
মহানবি (সা.) তাঁর মত নামাজ পড়তে বলেছেন, হানাফীদের মতে তিনি এটা পুরুষদেরকে বলেছেন।কারণ সেই জামানার নারীরা পুরুষের মত নামাজ পড়তোনা বিধায় হানাফী মাযহাবে তাদের আলাদা নামাজের বর্ণনা এসেছে।
হানাফী মাযহাবের জন্ম খোলাফায়ে রাশেদার চতুর্থ খলিফা হজরত আলীর (রাঃ) রাজধানী কুফায়। কুফায় তাঁর সাথে আসা মহিলা সাহাবা (রা.) থেকে কুফার মহিলারা নামাজ শিখেছে। সেই নামাজই হানাফী মাযহাবে এসেছে।কাজেই হাদিসের মনগড়া অর্থ করে নারী-পুরুষের নামাজ এক করে ফেলা যুক্তি সংগত নয়।
অনেক ক্ষেত্রেই নারী পুরুষে ভিন্নতা রয়েছে। এমন ভিন্নতা রয়েছে যা কখনো এক করা যাবে না।কাজেই নারী-পুরুষ সবক্ষেত্রে এক করার প্রচেষ্টা অহেতুক।আবার অনেক ক্ষেত্রে নারী-পুরুষে অভিন্নতা রয়েছে সে ক্ষেত্রেও তাদেরকে আলাদা করার দরকার নেই। এসব কথা বুঝতে বিজ্ঞ ইমামের মতামত লাগে। আর কোরআন ও হাদিস মানায় যেন ভুল না হয় সে জন্যই কোরআন ও হাদিস মানতে ইমাম মানতে হয়।সাহাবায়ে কেরামও (রা.) মহানবিকে (সা.) ইমাম মেনেছেন।কিন্তু মহানবির (সা.) কিছু কথা আমাদের নিকট ভুল ভাবে উপস্থাপিত হওয়ায়, সঠিকটা কি সেটা বুঝতে আমাদেরকে ইমামের মত আমলে নিতে হয়।তারমানে আমাদের ইমাম মানা সমস্যার পরিপেক্ষিতে। নতুবা আমরাও সরাসরি মহানবিকে (সা.) মানতে পরতাম। শয়তান এ ক্ষেত্রে সমস্যা তৈরী করায় শয়তান থেকে বাঁচার জন্য আমাদেরকে ইমামের কথা শুনতে হয়।
মহানবি (সা.) ইহুদীদের রাষ্ট্র গঠন না করতে পারার কথা বলেছেন। তিনি কোন ইহুদীর কথা বলেছেন? বানু কোরায়জার ইহুদী, খায়বরের ইহুদী, না সকল ইহুদী? কিন্তু ইহুদীরা রাষ্ট্র গঠন করেছে। রাষ্ট্র বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে উহা রাষ্ট্র। এবার এটা কেউ মানুক অথবা না মানুক। কাজেই বুঝা যাচ্ছে মহানবি (সা.) সব ইহুদীর কথা বলেননি। বরং যারা তার প্রতিষ্ঠিত রাষ্ট্র যারা ধ্বংস করতে চেয়েছে তাদের কথা বলেছেন। তারামানে তারা তাঁর রাষ্ট্রের স্থলে তাদের রাষ্ট্র বানাতে না পারার কথা বলেছেন।বাস্তবতার আলোকে হাদিসের মর্ম এমনটাই বুঝা যায়। কাজেই ফিলিস্তিনিরা হাদিসের মর্ম যেমন বুঝেছে তাতে পড়ে না থেকে তাদের সমস্যা সমাধানের ভিন্ন পথ খোঁজা উচিৎ।
সর্বশেষ এডিট : ০৭ ই মে, ২০১৮ সকাল ৮:১৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



