
মোহাম্মদ (সা.) বলেছেন তাঁর সাথে আল্লাহ কথা বলেছেন, আবার জিব্রাঈল (আ.) আল্লাহর কথা তাঁর নিকট বলেছেন।কিছু কিছু বিজ্ঞানী বলছে এটা সত্য হতে পারেনা। অথছ যখন কথা বলার ঘটনা ঘটেছে তখন সে স্থানে বিজ্ঞানী মোটে ছিলইনা।কাজেই বিজ্ঞানী যে মিথ্যা বলেছে এতে কোন সন্দেহের অবকাশ নেই। কারণ কোন স্থানে উপস্থিত না থেকে সে স্থানে কি ঘটেছে বা ঘটেনি তা’বলা যায়না।অনেক সময় অনেকগুলো সত্য পরপর সাজিয়ে নতুন একটা অকাট্য সত্য পাওয়া যায়, জ্ঞিানীর ক্ষেত্রে সেটাও ঘটেনি। কাজেই বিজ্ঞানীর কথা এ ক্ষেত্রে কোনভাবেই সত্য বলা যায়না।সংগত কারণে আমরা বলতে বাধ্য হচ্ছি যে এ ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীর কথা মিথ্যা।
কিন্তু মোহাম্মদ (সা.) কি সত্য বলেছেন? তাঁর কথা বলার সময়ে আমরা সে স্থানে ছিলাম না। কাজেই আমরা জানিনা তাঁর সাথে আল্লাহ কথা বলেছেন কি না বা জিব্রাঈল আল্লাহর কথা তাঁর সাথে বলেছেন কি না। কিন্তু আল্লাহ কি কথা বলেছেন সেটা কোরআনরূপে আমাদের নিকট বিদ্যমান।যাতে বলা আছে তাতে কোন ভুল নেই।যদি একথা সত্য হয় তাহলে কোরআন মানুষের বাণী নয়, কারণ মানুষ মাত্রই ভুল থাকে। কাজেই কোরআন এমন কারো বাণী যার ভুল নেই।
ভুল তার হয়না যার মধ্যে কোন কিছুর উপাদানগত ঘাটতি থাকেনা। উপাদানগত ঘাটতি থাকলে যে উপাদানগত ঘাটতি থাকে সে সংক্রান্ত ভুল হবেই।কারণ যে বিষয়ে আপনি কথা বলছেন সে বিষয়ে সব তথ্য যদি আপনার নিকট না থাকে তখন বাধ্য হয়ে আপনি অনুমানে কথা বলবেন। আর অনুমানে কথায় সব সময় সঠিকতা থাকেনা।কাজেই কথা সঠিক হতে হলে তাতে তথ্যগত কোন ঘাটতি চলবেনা।আর ঘাটতি থেকে রক্ষাপায় শুধুমাত্র অসীম। আর অসীম শুধুমাত্র একজন। কারণ অসীমের একাধীক হওয়া সম্ভব নয়।কারণ অসীমকে একাধীক বানাতে তাকে সীমা দিতে হবে। অথচ সীমা দিলে অসীম আর অসীম থাকেনা।কাজেই অসীম একের অধীক হতে পারেনা।কাজেই কোরআনে ভুল না থাকলে সেটা অসীমের বাণী বলে সাব্যস্ত হয়।আর সে কোরআন বলছে বা অসীম বলছে তাঁর নাম আল্লাহ। কাজেই কোরআন আল্লাহর বাণী।এখন মোহাম্মদের (সা.) সাথে আল্লাহ কথা না বললে বা জিব্রাঈল আল্লাহর কথা মোহাম্মদের (সা.) কাছে না বললে তিনি আল্লাহর কথা কেমন করে বললেন? সংগত কারণে মোহাম্মদ (সা.) সত্যবাদী এবং এটা অনিবার্য সত্য যে মোহাম্মদ (সা.) সত্য বলেছেন এবং তাঁর কথা অস্বীকারকারী বিজ্ঞানী সত্য বলেনি।
মোহাম্মদকে (সা.) মিথ্যাবাদী সাব্যস্ত করতে হলে কোরআন থেকে প্রমানীত ভুল বের করতে হবে। কিন্তু সেটা দেড় হাজার বছরে সম্ভব হয়নি।এপর্যন্ত কোরআন থেকে যে সব ভুল বের করা হয়েছে তা’যে ভুল ধরতে ভুল করা ছিল তা বহুবার প্রমাণীত হয়েছে।মেধাবী লোকেরা এ শর্তে এবং এমন আরো অনেক শর্তে মোহাম্মদকে (সা.) সত্যবাদী সাব্যস্ত করে।
আল্লাহ বলেছেন তিনি যাকে হেদায়েত দান করেন তাকে কেউ পথ ভ্রষ্ট করতে পারেনা। তো আল্লাহ যাদেরকে হেদায়েত দিতে চান তাদেরকে তিনি এমন সব বিষয় অবগত করেন যার ফলে কেউ তাদেরকে আর পথভ্রষ্ট করতে পারেনা। আমার কাছ থেকে এক নাস্তিক জানতে চেয়েছে সে কিভাবে হেদায়েত পেতে পারে? আমি তাকে বললাম কাকুতি মিনতি সহ আল্লাহর নিকট চাইবে তিনি যেন তোমাকে হেদায়েত প্রদান করেন, তাহলে আশাকরি তিনি তোমাকে হেদায়েত দান করবেন। নাস্তিক বলল, আমি আল্লাহর নিকট কিভাবে চাইব, আমিতো আল্লাহকে বিশ্বাস করি না। আমি বললাম সে ভাবেই চাইবেন। বলবেন যদি আপনি থাকেন তবে আমাকে হেদায়েত দান করেন। এ প্রক্রিয়ায় আমি অনেকের কাছ থেকে ভাল ফল পেয়েছি।
সর্বশেষ এডিট : ০৪ ঠা আগস্ট, ২০১৮ রাত ৮:৪২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


