ব্লগার মারুফ সৈকত গতকাল একটি পোষ্ট দিয়েছেনঃ দুই মন্ত্রীর ধৃষ্টতাপূর্ণ বক্তব্য বিষয়ে মহল বিশেষের নীরবতায় প্রশ্ন শিরোনামে। পোষ্টটি পড়ে আমি মন্তব্য করিঃ
অবশ্যই মতিয়া চোধুরী আর কামরুল ইসলামের বক্তব্য নিন্দনীয়। কিন্তু আপনি জামাতের মাওলানা রফিকুল ইসলাম খানের পক্ষে সাফাই গাইছেন কেন??
মাওলানা রফিকুল ইসলাম মহানবী সাঃ সম্পর্কে যে বক্তব্য দিয়েছেন তা অবশ্যই সব মুসলিমের মনের কথা। কিন্তু নিজামী সাহেবের প্রসঙ্গে কথা বলা সময় এটা বলা কি যৌক্তিক হয়েছে? আপনার এই দ্বৈত নীতির জন্য মাইনাস দিচ্ছি।
আমার মনে হয় অন্যায় যে দলের লোকই করুক তা ঘৃণা করা উচিত। আর ব্লগে যারা অশালীন ভাষা ব্যবহার করছেন তাদের যুক্তি দিয়ে কথা বলার আহবান জানাচ্ছি।
উনি জবাবে লিখেনঃ
ভাই, মা. রফিকুল ইসলাম খানের বক্তব্যটা আরেকবার মন দিয়ে পড়েন। তারপর বলেন তিনি মহানবীর (সা) সাথে কোথায় তুলনা করেছেন।
বেশ ভালো কথা। কিন্তু মন্তব্য করতে গিয়ে দেখিঃ দুঃখিত, আপনার এখানে মন্তব্য করার অনুমতি নেই ।
মানে আমি ব্লকড। বুঝেন অবস্থা।
কি এমন কথা বললাম যে একেবারে ব্লক দিতে হল আমাকে? আর দেখেন সৈকত সাহেব লিখেছেন তারপর বলেন আর আমাকে বলার পথ বন্ধ করে রেখেছেন।
এরপর যারা ব্লগ পড়বেন তারা বুঝবেন যে আমি উত্তর দিতে না পেরে মৌনতা অবলম্বন করছি।
একজনের লেখা তো একজনের ভালো না লাগতেই পারে। তাই বলে মাইনাস দিলেই একজনকে ব্লক করে দিতে হবে?
আমি নতুন ব্লগার। কালই প্রথম মাইনাস দিলাম আর প্রথম মাইনাস দিয়েই এই অভিজ্ঞতা হল।
তাই মডারেটরদের প্রতি আমার অনুরোধ ব্লগারদের এই ইচ্ছামত ব্লক করার নিয়মটাতে একটু পরিবর্তন আনুন। কেউ ব্লক করতে চাইলে প্রথমে যথাযথ কারন সহ মডারেটরদের কাছে রিকোয়েস্ট পাঠাবে। মডারেটররা বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নিবেন। তাহলে আর কেউ ইচ্ছা হলেই এই রকম চোট্টামি করতে পারবে না।
অথবা আরও একটা কাজ করা যায়। কোন ব্লগার কাকে কবে ব্লক করল তার একটা লিষ্ট সবার প্রফাইলে দেখা যাবে। তাহলে সবাই বুঝতে পারবে আসল ঘটনা।
সর্বশেষ এডিট : ২৪ শে মার্চ, ২০১০ রাত ৮:৪১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


