যারা ঘুরতে ভালোবাসেন,পছন্দ করেন তাদের সেই স্থানে যাওয়ার মূল উদ্দেশ্য সেখানের অপরূপ সুন্দর্য দেখে মুদ্ধ হওয়া অথচ আমরা মুদ্ধ হবার পাশা পাশি নিজেরাই নষ্ট করছি নিজেদের প্রাকৃতিক সম্পদ ।
সেন্টমার্টিন’স আইসল্যান্ড । বাংলাদেশের মানচিত্রের বে অব বেঙ্গলের সীমানায় যা অবস্থান । দেশীয় পর্যটকের পাশা পাশি সেখানে ভীড় জমাত বিদেশী পর্যটক । শুধু তাই নয়, সমুদ্র শান্ত থাকাকালীন সময় অর্থাৎ সিজনের সময় টুকু সেখানে থাকে উপচে পড়া ভীড় ।
সেন্টমার্টিন । এটি বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ । এটি বঙ্গোপসাগরের উওর-পূর্ব অংশে এবং টেকনাফ থেকে ৯ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থিত। দ্বীপটির স্থানীয় নাম নারিকেল জিনজিরা। এটিই দেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ। এর আয়তন ৮ বর্গকিলোমিটার। জনসংখ্যা প্রায় ৮ হাজার এবং জনসংখ্যার ঘনত্ব প্রতি বর্গকিলোমিটারে ৮৭৫ জন। অফ সিজনে স্থানীয় ছাড়া এখানে দর্শনার্থী প্রায় থাকে না বললেই চলে, কিন্তু ঠিক বিপরীত থাকে অন সিজনে, মানুষের পদচারণা, হৈ হুল্লোরে বদলে যায় শান্ত দ্বীপটির চিত্র । শুধু তাই নয় পরিবর্তন ঘটে পরিবেশের ও । পর্যটকদের চাহিদার উপর ভিত্তি করে সেখানে দিন কে দিন তৈরি হচ্ছে নান্দনিকের ছোয়ায় নানা ধরনের নানা মানের কটেজ সমূহ । যা দ্বীপের স্বাভাবিক অবস্থার পরিবর্তন করছে । তবে পর্যটকদের অতিরিক্ত চাপ, অনিয়ন্ত্রিত স্থাপনা নির্মাণ এবং দুর্বল বর্জ্য ব্যবস্থাপনার কারণে সেন্টমার্টিনের পরিবেশ বর্তমানে হুমকির মুখে। পর্যটকদের অতিরিক্ত চাপ, অনিয়ন্ত্রিত স্থাপনা নির্মাণ এবং দুর্বল বর্জ্য ব্যবস্থাপনার কারণে সেন্টমার্টিনের পরিবেশ বর্তমানে হুমকির মুখে।
দিন দিন সাগরতলে জমা হচ্ছে পলিথিন, প্লাস্টিক ও নানা আবর্জনা, যা প্রবালের জন্য বড় রকমের হুমকি। অসচেতনভাবে মাছ ধরার নৌকার নোঙর প্রবালের উপরে ফেলার ফলে ভেঙে যাচ্ছে প্রবাল কলোনি, ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে গোটা পরিবেশ।
ধারণ ক্ষমতার অতিরিক্ত দালানকোঠা ও মানুষের চাপে সেন্টমার্টিন দ্বীপে ভাঙন ধরেছে। দুদিন ধরে সমুদ্রের স্রোতে দ্বীপের চারদিকে দেখা দিয়েছে ভাঙন। দ্বীপটি দাঁড়িয়ে আছে শুধু পাথরের ওপর। অবকাঠামো নির্মাণে ব্যবহার করা হচ্ছে এসব পাথর। এছাড়া সমুদ্রসৈকত থেকে অবাধে তোলা হচ্ছে বালি। এসব কারণে সেন্টমার্টিন দ্বীপের বেশ কিছু রিসোর্টের সামনের জায়গা সমুদ্রের স্রোতে ভেঙে যাচ্ছে। এ অবস্থায় দেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপটি মানচিত্র থেকে হারিয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় রয়েছে।

সর্বশেষ এডিট : ২০ শে ডিসেম্বর, ২০১৮ রাত ২:৩৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



