সকালের নাস্তা দেবার সময়, স্বামী তার বউকে বললো-"তুমিতো দিন দিন আরও রূপবতী হয়ে উঠছ মনে হচ্ছে"
স্ত্রীঃ (গদগদ স্বরে) তাই!!! কি করে বুঝলে?
স্বামীঃ (পোড়া রুটির দিকে তাকিয়ে) না মানে, তোমার রূপের আগুনে রুটি গুলোও জ্বলে পুড়ে খাক হয়ে যাচ্ছে ! :s
রেলওয়য়েতে চাকরির ইন্টারভিউ হচ্ছে। একটি চটপটে ছেলেকে সবার পছন্দ হল। চেয়ারম্যান একটু বাজিয়ে নিতে চাইলেন।
: ধর, একটা দ্রুতগামী ট্রেন আসছে। হঠাৎ দেখলে লাইন ভাঙা। ট্রেনটা থামানো দরকার। কী করবে তুমি?
: লাল নিশান ওড়াব।
: যদি রাত হয়?
: লাল আলো দেখাব।
: লাল আলো যদি না থাকে?
: তা হলে আমার বোনকে ডাকব্
: বোনকে! তোমার বোন এসে কী করবে?
: কিছু করবে না। ওর অনেক দিনের শখ একটা ট্রেন-অ্যাক্সিডেন্ট দেখার।
এক্সাম আর গার্লফ্রেন্ড এর মাঝে মিল -
# ১.Always একগাদা প্রশ্ন
# ২. দুইটার একটারেও একদম ই বুঝা জায় না
# ৩. দুইটার কাছেই বর্ণনা করা ব্যাখ্যা সর্বদাই অসম্পূর্ণ মনে হয়
# ৪.আর, রেজাল্ট , দুই ক্ষেত্রেই always .........ফেইল !!!!!............।
এক লোক তার ৩/৪ বছরের ছেলেকে নিয়ে সাইকেলে করে বাজারের দিকে যাচ্ছে…
আর ছেলেটা সাইকেলে বসে খুব চিৎকার করছিল !
ত বাজারের ভিতরে যাওয়ার পর একজন লোক ছেলেটির বাবাকে বলছে… এই যে ভাই, আপনার ছেলের কান্না আগে থামান ।
বাবা বলছে ছেলেকি ইচ্ছা করে কাদঁছে ! আমি ওকে চিমটি দিয়ে কাদাঁছি……
তখন লোকটি বলল, কোন লোক কি তার বাচ্চাকে ইচ্ছা করে কাঁদায় নাকি ?
… বাবা বলল আমি কি ইচ্ছে করে কাঁদাচ্ছি নাকি ! আমার সাইকেলের বেলটা নষ্ট তাইত….!
মেয়েঃ আমার এক এক নিশ্বাস এর জন্য এক এক ছেলে মরতে পারে
.
.
.
.
.
.
.
ছেলেঃ তাইলে ভালো টুথ পেস্ট দিয়া দাত মাজলেই পার
স্কুল পরিদর্শক এসেছেন স্কুল পরিদর্শন করতে। তিনি ৫ম শ্রেণীর এক ক্লাস পরিদর্শন করছেন।
পরিদর্শক ক্লাসের ১ম ছাত্রকে জিজ্ঞাসা করসেন।
পরিদর্শকঃ তোমার নাম কি বাবা ?
মন্টুঃ আমার নাম মন্টু।
পরিদর্শকঃ বাহ বেশ ভাল নাম তো। তোমার শখ কি ?
মন্টুঃ আমার শখ পুকুরে শাপলা দেখা।
পরিদর্শকঃ সে তো ভাল কথা শাপলা তো আমাদের জাতীয় ফুল।
পরিদরশকঃ তোমার নাম কি?
রবিঃ সার আমার নাম রবি?
পরিদর্শকঃ তাহলে বাবা তোমার শখ কি?
রবিঃ সার আমার শখ পুকুরে শাপলা দেখা।
পরিদর্শকঃ আচ্ছা তোমার নাম কি?
ডালিমঃ আমার নাম ডালিম।
পরিদর্শকঃ তো তোমার শখ কি ?
ডালিমঃ সার আমারও শখ পুকুরে শাপলা দেখা।
পরিদর্শকঃ আরে জারই জিজ্ঞাসা করছি তার শখই পুকুরে শাপলা দেখা। ব্যাপারটা কি?
পরিদর্শকঃ এই মেয়ে তোমার নাম কি?
মেয়েটিঃ স্যার আমার নামই শাপলা।
দুই বন্ধু একটা নিরিবিলি পার্কে বসে গল্প করতেসে।
১ম বন্ধু ২য় বন্ধুর কাছে ১০০০ টাকা পায় কিন্তু এখনো শোধ করে না।
১ম বন্ধুঃ কিরে তুই টাকা দেস না কেন?
২য় বন্ধুঃ দোস্ত দিমু, হাতে টাকা নাই
↓
↕
… ↕
↕
↕
↕
↕
একটু পরেই ৫/৬ জন ছিনতাইকারী আসল এবং পেটে ছুড়ি ধরে বলল যা আছে সব দে!!
২য় বন্ধু ১০০০ টাকা বের করে ১ম বন্ধুর হাতে দিয়ে বলল: এই নে তোর টাকা!! তোর সাথে আমার লেনদেন শেষ।
প্রেমিকা : জানু ,আজ তো ভেলেন্টাইন্স ডে, আমাকে এমন ভাবে Propose করো যেভাবে আজ পর্যন্ত কোন ছেলে কোন মেয়ে কে করেনি
.
.
.
.
.
.
.
প্রেমিক : হারামজাদি, কুত্তি , কলংকিনি, শয়তানের শয়তান আই লাভ ইউ চো মাচ আমাকে বিয়ে করে আমার জীবন ধ্বংশ করে দে ডাইনি...!!
ক্লাশের ফাস্ট বয় ক্লাশে ঢুকে ঘুমিয়ে পড়ল....
শিক্ষক: এই তুমি ঘুমাচ্ছ কেন?
ছাত্র: আমাকে আমার মত থাকতে দিন।
শিক্ষক: এমন করলে তুমি আর প্রথম হতে পারবেনা।
ছাত্র: আমি নিজেকে নিজের মত গুছিয়ে নিয়েছি।
...শিক্ষক: তুমি এবারও কিন্তু গণিতে ১০০ পাবেনা এমন করলে।
ছাত্র: যেটা ছিলনা ছিলনা সেটা না পাওয়াই থাক....... সব পেলে নস্ট জীবন।
শিক্ষক: তাহলে তুমি এখন ক্লাশে মন দিবে না?
ছাত্র: না....না না না..না.... না....না না না..না!
গান শুনতে এসে মঞ্চে বসা আরেক ব্যক্তির সাথে কথা বলছেন এক শ্রোতা।
: ওফ ! অবস্থাটা দেখেছেন? যেমন গায়িকার চেহারা তেমনই গলা। যেন করাত দিয়ে কাঠ কাটছে।
: সে আমার স্ত্রী-ভদ্রলোক প্রত্যুত্তরে জানালেন।
: ও…ইয়ে…আসলে গলার তেমন দোষ নেই তবে গানের জঘন্য কথাগুলোর জন্য তা গাইতে সমস্যা হচ্ছে। এসব গর্দভ গীতিকারদের গান আপনার স্ত্রীকে গাইতে দেন কেন?
: এই গানের গীতিকার আমিই।-ভদ্রলোক আবার বললে
অবিবাহিত পুরুষদের ওপর উচ্চহারে কর বসানো উচিত। তারা কেন অন্যদের চেয়ে সুখে থাকবে?
অস্কার ওয়াইল্ড
আইরিশ লেখক ও কবি
এক আসামিকে আদালতে হাজির করা হলো জজ সাহেবের সামনে|
জজ সাহেব তাকে তার দোষ সম্পর্কে জিগ্গেস করলে আসামী নিজেকে নির্দোষ বলে দাবি করে এবং একটি ডায়রি জজ সাহেবের কাছে দিয়ে বলে যে, এই ডায়রি পড়লে জজ সাহেব বুঝতে পারবেন যে সে নির্দোষ|
জজ সাহেব ডায়রি খুলে দেখলেন ডায়রিতে কায়দা করে ৫০ হাজার টাকা রাখা আছে|
তখন তিনি মুখ গম্ভীর করে বললেন, তোমাকে নির্দোষ প্রমান করতে হলে এরকম আরো ৩ টা ডায়রি লাগবে!!!!
"কিস" কি?
জ্যামিতি অনুসারে..
“কিস হচ্ছে দুইটা ঠোঁট এর ন্যূনতম দূরত্ব!!”
ইকনমিক্সঃ
“কিস হচ্ছে এমন একটা জিনিশ যার চাহিদা সব সময় যোগান অপেক্ষা বেশি থাকে”
... পদার্থঃ
“এটা হচ্ছে মানবদেহকে চার্জ করার পদ্ধতি”
কম্পিউটারঃ
“ দুইটা দেহ এক টা আরেকটা এর সাথে সংযুক্ত! থাকে কোন ডাটা ক্যাবল ছাড়াই!!”
কিছু বন্ধুত্ব TOM এবং JERRY এর মত
তারা একে অন্যকে সাহায্য করে ।
তারা একে অন্যকে শিক্ষা দেয় ।
তারা একে অন্যকে খোচা দেয় ।
তারা একে অন্যকে আঘাত দেয় ।
তারা একে অন্যকে বিরক্ত করে ।
কিন্তু তারা একে অন্যকে ছাড়া এক মহুর্ত বাচতে পারেনা ।
জেনারেল ক্রুশ্চেভ একবার একটি শুয়োরের খামার পরিদর্শনে গেলেন। শুয়োরের খাচার সামনে দাঁড়িয়ে ছবি তুললেন। কিন্তু সাংবাদিকরা পড়লো মহা বিপদে। কাল সকালে পত্রিকায় জেনারেলের ছবি আসবে কিন্তু ছবির ক্যাপশনকি লিখবে?
"শুয়োর পরিবেষ্টিত জেনারেল ক্রুশ্চেভ" - না হলো না।
"শুয়োরদের সাথে জেনারেল ক্রুশ্চেভ" - না এবারো হলো না।
পরদিন পত্রিকায় ছবি এল, ছবির ক্যাপশন হলো;"জেনারেল ক্রুশ্চেভ, বাম থেকে তৃতীয়"!
একটা ছাগল হাঁটছিল, নিউটন এটাকে ধরে থামালেন আর তখন ১ম সুত্র আবিস্কার হলঃ
একটি বস্তু কে যতক্ষণ পর্যন্ত থামান না হয় তা চলতে থাকে।"
এর পর নিউটন ছাগল টিকে (F) বল এ একটা লাথি দিলেন ছাগলটা বলে উঠলো "ম্যা" ( MA) আবিস্কার হল দ্বিতীয় সুত্র: F=MA.
এর পরই ছাগলটি নিউটন কে কষে একটা লাথি দিল আর নিউটন আবিস্কার করলেন তার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সুত্র!...আর তা হলঃ
.
.
.
.
.
.
"সকল ক্রিয়ারই একটি সমান ও বিপরীতমুখী প্রতিক্রিয়া আছে !"........
এক দিনের ঘটনা
৩ জনলোক একজন অফিসারয় একজন শ্রমিক আর একজন পার মদখোর গেছে বারে ... ত তারা ৩ জনেই মদের অর্ডার দিল কিন্তু প্রত্যেকে তাদের মদের গ্লাস নিয়েই দেখে গ্লাসে ১ টা করে মাছি ... ব্যাবসায়ি আর কি করবে, চুপচাপ গ্লাস টা ফেরত দিয়ে আরেক গ্লাসের অর্ডার দিলেন ... শ্রমিক করলেন কি ... মাছি টা ফেলে দিয়ে ঢক ঢক করে বাকি টুকু খেয়ে নিলেন ... আর পার মদখোর মাছি টাকে পাখা ধরে তুলে নিয়ে চিল্লাতে লাগ্লেন ... ওই যেটুক খাইসিস বের কর ... বের কর বলতেছি ...
বিয়ের আগেঃ
"বউ হইবো ফুলের মালা
না জানি সে কতো ভালা"
বিয়ের পরঃ
"বউ হইসে গায়ের জ্বালা
এখন বুঝি কতো ঠ্যালা"
মনমোহন সিং গেছেন আমেরিকার সমুদ্র সৈকতে রৌদ্র স্নান করতে।
একজন এসে জিজ্ঞাসা করল, are you relaxing?
উনি উত্তর দিলেন, no. i am Manmohan Singh!!
এভাবে বেশ কয়েকজন উনাকে একই প্রশ্ন জিজ্ঞেস করল!
উনি বিরক্ত হয়ে উঠে চলে যাবেন ঠিক তখনই কিছুটা দূরে দেখলেন বারাক ওবামা কে!
... উনি যেয়ে ওবামা কে জিজ্ঞেস করলেন, are you relaxing?
ওবামা জবাব দিলেন, yes i am.
সাথে সাথে মনমোহন, ওবামা'র গালে কইশ্যা কয়েকটা থাপ্পর মাইরা কইলেন:
"আরে বেটা!! তোরে ঐদিকে সবাই খুইজা মরতাছে!! আর তুই কিনা এইখানে বইসা কেলাইতাছোস্ ?!?
এক ছাত্র
পরিক্ষায় ফেল
করে বললো আপনাকে একটা প্রশ্ন
জিজ্ঞাস করবো যদি উত্তর
না দিতে পারেন
তাহলে আমাকে A গ্রেড
দিতে হবে
শিক্ষক: ঠিক আছে ।
ছাত্র: কোনটা বৈধ কিন্তু
যুক্তিসংগত নয় ,
যুক্তিসংগত কিন্তু বৈধ নয়
এবং না যুক্তিসংগত
না বৈধ ?
শিক্ষক কোন উত্তর
দিতে না পেরে ছাত্রকে A
গ্রেড দিলো তারপর ছাত্র
এর উত্তর দিলো :
.
.
.
.
.
.
.
স্যার আপনার বয়স ৫৩ আর
আপনার স্ত্রীর ২৩.
এটা বৈধ কিন্তু যুক্তিসংগত
নয় ....
আপনার স্ত্রীর ২৫ বছর
বয়সী একটা বয়ফ্রেন্ড
আছে এটা যুক্তিসংগত কিন্তু
বৈধ নয় ....
আর এখন আপনি আপনার
স্ত্রীর লাভার কে A গ্রেড
দিলেন ...এটা না বৈধ
না যুক্তিসংগত
ছেলে : বাবা সরকার কি?
বাবা : আমি ঘর চালাই আমি সরকারী দল।
তোর মা খালি ঘ্যান ঘ্যান করে, তোর মা বিরোধী দল।
তুই জনগন।
তোর ছোট বোন মুন্নী দেশের ভবিষ্যত।
আর কাজের মেয়ে কইতরী শোষিত শ্রেনী।
এরপর মামা ফোন করল
মামা : কিরে সবার খবর কি?
ছেলে : সরকার ঘুমাচ্ছে।
বিরোধীদল : তার সুবিধামত আছে।
ভবিষ্যত : কাঁদছে।
শোষিত শ্রেনী : শোষিত হচ্ছে।
আর জনগন তাকিয়ে তাকিয়ে দেখছে।
কিছু গুরুত্বপূর্ণ সুত্র...
সূত্র ১ : পুরুষ কতৃক করা ইভটিজিং নারীর বেহায়াপনার সামানুপাতিক।
সূত্র ২ : মেয়ের বেহায়াবৃত্তির মায়ের সমর্থনের সামানুপাতিক ।
সূত্র ৩ : ছেলে কতৃক মেয়ের আকর্ষন সর্বদা মেয়ের কেন্দ্রের দিকে কিন্তু মেয়ে কতৃক ছেলের আকর্ষন সর্বদা ছেলের মানিব্যাগের দিকে ।
সূত্র ৪ : ভারত কতৃক বাংলাদেশের বাঁশ খাওয়া সর্বদা দুই নেত্রীর ঝগড়ার সামানুপাতিক এবং এই বাঁশ সর্বদা জনগনের দিকে প্রযুক্ত হয় ।
সূত্র ৫ : তেলের দাম বাড়ার সাথে সাথে জনগনের বাঁশ খাওয়ার পরিমান বাড়ে । এবং এই বাঁশ সর্বদা বড় হতে থাকে ।
সূত্র ৬ : ভুমিকম্পের সংখ্যা এবং ফেসবুকের স্টাটাস সংখ্যা রাদারফোর্ডের পরমানু মডেল মেনে চলে।
ভালো লাগলে ১ম টা পড়ুন
ভালো লাগলে ২য় টা পড়ুন
বি: দ্র: সবগুলো লেখাই ফেসবুকের বিভিন্ন পেইজ থেকে সংগৃহিত ।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


