আমার সদ্য প্রকাশিত উপন্যাস “১০ সেকেন্ড” পড়ার জন্য সবাইকে আন্তরিক আমন্ত্রণ জানাচ্ছি। আশা করি গল্পটি আপনাদের হৃদয়ে একটি বিশেষ অনুভূতি তৈরি করবে।

বইয়ের ফ্লাপের লেখা
শামসু কখনো নায়ক হতে চায়নি। সে শুধু চেয়েছিল তার মেয়েটা মানুষ হোক।
বিল্ডিংয়ের গায়ে ঝুলে প্রতিদিন রং করে সে। উচ্চতাকে ভয় পায়, তবুও কাজ করে। কারণ ভয় থেকেও বড় তার সংসার। কিন্তু একদিন হঠাৎ দড়ি খুলে যায়। তারপর...
"মাত্র ১০ সেকেন্ড।"
এই '১০ সেকেন্ডে' শামসুর সামনে ফিরে আসে তার পুরো জীবন। নদীর পাড়ে কাটানো শৈশব, দারিদ্র্য, হারিয়ে ফেলা মানুষগুলো, ভালোবাসা, সংগ্রাম, ভয়, স্বপ্ন আর ছোট্ট মেয়েটার মুখ।
একজন মানুষ আকাশ থেকে নিচে পড়ছে। মানুষটার নাম শামসু। পেশায় রংমিস্ত্রি। সে খুব সাধারণ একজন মানুষ। সংসার আছে, স্ত্রী আছে, আর আছে একটি ছোট মেয়ে যে তাকে কখনো ‘বাবা’, আবার কখনো ‘বাপজান’ বলে ডাকে।
জীবন খুব ছোট নয়; আমরা সময় পাই না বলেই ছোট মনে হয়। কখনও কখনও, পুরো জীবন ভেসে ওঠে মাত্র ১০ সেকেন্ডে।
পৃথিবীর সবচেয়ে বড় গল্পগুলো অনেক সময় খুব সাধারণ মানুষদের জীবনেই লুকিয়ে থাকে। আমরা এই মানুষগুলোকে প্রতিদিন দেখি রাস্তার পাশে, বিল্ডিংয়ের গায়ে, ভিড়ের মধ্যে। তবুও খুব একটা খেয়াল করি না।
'১০ সেকেন্ড' ঠিক তেমনই এক গল্প। একজন বাবার গল্প। খুব সাধারণ একজন মানুষের গল্প
সর্বশেষ এডিট : ১৩ ই জুলাই, ২০২৬ বিকাল ৩:৩৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




