এইতো কিছু দিন আগে আমি জাতীয় পরিচিয় পত্র হাতে পেলাম । অফিসিয়ালি ১৮ বছর অনেক হবার পরও এইবার আসন্ন নির্বাচনে ভোট দেয়ার সুযোগ পাবে! কিন্তু সুযোগ না আমি আমার অধিকার আদায়ের জন্য আমার এলাকা থেকে প্রার্থী নির্বাচিত করবো কিন্তু আমার অধিকার নাকি প্রাথীর নির্বাচনী ইস্তেহার ?
ইস্তেহারে তো আমার অধিকারের আমার প্রয়োজনের কথা নেই? তাহলে কি তিনি বলবেন এইবার আমাকে এমপি পদে জয়যুক্ত করুন আমি পরের নির্বাচনে আপনার কথা শুনবো ? ব্যাপারটা কি এমন :/ মাথার আসছে নাহ
হয়তো তিনি তার নির্বাচনী এলাকা তার লোকজন দিয়ে এবং তিনি নিজে ঘুরে একটু সুষ্ঠ ধারণা নিয়ে ইস্তেহার গ্রহন করেছে । কিন্তু তাতে কি সব কিছু আছে ? না নেই । বাকিসব নির্বাচনের পরে পরে পরে পরে পরে .।.।.।.।.।।
৫ বছর কেটে যাবে । আসবে কি সেই দিন ?
আচ্ছা কথা বাড়াচ্ছি কেন, ইদানিং আমি চুপ থাকি, না শন্দ টা খুজে বেড়াই । লাভ কি আমার এই ভোট দিয়ে ? আমার কথা তার কান পর্যন্ত কিভাবে যাবে ? তিনি অনেক ব্যাস্ত থাকবেন । মিডিয়া কভারেজের জন্য মাঝে মাঝে আসবেন । পরবর্তী নির্বাচনে আবার ভালো করার জন্য উন্নয়ন করবেন ।
কিন্তু একটি সরকার দেশের সার্বিক উন্নয়নের জন্য একটি বাজেট রাখে । সেই বাজেটের বাহিরে সেই প্রার্থী তার এলাকার জন্য কি করলেন তা দেখার বিষয় । কিন্তু আমরা ভাবী যা উন্নয়ন হচ্ছে তা তিনি করছেন । হ্যা তা ঠিক কাজের টেন্ডারের জন্য তিনি নানা কর্মমূখী কাজ করেছেন কিন্তু বাস্তব অর্থে তিনি কি উন্নয়ন করেছেন তা আমরা কতটুকু জানি ।
আমার অধিকার আমার চাওয়া পাওয়া আমার এলাকার উন্নয়ন কি সত্যি প্রার্থীর ইস্তেহারে আছে ?
দেশকে নিয়ে আমার ভাবনা, নানা পদক্ষেপ আমি কার কাছে বলব ? আমি তো ওন দিন দেখাই করতে পারবো নাহ । এত্তো বিজি সিডিউলে কি আমি সময় পাবো ?
আমি ভোট টা দিবো কাকে ? পান,সিগারেট,বিড়ি,চা,সমসা বদলে আমার কথা কি তার কান পর্যন্ত পৌছাবে ?
সারেজমিনের এলাকার মেজর সমস্যা সমাধানই ইস্তেহার আর সেখানে ভোটার সমস্যা সমূহ,চাওয়া পাওয়া ? ?
সর্বশেষ এডিট : ২০ শে ডিসেম্বর, ২০১৮ রাত ৩:১০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



