আমরা সবাই সুন্দর কে ভালবাসি।সবাই সুন্দরের পূজারী।সুন্দ্অর কোন ফুল দেখলে যেম্ন আমাদের ভাল লাগে তেমনি সুন্দর কোন রমনী আমাদের চোখের সামনে দিয়ে গেলেও আমাদের ভাললাগে।
এটাই স্বাভাবিক এবং প্রাকৃতিক একটা ব্যাপার।আমার এই কথার সাথে একমত সবার ই পোষন করার কথা।সৃষ্টিকর্তা প্রকৃ্তিতে সকল বিপরীত লিঙ্গিক জিনিস কে পরস্পরের জন্য আকর্ষনীয় হিসেবে সৃষ্টি করেছেন।এটাই প্রকৃ্তির নিয়ম যা ।
আল্লাহতায়ালা যেমন সুন্দর রমণী সৃষ্টি করেছেন তেমনি তাদেরকে কঠোর ভাবে নির্দেশ দেয়া হয়েছে শালীনতা বজায় রাখার জন্য। নারীদের অশালীন বেশভুশা পুরুষের মধ্যে কামোত্তেজনা জাগিয়ে তুলবে এটার স্বাভাবিক।
তাই আল্লাহ তায়ালা মেয়েদের চলাফেরা করার এমন নিয়মের কথা বলেছেন যাতে তাদের দেখে অন্য পুরুষের(নিজের স্বামী ব্যতীত) কামালোলুপ ধারনার সৃষ্টি না হয়।
ব্যাপারটা এতক্ষ্ ইসলামী দৃষ্টকোন থেকে দেখলাম।এবার একটু সামাজিক দৃষ্টিকোন থেকে দেখা যাক।কারন আমাদের সমাজের সকলেই মুসলমান না।
যে যে ধর্মেরই হোক না কেন সব প্রাপ্ত বয়স্ক নারী পুরুষের মাঝে অল্পবিস্তর কামপ্রবৃত্তি আছে।
এই প্রবৃত্তি সুনিয়ন্ত্রিত না থাকলে সমাজ়ে অরাজকতার সূচনা হবে।তাই নিয়ন্ত্রত থাকা দরকার।
নিয়ন্ত্রিত কামপবৃত্তির ভাল ব্যবস্থা হচ্ছে বিয়ে।
শুধু বিয়ে করলেই নিয়ন্ত্রিত থাকবে না।এটা নিশ্চিত করতে হবে যে সেই রমণি বা সেই পুরুষ যাতে অন্য কারো কামলালশার বস্তুতে পরিনত না হয়।। to be cntnd.....

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


