
সৃষ্টিকর্তা কারো সাথে কথা বলতে পারেননা কেন? সৃষ্টিকর্তা কি বোবা নাকি? সৃষ্টিকর্তার যদি অসীম বাক শক্তি থাকে তবে কথা না বললে সেটা কি কাজে লাগে? সৃষ্টিকর্তা কারো সাথে কথা বলেননাই তারা কিভাবে জানলো? তারা কি সব সময় সবার সাথে বিরাজমান থকে নাকি? নাকি তারা সৃষ্টিকর্তার সাথে সব সময় বিরাজমান থাকে? এমন নিখাঁদ মিথ্যাকথা তারা কেমন করে বলে?এটা হতে পারে সৃষ্টিকর্তা যে কারো সাথে কথা বলেছেন এটা তারা শুনেনি। তো সৃষ্টিকর্তার কারো সাথে কথা বললে তাদেরকে শুনিয়ে কথা বলতে সৃষ্টিকর্তা বাধ্য নাকি? জনে জনে শুনিয়ে কথা বলতে সৃষ্টিকর্তা বাধ্য নাকি?
এ নির্বোধ লোকগুলো সৃষ্টিকর্তার সামান্য অনুসন্ধান করেই একবার ঘোষণা দিয়েছিল যে সৃষ্টিকর্তা বলতে কিছু নেই। কেউ আছে কি নেই সব জায়গা তালাশ না করেই কি করে বলা যায় সে নেই? এখন তারা বলছে সুপ্রিম পাওয়ার আছে তবে সে কারো সাথে কথা বলে নাই। কেনরে বাপু যে কথা বলতেই পারেনা সে আবার কেমন সুপ্রিম পাওয়ার? এ লোকগুলো অনবরত শিশুর মতই কথা বলে যাচ্ছে। এদের কথার ধরনে মনে হয়না তারা বয়প্রাপ্ত হয়েছে।
তারা বলছে সৃষ্টিকর্তা মুহাম্মদের (সা.)সাথে কথা বলেন নাই। তারা কি মোহাম্মদের (সা.) সাথে লেপ্টেছিল নাকি, না তারা সৃষ্টিকর্তার সাথে লেপ্টে ছিল? তবে কি করে বুঝল তাঁর সাথে সৃষ্টিকর্তা কথা বলেন নাই? সৃষ্টিকর্তা ও তাঁর নবি(সা.) সম্পর্কে তারা সেরা অযোক্তিক কথা বলে।
একটা শিশু পর্যন্ত মাতুব্বরি করতে পছন্দ করে।সৃষ্টিকর্তা তবে মাতুব্বরি করতে পছন্দ করবেন না কেন? সৃষ্টিকর্তা মাতুব্বরি করতে যাবেন কাদের উপর? নিশ্চয়ই যাদের উপর তাঁর মাতুব্বরি ফলবে তাদের উপর। তো এমন লোকদের সাথে কথা বলে সৃষ্টিকর্তা তাঁর মাতুব্বরি মানার কথা বলেন। তো তিনি তাদের বলেন অন্যদেরকেও তাঁর মাতুব্বরি মানার কথা জানিয়ে দিতে।
যাদের সাথে সৃষ্টিকর্তা কথা বলেননা, তিনি ভালভাবেই জানেন তাদের সাথে কথা বলতেগেলে তারা তাঁর বিরক্তির কারণ হবে।তিনি বলেছেন, তাদের সাথে তিনি সরসরি কথা বললেও তারা তাঁকে স্বীকার করবেনা।তারা তাঁর সৃষ্টিকর্তা হওয়ার প্রমাণ চাইবে। এরপর তিনি প্রমাণ সরূপ তাদের কথামত যা করবেন সে সবকে তারা যাদু বলে চালিয়ে দিবে।সাকুল্যে তারা ঈমান আনবেনা। তারমানে যাদের ঈমান নেই মূলত তারা ঈমান আনার মত নয়। তাদের দুনিয়ারকাল ভাল কাটছে কারণ দুনিয়ার কালেরপর তাদের প্রাপ্য বলতে কিছুই থাকবেনা।
যারা সৃষ্টিকর্তাকে মানেনা তাদের হেদায়েতের কোন গরজ সৃষ্টিকর্তার নেই। আর গরজ থেকেইবা কি হবে তারাতো হেদায়েত হবেনা।তাদের সৃষ্টিকরা হয়েছে শাস্তি প্রদানের জন্য। ইহকালিন অবকাশ শেষ হলেই তাদের শাস্তির কাল শুরু হবে।তাদের শাস্তির জন্য মনোনয়নের কারণ সৃষ্টিকর্তার প্রতি তাদের কোন মনযোগ নেই। যাদের সৃষ্টিকর্তার প্রতি মনেযোগ রয়েছে সৃষ্টিকর্তার তাদের প্রতি মনোযোগ রয়েছে। সৃষ্টিকর্তা তাদের প্রতি এমন সব তথ্য প্রেরণ করেন যে তারা আর সৃষ্টিকর্তার পথ থেকে সরতে পারেনা।তাদের জগৎ অবিশ্বাসীদের থেকে আলাদা জগৎ।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে জুলাই, ২০১৮ রাত ৮:২১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


