●এক
রোদে টেকা যাচ্ছে না
আর।সেই সকাল থেকে
এখানেই পরে আছি, এই
কাঠফাটা রোদের মধ্যে।
বেলা পেরোতে চলল..একটা
কারোর যদি আক্কেল থাকত।
শরীর টা তবু সাদা কাপড়ে
ঢেকেছে, মুখ টা যেন জ্বলে
গেল..আর তেমনি খাটের
চারপাশে ধুপ,মালার
বহর...মরেও শান্তি নেই।।
■দুই
ঘরে ঢুকে দরজাটা বন্ধ
করলাম।ওই তো ও বসে খাটে,
আমার নতুন বিয়ে করা বউ।
লজ্জায় যেন পাতাল প্রবেশ
করবে... এগিয়ে গিয়ে বসলাম
ওর সামনে।আলতো করে
ঘোমটা তুললাম.…..একি!কিছুই
নেই, পেছনের দেওয়াল দেখা
যাচ্ছে।।
●তিন
..আরে তাড়াতাড়ি তৈরি
হও।দেরী হয়ে যাচ্ছে
কিন্তু।
কি করে ওকে বোঝাই,
তৈরি হতে গেলে আয়নার
সামনে দাঁড়াতে হবে।আর
যতবারই আয়নায় নিজেকে
দেখতে যাচ্ছি,খুঁজে
পাচ্ছিনা।
■চার
চোখের জল মুছে ওরা
আমাকে এটা খেতে দিল।
ওরা কি ভুলে গেল এ
কদিনেই..এসব খাইনা আমি।
চাল,কলা,তিল একসাথে
চটকানো...ইস্,দেখেই বমি
পাচ্ছে।।
●পাঁচ
মানুষ বড্ড হিংসুটে।একটু না
হয় শব্দই করতাম
চিলেকোঠার ঘরে, একটু না
হয় হেসেই ফেলেছি কদিন
মাঝরাতে.... তার জন্য
সোজা গয়ার টিকিট কেটে
ফেলল।।
■ছয়
আহ্।এতক্ষণে পেটটা ভরল।
কতদিন পর তৃপ্তি পেলাম।
ছেলেটার টাটকা তাজা
রক্ত যখন ঘাড়ের কাছ থেকে
খাচ্ছিলাম,আহা।দ
েখি...আবার কোথায় এরকম
এক পিস পাই।।
●সাত
ও সবে এসে শুল,আমার বর।
আহা রে,খুব পরিশ্রম হয়েছে
বেচারার।সেই কাল রাত
থেকে আমাকে নিয়ে
হাসপাতাল, বাড়ি, শ্মশান....
এখন একটু ঘুমোক।আমি ঠায়
তাকিয়ে ওর দিকে.. এপাশ
ফিরতেই কেমন ফ্যাকাশে
হয়ে গেল ওর মুখ চোখ।
চিৎকার করতো বোধহয়,তার
আগেই ঠোঁটে ঠোঁট চেপে
ধরলাম।।
■ আট
উফ্,নিশ্চিন্তে একটু ঘুমোতে
দেবেনা আমার বউ টা।সবে
চোখ টা লেগে এসেছে, ওমনি
ফ্যাঁচ ফ্যাঁচ শুরু।বেঁচে
থাকতেও শান্তিতে ঘুমাতে
দিলনা.. টাকা টাকা করে
এমন পাগল করল,শালা রেলে
গলা দিলাম।এখন কবরের ওপর
এসে সেই একই আবার।।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




