somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি আর দেখতে চাইনা

৩১ শে আগস্ট, ২০১৬ বিকাল ৫:৫২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



গত ২৪ আগস্ট বুধবার রাজধানীর কাকরাইলে উইলস লিটল ফ্লাওয়ার স্কুল অ্যান্ড কলেজের সামনে দুপুর বারোটায় ফুটওভারব্রিজে রিশার ওপর হামলা করে পালিয়ে যায় দুর্বৃত্ত। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিত্সাধীন অবস্থায় ২৮ আগস্ট রবিবার সকাল সাড়ে আটটায় মারা যায় রিশা। সুরাইয়া আক্তার রিশা উইলস লিটল ফ্লাওয়ার স্কুল অ্যান্ড কলেজের অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী ছিল। রিশার কতোই বা বয়স! ১৩ কি ১৪। এ বয়সেই বাবা-মা, আত্মীয়, সহপাঠী বন্ধুদের ছেড়ে চলে গেল। চলে গেল না-ফেরার দেশে। কিন্তু তার তো যাওয়ার কথা ছিল না। তারও একটি স্বপ্ন ছিল। ছিল বাঁচার অধিকার। কিন্তু তাকেই কেন চলে যেতে হলো? কেনই বা একজন মায়ের বুক অকালে খালি হলো? কপালে ছিল! এমন উত্তরে আমি সন্তুষ্ট নই। এভাবে আর কত মায়ের বুক খালি হবে? হয়তো অসংখ্য। কিন্তু এর কি সমাধান নেই! নাকি সমাধানের পথ পরিষ্কার নয়! একের পর এক হত্যা হয়েই চলবে, অপরাধীরা থাকবে ধরা-ছোঁয়ার বাইরে। হবে না অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক বিচার। বিচার কাজ চলতে লাগবে দীর্ঘ থেকে দীর্ঘ সময়। হাজারো নতুন ঘটনার মাঝে চাপা পড়ে যায় পুরোনো বিচারের দাবি। বিচার না পাওয়ার অতৃপ্ত বেদনায় কাঠ হয়ে যায় স্বজনদের বুক। অতীতের হত্যাকাণ্ডগুলোর দৃষ্টান্তমূলক বিচার হলে হত্যাকারীরা সাহস পেত না। হত্যার মতো নেশা তাদের মস্তিষ্কে চেপে বসত না। চোখের সামনেই অপরাধী অপরাধ করে পার পেয়ে যাচ্ছে। অপরাধীরা চলে যাচ্ছে প্রশাসনের দৃষ্টির বাইরে। এসব থেকেই কি তারা উতসাহিত হচ্ছে না? রিশাকে আহত করা হয়েছে প্রকাশ্য দিবালোকে। জনমানুষের সামনেই। দিনের বেলায় চাপাতি চালিয়ে কিভাবে সন্ত্রাসী পার পেয়ে যায় এটা বোধগম্য নয়। আর রাজধানী শহরে দিনের বেলায় কাউকে হত্যা করার মতো সাহস কীভাবে পায় একজন অপরাধী? ঘটনার চার দিন পরে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে রিশা। অপরাধী চিহ্নিত এবং আজ শুনলাম অপরাধী গ্রেপ্তার হয়েছে।আমরা চাই এই অপরাধীর এমন শাস্তি হবে যা দেখে অনান্য অপরাধী শিক্ষা নিবে। আর যেন কোন বাবা-মায়ের কোল অকালে শুন্য না হয়।

সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে আগস্ট, ২০১৬ বিকাল ৫:৫২
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

একান্ত ভাবনা

লিখেছেন মেহেদি হাসান শান্ত, ২২ শে আগস্ট, ২০২৬ সকাল ৯:৪০

একবার রিয়েক্টর ফিজিক্স ক্লাসে আমাদের একজন শিক্ষক বলেছিলেন, "এই দেশে আসলে সবাই সবার সঙ্গে বাটপারি করে।" কথাটা শুনে প্রথমে একটু অবাক হয়েছিলাম। কিন্তু যতদিন গেছে, চারপাশটা যতটুকু দেখেছি, ততই মনে... ...বাকিটুকু পড়ুন

দুর্ভিক্ষের আওয়াজ কি আমরা বাংলাদেশিরা শুনতে পাচ্ছি?

লিখেছেন মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ, ২২ শে আগস্ট, ২০২৬ সকাল ১০:৪৩

মুচলেকা দিয়ে, গোপন সমঝোতা করে মীর জাফর কিংবা মীর কাসিমের মতো “কথিত ক্ষমতার” সিংহাসনে বসা যায় ঠিকই কিন্তু বসে বসে জনগণের সর্বনাশ দেখা ছাড়া তাদের বিশেষ কিছু করার থাকে... ...বাকিটুকু পড়ুন

সম্ভাবনার বন্দি

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ২২ শে আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ১:১৮



বান্দরবান জেলা কারাগারের চারপাশে পনেরো ফুট উঁচু পাথর ও কংক্রিটের নিরেট প্রাচীর। তারও ওপরে পেঁচানো ধারালো কাঁটাতারের জাল।

বর্ষার কুয়াশাচ্ছন্ন সকালে ৩ নম্বর ব্লকের সংকীর্ণ সেলে শান্ত হয়ে বসে... ...বাকিটুকু পড়ুন

মাজার থেকে নৌকাবাইচ- এরপর কোথায়?

লিখেছেন জুল ভার্ন, ২২ শে আগস্ট, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১০

মাজার থেকে নৌকাবাইচ- এরপর কোথায়?
মাজার বিদ্বেষ, বাউলগান বিদ্বেষ, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে আপত্তি- এরপর কিছুদিন ধরে দেশের বিভিন্ন জায়গায় কলেমা লেখা পতাকা টানানো; আর এখন সিলেটের বিয়ানীবাজারে ‘তৌহিদী জনতা’র ব্যানারে ঐতিহ্যবাহী... ...বাকিটুকু পড়ুন

ঢাবিতে "মব সায়েন্স" পড়তে হলে কী কী যোগ্যতা লাগে?

লিখেছেন মাথা পাগলা, ২২ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ৮:১৮



- রাজনৈতিক সুবিধার জন্য তৌহিদী জনতার ব্যবহার করা জানতে হবে।

- রাষ্ট্রের নিরাপত্তা বাহিনী চোখের সামনে থাকা সত্ত্বেও মবকে থামাতে না পারলে সেটাকে রাষ্ট্রের ব্যর্থতা না বলে "জনতার শক্তি" বলতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×