somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে আন্তর্জাতিক হিফজ ও ক্বিরাত প্রতিযোগিতা

১১ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ১০:২৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


এ দেশের জনগণ আল্লাহর পথের পথিকদের একত্রিত দেখতে চায়
গতকাল সোমবার হোটেল শেরাটনে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক ক্বিরাত ও হিফজ প্রতিযোগিতায় পুরস্কার প্রাপ্তদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সভাপতির ভাষণ দেন দলের আমীর আন্তর্জাতিক হিফজ ও ক্বিরাত প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের এই প্রথম জাতীয়ভাবে পুরস্কৃত করা হলো। জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে হোটেল শেরাটনে এ সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়। এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে জামায়াতে ইসলামীর আমীর ও সাবেক মন্ত্রী মাওলানা মতিউর রহমান নিজামী বলেছেন, সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বক্তাদের সকলের মুখেই ঐক্যের সুর ধ্বনিত হয়েছে। কালেমায় বিশ্বাসী এ দেশের জনগণের মনের কথাই বক্তাগণের মুখে প্রতিধ্বনিত হয়েছে। এদেশের জনগণ আল্লাহর পথের পথিকদের একত্রিত দেখতে চায়। অভিন্ন কর্মসূচি নিয়ে মাঠে-ময়দানে কালেমায় বিশ্বাসী জনগণকে ঐক্যবদ্ধ দেখতে চায়। এই আকুতি পূরণে অর্থবহ ঐক্য গড়ে তুলতে বাস্তব পদক্ষেপ নেয়ার তাওফিক দেয়ার জন্য তিনি আল্লাহর কাছে দোয়া করেন।
গতকাল সোমবার ঢাকার হোটেল শেরাটনের উইন্টার গার্ডেনে আয়োজিত আন্তর্জাতিক ক্বিরাত ও হিফ্জ প্রতিযোগিতায় পুরস্কারপ্রাপ্তদের সংবর্ধনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক মন্ত্রী আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ। বক্তব্য রাখেন জমিয়াতে ওলামায়ে ইসলামের সভাপতি ও মাসিক মদিনার সম্পাদক মাওলানা মহিউদ্দিন খান, জামায়াতে ইসলামীর নির্বাহী পরিষদ সদস্য মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী, ইসলামী ঐক্যজোটের মহাসচিব মাওলানা আবদুল লতিফ নেজামী, খেলাফত আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা মরহুম মাওলানা হাফেজ্জী হুজুরের পুত্র কাওরান বাজারের আম্বর শাহ জামে মসজিদের খতিব মাওলানা আতাউল্লাহ, জাতীয় শরিয়া কাউন্সিলের সেক্রেটারি মাওলানা সাইয়্যেদ আহমদ মুজাদ্দেদী, বাংলাদেশ আইয়াম্মা পরিষদের সভাপতি মাওলানা মহিউদ্দিন রববানী, ফারায়েজি জামায়াতের সেক্রেটারি বাহাদুরপুরের পীর মাওলানা আবদুল্লাহ মোহাম্মদ হাসান। পুরস্কারপ্রাপ্তদের পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখেন ক্বারী হাফেজ তানভীর হোসাইন, পবিত্র কালামে পাক থেকে তেলাওয়াত করেন প্রখ্যাত ক্বারী মঞ্জুরুল আহমদ। অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর মকবুল আহমাদ, জামায়াতে ইসলামীর নির্বাহী পরিষদ সদস্য মাওলানা মুহাম্মদ আবদুস সুবহান, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মুহাম্মদ কামারুজ্জামান, আবদুল কাদের মোল্লা, এটিএম আজহারুল ইসলাম, অধ্যাপক মুজিবুর রহমান, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য আবু নাসের মুহাম্মদ আবদুজ্জাহের, ঢাকা মহানগরী জামায়াতে ইসলামীর আমীর মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান, কেন্দ্রীয় প্রচার বিভাগের সেক্রেটারি অধ্যাপক মোঃ তাসনীম আলম, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য আহমদ উল্লাহ ভূঁইয়া, ইজ্জাত উল্লাহ, মুমিনুল ইসলাম পাটওয়ারী, আমিনুল ইসলাম, খুলনা মহানগরী জামায়াতে ইসলামীর আমীর অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার, ঢাকা মহানগরী জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি হামিদুর রহমান আজাদ এমপি, সহকারী সেক্রেটারি নূরুল ইসলাম বুলবুল, মাওলানা আবদুল হালিম, বিশিষ্ট আলেমে দ্বীন মাওলানা মোফাজ্জল হোসাইন খান, ড. হাসান মঈন উদ্দিন, বাংলাদেশ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক কোরবান আলী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবী বিভাগের অধ্যাপক আবদুল মাবুদ, অধ্যাপক মাসুদুর রহমান, ক্বারী গোলাম মোস্তফা, মাওলানা যাইনুল আবেদীন প্রমুখ।
মাওলানা নিজামী তার বক্তব্যে বলেন, আজকে আমার প্রশান্তি ও স্বপ্ন পূরণের দিন। যারা আন্তর্জাতিক হিফ্জ ও ক্বিরাত প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে পুরস্কার পেয়েছেন তারা দেশকে গৌরবান্বিত করেছেন। তাদের জন্য জাতি গর্বিত। তিনি তাদেরকে, তাদের পিতা-মাতা ও শিক্ষকবৃন্দকে আন্তরিক অভিনন্দন ও প্রাণঢালা শুভেচ্ছা জানান।
আমীরে জামায়াত বলেন, আন্তর্জাতিক ক্বিরাত ও হেফজ প্রতিযোগিতায় পুরস্কারপ্রাপ্তদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের প্রতি ব্যাপক সমর্থন দেখে অভিভূত হয়েছি। বক্তাদের সকলের মুখেই ঐক্যের সুর ধ্বনিত হয়েছে। কালেমায় বিশ্বাসী এ দেশের জনগণের মনের কথাই বক্তাগণের মুখে প্রতিধ্বনিত হয়েছে। এদেশের জনগণ আল্লাহর পথের পথিকদের একত্রিত দেখতে চায়। মাঠে-ময়দানে কলেমায় বিশ্বাসী জনগণকে ঐক্যবদ্ধ দেখতে চায়। এই আকুতি পূরণে অর্থবহ ঐক্য গড়ে তুলতে বাস্তব পদক্ষেপ নেয়ার তাওফিক দেয়ার জন্য তিনি আল্লাহর কাছে দোয়া করেন।
মাওলানা নিজামী বলেন, পবিত্র কুরআন মানব জাতির জন্য সর্বশ্রেষ্ঠ নিয়ামত। কুরআন বুঝে পড়া ও অনুসরণ করা এবং কুরআনের বিধান প্রতিষ্ঠার জন্য সবাইকে কাজ করতে হবে। যারা কুরআন অধ্যায়ন করেন, মানুষকে শিক্ষা দেন এবং সেই অনুযায়ী জীবন পরিচালনা করেন তাদের জন্য আল্লাহর পক্ষ থেকে রয়েছে দুনিয়া ও আখেরাতে বিরাট পুরস্কার। তিনি আলেমদের কাছে দোয়া চেয়ে বলেন, আল্লাহ যেন আমাদের সর্বপ্রকার গর্ব, অহংকার, ফখর থেকে মুক্ত রাখেন। কুরআন-সুন্নাহর শিক্ষাকে সংরক্ষণের ক্ষেত্রে যারা অবদান রাখছেন, তাদের নগণ্য খেদমতদার হিসেবে যেন ভূমিকা রাখতে পারি। আল্লাহ যেন খাদেম হিসেবে কবুল করেন।
আমীরে জামায়াত বলেন, কুরআনের অনুসারীদের আল্লাহ পুরস্কৃত করবেন। পবিত্র মাহে রমজান কুরআন নাজিলের মাস। দুনিয়া ও আখিরাতে মুক্তির জন্য আল্লাহ আসমানী কিতাব নাজিল করেছেন। দুনিয়ায় ন্যায় ও ইনসাফ প্রতিষ্ঠার জন্য আল্লাহ কুরআন নাজিল করেছেন। কুরআন থেকে দূরে সরে যাওয়ার কারণেই আমরা শোষণ, জুলুম, নির্যাতন ও নিপীড়নের শিকার হচ্ছি এবং অপমাণিত, লাঞ্ছিত ও বঞ্চিত হচ্ছি। শোষণ, জুলুম, নির্যাতন ও নিপীড়ন থেকে মুক্তি পেতে হলে সবাইকে কুরআনের পথে ফিরে আসতে হবে।
মাওলানা নিজামী বলেন, রাসূল (সা:) আমাদের জন্য আল্লাহর কুরআন ও তার সুন্নাত এ দুটি উপহার রেখে গেছেন। এই দুটির উপর প্রতিষ্ঠিত থাকলে আমরা কখনো বিপথগামী হবো না। ইসলামী রাষ্ট্রব্যবস্থা, অর্থব্যবস্থা, বিচারব্যবস্থা, শিক্ষাব্যবস্থা ইত্যাদি সর্বক্ষেত্রে ইসলামী আদর্শ অনুসরণ করতে পারলেই আমরা সফলকাম হবো।
আমীরে জামায়াত বলেন, বাংলাদেশে সর্বপ্রথম সুদমুক্ত ব্যাংকিং ব্যবস্থার যাত্রা শুরু হয়। এরপর সারা দুনিয়ায় এর প্রতি দৃষ্টি এসেছে। অনেক অমুসলিম দেশেও এর চর্চা শুরু হয়েছে। তিনি বলেন, আধুনিক বিশ্বে ইসলামী বিধান অবাস্তব নয়, ইসলামের বিজয় অসম্ভব নয়, তার একটা ইতিবাচক ইঙ্গিত এসেছে ইসলামী ব্যাংকিং-এর সফলতার মাধ্যমে। এর জন্য গৌরব অর্জন করেছে বাংলাদেশ।
মাওলানা নিজামী বলেন, বাংলাদেশের ব্যাপারে আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে যতই নেতিবাচক প্রচারণা চালানো হোক না কেন, এ দেশ একটি অমিত সম্ভাবনাময় দেশ। এ দেশ বিশ্বের বুকে সম্মানের আসন করে নেয়ার যোগ্যতা রয়েছে, যদি আমরা কুরআনকে সম্মান করতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ হই। তিনি সবার কাছে দোয়া কামনা করে বলেন, আল্লাহ যেন কুরআন যথাযথভাবে মর্যাদা দেয়ার তৌফিক দেন। আর কুরআনের সমাজ গড়ার মাধ্যমে এর বাস্তব প্রতিফলন দেখার জন্য বিশ্ববাসীকে দেখার তৌফিক দেন।
আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ স্বাগত বক্তব্যে বলেন, আল কুরআন মানবজাতির মুক্তির জন্য নাজিলকৃত সর্বশেষ আসমানী কিতাব। যে ব্যক্তি কুরআনকে অনুসরণ করেন তিনি তার জীবনকে সফল করতে পারেন, যে পরিবার তা অনুসরণ করবে সে পরিবার হবে আলোকিত, যে সমাজ অনুসরণ করবে সে সমাজ হবে শান্তির সমাজ, কোন সরকার তা অনুসরণ করলে তা হবে জনগণের সরকার, কল্যাণের সরকার আর কোন রাষ্ট্র ব্যবস্থার ভিত্তি যদি তা হয় তাহলে মানবজাতির জন্য সে সমাজ হবে সত্যিকারের কল্যাণকর সমাজ। তিনি বলেন, কুরআন থেকে বিচ্যুত হলে জীবন যেমন স্বার্থক হতে পারে না, পরিবার ও সমাজ জীবন হয় বিপর্যস্ত। আর যে রাষ্ট্র কুরআন থেকে দূরে সরে যায়, সে রাষ্ট্র কল্যাণকর হতে পারে না। তিনি আরো বলেন, আজকে ইসলাম ও মুসলিম উম্মাহর বিরুদ্ধে অস্তিত্ব বিনাশের ষড়যন্ত্র চলছে। এ থেকে মুক্তি পেতে হলে কুরআন ও সুন্নাহকে আঁকড়িয়ে ধরতে হবে।
মাওলানা মহিউদ্দিন খান আন্তর্জাতিক ক্বিরাত ও হেফজ প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে পুরস্কারপ্রাপ্তদের সংবর্ধনার ব্যতিক্রমধর্মী আয়োজনের জন্য জামায়াতে ইসলামীকে অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, পুরস্কারপ্রাপ্তরা জাতির মধ্যে শ্রেষ্ঠ সন্তান। যারা হাফেজ ও ক্বারীদের সম্মানিত করেছেন আল্লাহ তাদের সম্মানিত করুন। আজকে আমি আনন্দে উদ্বেলিত। তিনি বলেন, আমাদের দেশ থেকে কুরআনের শিক্ষা, সংস্কৃতি ও রাজনীতি বিতাড়িত করার ষড়যন্ত্র চলছে। তার মধ্যেও কিছু সাধক ব্যক্তি কুরআনের শিক্ষা এমনভাবে দিয়েছেন যে তাদের কারণে বিশ্বের দরবারে আজ এ দেশের মর্যাদা উজ্জ্বল হয়েছে। এরাই হচ্ছে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান। কিন্তু তারা যখন বিদেশ থেকে পুরস্কার নিয়ে দেশে ফিরেন, তখন তাদেরকেই বিমানবন্দরে নানা হয়রানির শিকার হতে হয়। তিনি এ হয়রানি বন্ধের দাবি জানান।
মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী বলেন, সারা বিশ্বে একশত পঞ্চাশ কোটি মুসলমান বসবাস করছে। মুসলমানদের হাতে রয়েছে প্রচুর সম্পদ ও অনেকগুলো স্বাধীন রাষ্ট্র। তা সত্ত্বেও আজকে মুসলমানরা লাঞ্ছিত, বঞ্চিত, অবহেলিত ও অপমাণিত। কুরআন থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ার কারণেই মুসলমানদের এই দুরাবস্থা। আল্লাহর সর্বশ্রেষ্ঠ নিয়ামত আল কুরআনের পথে ফিরে আসলেই কেবল এই দুরাবস্থা থেকে মুক্তি লাভ করা সম্ভব।
মাওলানা আবদুল লতিফ নেজামী বলেন, ইসলামী শিক্ষা ও সংস্কৃতিকে সরকারিভাবে পৃষ্ঠপোষকতা করা হয় না। ইসলামী শিক্ষা ও সংস্কৃতিকে সরকারিভাবে পৃষ্ঠপোষকতা দেয়ার জন্য তিনি সরকারের নিকট দাবি জানান।
মাওলানা আতাউল্লাহ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করার জন্য জামায়াতে ইসলামীকে মোবারক জানিয়ে বলেন, এ অনুষ্ঠান থেকে রাষ্ট্রের দায়িত্বশীলদের শিক্ষণীয় আছে। এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করার জন্য আল্লাহ জামায়াতে ইসলামীর সম্মান ও মর্যাদা আরো বাড়িয়ে দিবেন। ঐক্যবদ্ধভাবে ইসলামী হুকুমত কায়েমের আন্দোলন করার তিনি সকলের প্রতি আহবান জানান।
মাওলানা সাইয়্যেদ আহমদ মোজাদ্দেদী বলেন, যারা হাফেজ ও ক্বারীদেরকে সম্মানিত করেছেন তারা আল্লাহর কুরআন এবং আল্লাহকেই সম্মানিত করেছেন। যারা কুরআনের আদর্শ বাস্তবায়নের জন্য কাজ করেন তারা মূলত আল্লাহর কাজই করেন।
মাওলানা মহিউদ্দিন রববানী সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করার জন্য বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, আল্লাহর কুরআন সর্বশ্রেষ্ঠ কিতাব। যে জাতির উপর এ কিতাব নাজিল করা হয়েছে তারাও সর্বশ্রেষ্ঠ জাতি।
মাওলানা আবদুল্লাহ মোহাম্মদ হাসান এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করার জন্য তিনি জামায়াতে ইসলামীকে অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, যারা আল্লাহর কুরআনকে মহববত করছেন আল্লাহ তাদের মহববত করবেন।
যারা সম্বর্ধিত হলেন
সভাপতির বক্তব্যে পরে আন্তর্জাতিক ক্বিরাত ও হেফজ প্রতিযোগিতায় পুরস্কারপ্রাপ্তদের জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে পুরস্কৃত করা হয়।
প্রথম পুরস্কারপ্রাপ্তরা হলেন- তানজিমুল উম্মাহ ক্যাডেট মাদরাসার ফজলে রাবিব আদেল, তেজগাঁও রেলওয়ে নূরানী মাদ্রাসার হাফেজ আবদুল্লাহ আল মাহমুদ, সাউদা বিনতে জাম'আহ মহিলা মাদরাসার সাজেদা খাতুন, জামিয়া ইসলামীয়া ইব্রাহিমিয়ার হাফেজ সাইফুল ইসলাম।
দ্বিতীয় পুরস্কারপ্রাপ্তরা হলেন- সাউদা বিনতে জাম'আহ মহিলা মাদরাসার মুহাম্মদ ফয়সাল আহমদ, জামিয়া ইসলামীয়া ইব্রাহিমিয়ার হাফেজ মোঃ ইমরান হোসাইন, দারুল কুরআন মাদরাসার ক্বারী মঞ্জুর আহমদ, ক্বারী রফিক আহমদ, ক্বারী জহিরুল ইসলাম, তাফহিজুল কুরআন ওয়াস সুন্নাহ মাদরাসার হাফেজ মোহাম্মদ ফয়জুল্লাহ।
তৃতীয় পুরস্কারপ্রাপ্তরা হলেন- তা'মিরুল মিল্লাত কামিল মাদরাসার তানভীর হুসাইন, ধীৎপুর মোহাম্মাদিয়া তাহফীজুল কুরআন মাদরাসার ফাহিম আবদুল্লাহ, তাফহিজুল কুরআন ওয়াস সুন্নাহ মাদরাসার হাফেজ ফাতিমা রুহানী, নূরিয়া কাসেমিয়া সিদ্দিকীয়া হেফজ খানার মুহাম্মদ জুবায়ের সিদ্দিকী, জামিয়া ইসলামীয়া মিফতাহুল উলুম মাদরাসার আবু রাইয়ান মাওলানা মুফতি মোহাম্মদুল্লাহ সাদিকী, মাদরাসাতুল সুফ্ফাহ তাহফিজুল কুরআনিল কারীম মাদরাসার ফয়সাল আহমদ, হাফেজ ক্বারী মোঃ আবদুল আউয়াল, হাফেজ মোঃ ইসমাঈল।
সাধারণ পুরস্কারপ্রাপ্তরা হলেন- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মুহাম্মদ মুমিনুল ইসলাম, তানজিমুল উম্মাহ হিফজ মাদরাসার এহসান উদ্দিন নোমান, আল জামেয়া আল ইসলামীয়া পটিয়ার ক্বারী মোহাম্মদ মোরশেদুল হক, মুস্তাফিজুর রহমান, মাদরাসাতুল সুফ্ফাহ তাহফিজুল কুরআনিল কারীমের মোহাম্মদ ফারুক আসলাম, মহাখালী দারুল উলুম হোসাইনিয়া কামিল মাদরাসার মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান, মাদরাসাতুল সুফ্ফাহ তাহফিজুল কুরআনিল কারীম আশকোনার ফাহিম আহমদ, জামেয়া হোসাইনিয়া ইসলামীয়ার আবদুল্লাহ আল মামুন, মাদরাসা দারুর রাশাদ এর মোহাম্মদ আমজাদ হোসেন রানা, ক্বারী একেএম ফিরোজ।
পুরস্কার হিসেবে যা দেয়া হয়
প্রথম পুরস্কারপ্রাপ্ত প্রত্যেককে ৫০ হাজার নগদ টাকা, এক সেট তাফহিমুল কুরআনসহ ইসলামী বই ও ক্রেস্ট। দ্বিতীয় পুরস্কারপ্রাপ্তদের ৩৫ হাজার নগদ টাকা, তাফহিমুল কুরআনসহ ইসলামী বই ও ক্রেস্ট। ৩য় পুরস্কারপ্রাপ্তদের ২৫ হাজার নগদ টাকা, তাফহিমুল কুরআনসহ ইসলামী বই ও ক্রেস্ট। সাধারণ পুরস্কার যারা পেয়েছেন তাদের ১৫ হাজার নগদ টাকা, তাফহিমুল কুরআনসহ ইসলামী বই ও ক্রেস্ট প্রদান করা হয়েছে। এ ছাড়াও পুরস্কারপ্রাপ্তরা যেসব প্রতিষ্ঠান থেকে প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেছেন সেসব প্রতিষ্ঠানকে ক্রেস্ট ও পুরস্কারপ্রাপ্তদের পিতা-মাতা/অভিভাবকদেরকেও গিফট বক্স ও বই প্রদান করা হয়। ২০০০-২০০৮ পর্যন্ত আন্তর্জাতিক ক্বিরাত ও হিফজ প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয় ও সাধারণ পুরস্কারপ্রাপ্ত মোট ২৯ জনকে পুরস্কৃত করা হয়েছে। এদের মধ্যে ২ জন মহিলা রয়েছে।

নৌ মার্চ সফল করায় জনগণকে জামায়াতের অভিনন্দন
জামায়াতে ইসলামী'র কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও সিলেট বিভাগের সমন্বয়কারী ডা: শফিকুর রহমান, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও নৌমার্চ বাস্তবায়ন কমিটির আহবায়ক অধ্যক্ষ মাওলানা ফরিদ উদ্দিন চৌধুরী, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও সিলেট মহানগরী আমীর এডভোকেট এহসানুল মাহ্বুব জুবায়ের, দক্ষিণ জেলা আমীর মাওলানা হাবিবুর রহমান, উত্তর জেলা আমীর আজিজুর রশিদ চৌধুরী ও সুনামগঞ্জ জেলা আমীর হাতিমুর রহমান এক যৌথ বার্তায় টিপাইমুখ অভিমুখে ঐতিহাসিক নৌ-মার্চ কর্মসূচি শান্তিপূর্ণভাবে সফল করার জন্য সিলেট ও সুনামগঞ্জবাসীকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। প্রেস বিজ্ঞপ্তি
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

Claude Fable 5: Journey from ANI 2 AGI -প্রযুক্তির ইতিহাসে নতুন এক সন্ধিক্ষণ

লিখেছেন বোকা মানুষ বলতে চায়, ১২ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:২৭



প্রযুক্তির ইতিহাসে এমন কিছু মুহূর্ত আসে, যা পরবর্তী কয়েক দশকের গতিপথ নির্ধারণ করে দেয়। ইন্টারনেটের আবির্ভাব, স্মার্টফোন বিপ্লব কিংবা Generative AI-এর উত্থান ছিল তেমনই কিছু ঘটনা। সম্প্রতি Anthropic-এর নতুন Frontier... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমরা এখন কোথায় আছি, কোথায় যাচ্ছি জানিনা ?

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:০৭


আমরা এখন কোথায় আছি, কোথায় যাচ্ছি জানিনা ?



আজ শুক্রবার, ১২/০৬/২০২৬ ইং তারিখ
................................................................
গিয়েছিলাম পাড়ার মসজিদে জুম্মার নামাজ পড়তে ।
সব সময়ই যাই, একটু বয়ান শুনি তারপর খুৎবা শুরু হয়,নামাজ... ...বাকিটুকু পড়ুন

যে যায় লঙ্কায় সে হয় রাবণ

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:৩২


ব্যাংকের সিএসআর বা কর্পোরেট সোশ্যাল রেসপনসিবিলিটি (Corporate Social Responsibility) তহবিল জিনিসটা খাতায় কলমে বড়ই পুণ্যের কাজ। ব্যাংক ব্যবসা করে লাভ করবে, সেই লাভের একটা অংশ সমাজের জন্য আলাদা রাখবে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাকি রইলো; কাঁচা কলা

লিখেছেন সামছুল আলম কচি, ১৩ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১১:৪৭


স্ল্যা-কুম, স্ল্যা-কুম, স্ল্যা-কুম.....!!
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির অভাবনীয় উন্নতির এ সময়ে; উড়ে এসে জুড়ে বসা, মাথা নষ্ট এ চীজ গুলো আমাদের শিশুদের ব্রেইন ব্লক করে দেয়ার কোনও এক সুদূর প্রসারী প্লানের... ...বাকিটুকু পড়ুন

স্মৃতির নৌকা

লিখেছেন সেজুতি_শিপু, ১৩ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৪:১১


কোন কোনদিন আলোর শৈশবে চোখ মেলে
মাধবীলতার হাসিমুখ সম্ভাষণের ওপাশে স্বচ্ছ আকাশে
এক ঝাঁক কবুতরের ওড়াউড়ি দেখতে দেখতে-
নিজেকে বড় ভাগ্যবান বলে মনে হয়,
চকিতে অপার্থিব আলো যেন ঢুকে পড়ে আত্মায়।

কোন কোন সন্ধ‍্যেয়... ...বাকিটুকু পড়ুন

×