
তাবলীগ মানে দ্বীন প্রচার। আল্লাহ এটা করেছেন নবি-রাছুলগণের মাধ্যমে। আমাদের নবি (সা.)ব্যক্তিগত ভাবে এবং গোত্র প্রধান ও রাষ্ট্র প্রধানের কাছে চিঠির মাধ্যমে তাবলীগের কাজ করেছেন।মহানবী (সা.) নিজেও রাষ্ট্র প্রধান ছিলেন। এখন যারা তাকলীগ জামাত করছে তারা রাষ্ট্র প্রধান নয়। আর এখন গোত্র প্রধান যে কোথায় আছে কে জানে! আর রাষ্ট্র প্রধানের নিকট এমন চিঠি ফলদায়ক হবে বলে মনে হয় না।
পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে এখন যারা তাবলীগ করছে তারা দল বেঁধে বিভিন্ন এলাকায় যায় এবং মুসলীম-অমুসলীম সবাইকে দ্বীনের দাওয়াত দিচ্ছে। এতে অনেকেই ইবাদত গুজার হচ্ছে। আমাকে এক অটো চালক বলল, সে বে-নামাজি ছিল, তাবলীগ জামায়াতের দাওয়াতের ফলে সে এখন নামাজি হয়েছে।তথাপি এ উপকারী সংগঠনের অনেকে বিরোধিতা করছে। মুসলমানদের এ হলো সমস্যা একদল একটা ভাল কাজ করলে আরেক দল তাতে বাধার সৃষ্টি করে।
যারা তাবলীগের বিরোধীতা করছে তারা বলছে মহানবি (সা.) ও সাহাবায়ে কেরামের (রা.) তাবলীগের পদ্ধতি এটা না। তো মহানবি (সা.) ও সাহাবায়ে কেরাম বোখারী শরীফ পাঠ করেননি তোমরা কেন সেটা পাঠ কর? এখন বোখারী শরীফ পাঠ করা যদি বিদয়াত না হয় তবে তাবলীগ জামায়াত কেন বিদয়াত হবে? মহানবি (সা.) ও সাহাবায়ে কেরাম (রা.) নোকতা ও হরকত যুক্ত ছাপার কোরআন তেলাওয়াত করেননি, তোমরা কেন নোকতা ও হরকত যুক্ত ছাপার কোরআন তেলাওয়াত কর? তারমানে তোমরা যা কর সেটা বিদয়াত নয়, অন্যরা যা করে সেটাই বিদয়াত? সংগত কারণে এসব অবোধদের কথা কারো বুঝে আসে না।এরা যে কি বলে মনে হয় নিজেরাও ঠিকমত বুঝে না।আমি একদিন মোহিত হয়ে তাবলীগের বয়ান শুনলাম। এরা খুব সহজে মানুষকে দ্বীনের কথা বুঝিয়ে দেয়।
সর্বশেষ এডিট : ০৭ ই মে, ২০১৮ বিকাল ৪:৩৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



