকের সংকীর্ণ সেলে শান্ত হয়ে বসে... ...বাকিটুকু পড়ুন

মাজার থেকে নৌকাবাইচ- এরপর কোথায়?

লিখেছেন জুল ভার্ন, ২২ শে আগস্ট, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১০

মাজার থেকে নৌকাবাইচ- এরপর কোথায়?
মাজার বিদ্বেষ, বাউলগান বিদ্বেষ, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে আপত্তি- এরপর কিছুদিন ধরে দেশের বিভিন্ন জায়গায় কলেমা লেখা পতাকা টানানো; আর এখন সিলেটের বিয়ানীবাজারে ‘তৌহিদী জনতা’র ব্যানারে ঐতিহ্যবাহী... ...বাকিটুকু পড়ুন

ঢাবিতে "মব সায়েন্স" পড়তে হলে কী কী যোগ্যতা লাগে?

লিখেছেন মাথা পাগলা, ২২ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ৮:১৮



- রাজনৈতিক সুবিধার জন্য তৌহিদী জনতার ব্যবহার করা জানতে হবে।

- রাষ্ট্রের নিরাপত্তা বাহিনী চোখের সামনে থাকা সত্ত্বেও মবকে থামাতে না পারলে সেটাকে রাষ্ট্রের ব্যর্থতা না বলে "জনতার শক্তি" বলতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×