
পীর, তাবলীগ, মীলাদ, শবে বরাত ও মাযহাবের প্রতি একদল লোকের ঘোর আপত্তি। কারণ একটাই এগুলো মহানবি (সা.) ও সাহাবায়ে কেরামের (রা.) যুগে ছিলনা।মহানবি (সা.) ও সাহাবায়ে কেরামের (রা.) যুগে হরকত ও নোকতা যুক্ত ছাপানো কোরআন ও হাদিস ছিলনা, এগুলো তবে তাদের ঘরে কেন আছে? তারা আগে তাদের ঘর থেকে হরকত ও নোকতা যুক্ত ছাপানো কোরআন ও হাদিস বিদায় করুক তারপর না হয় পীর, তাবলীগ, মীলাদ, শবে বরাত ও মাযহাবের বিরুদ্ধে কথা বলুক।তারা কোরআন ও হাদিস শিখবে হাফেজের কাছ থেকে আর তারা এগুলো হাতে লিখে নিবে এটাই তাদের জন্য ছুন্নতি তরিকা।প্রসঙ্গত আলেম সমাজের মতে ইসলামে মন্দ নতুন সৃষ্ট বিদয়াত। আর পীর, তাবলীগ, মীলাদ, শবে বরাত ও মাযহাব বিরোধীদের মতে ইসলামে সকল নতুন সৃষ্ট বিদয়াত এবার সেটা ভাল অথবা মন্দ যাই হোক না কেন! পীর, তাবলীগ, মীলাদ, শবে বরাত ও মাযহাব বিরোধী এ দলটি হঠাৎ গজিয়ে মুসলমানদের মাঝে ব্যাপক ফিতনা সৃষ্টি করছে।এদের কারণে মুসলমানদের মাঝে ব্যাপক হানাহানি মারামরি।সেজন্য এটা নিশ্চিত হওয়া দরকার এদের কথার সঠিকতা আসলে কতটুকু?
শত কোটি মুসলমান যে সবের সাথে যুক্ত, কারো ঠুনকো কথায়তো আর সে সব বাদ দেওয়া যায় না। আমাদের আপত্তি এখানে।এদের কারণে মুসলমানদের মাঝে চরম অশান্তি বিরাজ করছে। মসজিদে মসজিদে মারামারি হচ্ছে। মানুষ মসজিদ ছেড়ে ঘরে নামাজ পড়ছে। এ এক মহা কেলেংকারি অবস্থা। এরা ঈদ ও রমজান সৌদি আরবের সাথে মিলিয়ে পালন করে এবং এরা আলাদা মসজিদ তৈরী করে। এরা কথার মধ্যে বোখারী শরীফ ঢুকায় যদিও মহানবিমহানবি (সা.) ও সাহাবায়ে কেরামের (রা.) যুগে বোখারী শরিফ ছিল না। যে হাদিস গ্রন্থে বিদয়াত সংক্রান্ত হাদিস খানা আছে সে হাদিস গ্রন্থও মহানবিমহানবি (সা.) ও সাহাবায়ে কেরামের (রা.) যুগে ছিল না। কাজেই এদের পীর, তাবলীগ, মীলাদ, শবে বরাত ও মাযহাবের বিরোধীতার কারণ একটাই, আর তা’হলো এগুলো তাদের পছন্দ নয়। সেজন্য যে কোন প্রকারে তারা এগুলো বন্ধ করতে চায়। এদের কথামত ইসলাম থেকে বিদয়াত বাদ দিতে গেলে ইসলামে আর কিছুই থাকবে না। কারণ ইসলামের অনেক কিছুই আর আগের মত নেই। দেড় হাজার বছরে অনেক কিছুই আমুল বদলে গেছে।
বাংলাদেশে যদি একদল লোক প্রস্তত হয়ে পীর, তাবলীগ, মীলাদ, শবে বরাত ও মাযহাবের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করে তবে একদা দেখা যাবে বাংলাদেশ ধ্বংসস্তুপে পরিণত হয়েছে। কাজেই এ বিষয়ে আগে থেকে সচেতনতা জরুরী। শায়েখ আব্দুর রহমান ও বাংলাভাই মূলত পীর, তাবলীগ, মীলাদ, শবে বরাত ও মাযহাবের বিরোধী সেই দলের সদস্য। তারা কি করেছে সেটা সবার জানা।
সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই মে, ২০১৮ সকাল ৭:৫৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



