সাংসারিক বেড়াজালে আবদ্ধ দুটি দেহের প্রয়োজন আর মায়া কি চলে এক ই সরলরেখায়?
না!প্রয়োজন ফুরোলেও মায়া ফুরোয় না।প্রয়োজন তবু আসে, জলছাপ দেয়,অদৃশ্য হয়।নিষিদ্ধ বেড়াজাল ভেঙ্গে এগোয় না একাধিক মুক্তির সোপান, সতর্কীকরন বিপদবার্তা ঝুলতে দেখে....
অসমাপ্ত গল্পের পরের পর্ব লিখতে সাহায্য করতে তারা অবিরাম দোল খায় ঢেউয়ের ছন্দে। দাবার ঘুঁটির মত- এ পক্ষ বনাম ওপক্ষ।
কিস্তি মাতের আশংকায় চাল না দিয়ে অচল হবার মত ভানটুকু ঠিক চালিয়ে যায় ঢেউয়ের ছন্দে!
ওদিকে মুক্তির লড়াইটা কিন্তু অনাদি কাল চলতে থাকে ভেসে থাকা সোপানরূপী মনে!
স্রষ্টার আসনে বসে সময়। চালকের আসনে অন্ধ আবেগ। দৃষ্টিহীনতার
অজুহাতে সে সোজা কৃষ্ণগহবর তাক করে যাত্রাবিন্যাস নির্মাণ করে কঠিন সমাজ নির্মিত সংসার। অসংলগ্ন প্রশ্ন ভরে ওঠে মন!সংসার মানে কি মুক্তির আশা পরিত্যাগ? যাত্রা ওই কৃষ্ণগহবরের দিকে? মুক্তির আবেগ আর সংসারের একঘেঁয়েমী কি পরষ্পর বিপরীত?
প্রয়োজন আর মায়ার বৈপরিত্য আকাশসম! এভাবেই এগিয়ে চলে অসংলগ্ন গার্হস্থ্য,মুক্তির সোপান সাংসারিক বেড়াজালের ওপাশে আশার ঢেউয়ে ছন্দিত হতেই থাকে.... .

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


