somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

বিদ্যুতের চাহিদা মেটাতে দেশী বিদেশী প্রচেষ্টা অব্যাহত

০৯ ই ডিসেম্বর, ২০১৬ বিকাল ৪:৫৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


বিদ্যুৎ চাহিদা সামাল দিতে নানা পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। নেপালের সঙ্গে আগামী এক মাসের মধ্যে জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনে সমঝোতা স্মারক সই হচ্ছে। এর মধ্য দিয়ে দেশের সীমানা ছাড়িয়ে সরাসরি বিদ্যুৎ উৎপাদনে বাংলাদেশ রাষ্ট্রীয়ভাবে প্রথমবার বিনিয়োগ করতে যাচ্ছে। নেপালের জল বিদ্যুৎ খাতে দীর্ঘদিন ধরেই বিনিয়োগের আগ্রহ প্রকাশ করছে বাংলাদেশ। এক বিলিয়ন ডলার দেশটির জল বিদ্যুৎ উৎপাদনে বিনিয়োগের জন্য নীতিগত অনুমোদন দেয়া হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে নেপালে জলবিদ্যুৎ
খাতে বিনিয়োগ করা হচ্ছে। সরকার নিজস্ব বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা বৃদ্ধির পাশাপাশি প্রতিবেশী দেশগুলো থেকেও বিদ্যুত আমদানির চেষ্টা করছে। ভারত থেকে ৬০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আসছে। নেপাল ও ভুটান থেকে বিদ্যুৎ আনার বিষয়ে আলোচনা চলছে। এসব দেশে জলবিদ্যুৎ উৎপাদনের বিশাল সুযোগ রয়েছে। এজন্য ভারতের সহযোগিতা প্রয়োজন। কারণ দেশটির ওপর দিয়েই বিদ্যুৎ আনতে হবে। ভারত এ বিষয়ে সহযোগিতা করতে রাজিও আছে। একটি খসড়া এমওইউ নেপালে পাঠানো হয়েছে। এই এমওইউ সইয়ের বিষয়ে নেপালের দ্রুত সহযোগিতা কামনা করা হচ্ছে। আগামী এক মাসের মধ্যে এমওইউ সই করা সম্ভব বলে আশা করা হচ্ছে। এখানে নেপাল ছাড়াও ভারত যুক্ত। সেজন্যই দ্বিপক্ষীয় এর বদলে ত্রিপক্ষীয় সমঝোতা দরকার। ভারত সরকার ইতিবাচক সাড়া দিলে নেপালের কোন আপত্তি থাকবে না। এমওইউ সই হওয়ার পর ভারতের মতো নেপালের সঙ্গে যৌথ স্টিয়ারিং কমিটি ও ওয়ার্কিং গ্রুপ গঠন করা হবে। ফলে দেশটির বিদ্যুৎ খাতে বিনিয়োগের বিষয়ে দ্রুত কার্যকর সিদ্ধান্ত নেয়া সহজ হবে। নেপালে জলবিদ্যুৎ উৎপাদনের বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে। এই সম্ভাবনা কাজে লাগিয়ে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর বিদ্যুৎ সংকটের সমাধান করা যায়। এ জন্য দেশটির পক্ষ থেকে বিনিয়োগ করার জন্য আগ্রহীদের অনুরোধ করা হয়েছে। নেপালে জিএমআর নামে ভারতীয় একটি কোম্পানি জলবিদ্যুৎ উৎপাদন করছে। তারা বাংলাদেশে ৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ বিক্রির প্রস্তাবও দিয়েছে। এছাড়া ভারতের রাষ্ট্রীয় কোম্পানি এনভিভিএন নেপাল থেকে ৫০০ হতে ৯০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ বাংলাদেশে বিক্রি করতে আগ্রহী। এজন্য বাংলাদেশ সরকার অথবা বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদী বিদ্যুৎ বিক্রয় চুক্তি সইয়ের প্রস্তাব দিয়েছে তারা। বিদ্যুতের চাহিদা পূরণে সম্ভাব্য সকল প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখা হচ্ছে।

সর্বশেষ এডিট : ০৯ ই ডিসেম্বর, ২০১৬ বিকাল ৪:৫৫
২টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

যাদের স্বপ্নের দেশ আমেরিকা: তাদের জন্যে আজকের পোস্ট

লিখেছেন অপলক , ১৭ ই অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ২:১৮



এমন এক সময় ছিল, ছেলে বা মেয়ে ডিভি লটারীতে স্বপ্নের দেশে গেছে, বাপ মায়ের পাড়া প্রতিবেশী গর্বে কথা বলাই মুশকিল। সেখানে গিয়ে OC(Office Cleaner) নাকি DC(Dish Cleaner) হবে তার... ...বাকিটুকু পড়ুন

”আমার রাজনীতির রূপরেখা” -- জিয়াউর রহমান

লিখেছেন প্রামানিক, ১৭ ই অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৪:০০


শহীদুল ইসলাম প্রামানিক
আমি তখন দৈনিক দেশ পত্রিকায় চাকরি করি। এটা আমার দ্বিতীয় চাকরি। প্রথম চাকরি নিয়েছিলাম ব্রিটিশ আমলের প্রকাশিত দৈনিক আজাদ পত্রিকায়। আজাদ পত্রিকাটি ব্রিটিশ আমলে মুসলমানের পক্ষের একমাত্র... ...বাকিটুকু পড়ুন

শহীদ জিয়া ২৭ মার্চের ভাষণে 'জয় বাংলা' বলেছিলেন

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১৭ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১০:১১





সূত্রঃ আমার রাজনীতির রূপরেখা
লেখকঃ জিয়াউর রহমান
পৃষ্ঠাঃ ১৭৭

...বাকিটুকু পড়ুন

মীর জাফর ও ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির ঐতিহাসিক চুক্তি! যে চুক্তির জন্য বাংলার স্বাধীনতার সূর্য ২০০ বছরের জন্য অস্তমিত হয়েছিল!

লিখেছেন নূর আলম হিরণ, ১৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ২:৪২


আমরা পলাশী যুদ্ধের কথা জানি। কিন্তু এই যুদ্ধ শুরু হওয়ার আগে যে একটি ঐতিহাসিক চুক্তি হয়েছিল মীরজাফর ও ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির কর্ণধার লর্ড ক্লাইভের এর সাথে সেটা সম্পর্কে খুব কমই... ...বাকিটুকু পড়ুন

মেধা নয়, রাজনৈতিক পরিচয়ই কি আমাদের রাষ্ট্রে যোগ্যতার মাপকাঠি?

লিখেছেন raselabe, ১৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ ভোর ৬:২৯

বিসিএসসহ বিভিন্ন সরকারি চাকরির নিয়োগ প্রক্রিয়ায় রাজনৈতিক পরিচয় বা ভেরিফিকেশনের কারণে প্রার্থীদের বাদ পড়ার অভিযোগ আমাদের প্রিয় মাতৃভূমিতে নতুন কোনো ঘটনা নয়। রাজনৈতিক দলগুলো ক্যাম্পাসে ক্যাম্পাসে নিজেদের ছাত্রসংগঠনের কার্যক্রম চালু... ...বাকিটুকু পড়ুন

×