somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

একজন তালেবান যোদ্ধার জবানবন্দী

২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১৪ রাত ৮:৫২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

কথা গুলো আপনাকে বিশ্বাস করতে হবে এমন কিছু আমি বলছি না। এই লেখাটা আরব্য রজনীর একটা সিক্যুয়েল হতে পারে, আরব দেশে বসেই হয়ত লিখতাম। কিন্তু আমি ব্যক্তিগত কিছু কারনে তখন ব্যাপারটা স্কিপ করে গেসি। আসলে এই লেখাটার মূল বক্তব্য আমার নয়, একজন সাবেক তালেবান যোদ্ধার, যিনি সীমান্ত পেরিয়ে পাকিস্তান এসেছিলেন, এবং পরবর্তীতে পাকিস্তানী পাসপোর্ট ব্যবহার করে আরব দেশে এসেছিলেন। ব্যাপারটা কে কিভাবে নেবেন আমি জানিনা, তবে তার জবানীতে লেখা আমার এই কথা গুলো যে একেবারেই মিথ্যা এমনটা আসলে আমার নিজের ও বিশ্বাস হয় না।


সেদিন ছিল খুব সম্ভব আমাদের নাইট ডিউটি, আমি হসপিটালের ইমার্জেন্সীতে বসা, ডা আশফাক যিনি ছিলেন রেডিওলজিস্ট, তিনি আর ডা জন ওয়েইগনার পেডিয়াট্রিক সার্জন, যার বেতন আমাদের পুর হস্পিটালে সবার চাইতে বেশী তারা এসেছিলেন আমার জরুরী কলে। তো রোগী ম্যানেজ করার পর আমরা কফি খেতে খেতে গল্প করছিলাম। নানান গল্পে একসময় আমেরিকার আফগানিস্তানে তালেবান বিরোধী হামলার কথা চলে আসে, এবং তার সাথে পাকিস্তানের জড়িয়ে পরা নিয়ে ডাক্তার আশফাক কে বেশ ভাল ক্রিটিসাইজ করা শুরু করেন বৃটিশ ডাক্তার জন। ব্যাপারটা গায়ে লেগে যায় একসময় ডা আশফাকের।

হঠাত করে তিনি ক্ষেপে যান, এবং প্রচন্ড আক্রমনাত্নক হয়ে ওঠেন। এরপর তিনি সাথে সাথে সরি বলে, এক ধরনের জবানবন্দী দেন, এতা আসলে ডা আশফাকের গল্প। আমি তার মুখের কথা গুলোই লিখে যাচ্ছি…


এই যে আমি, ডা আশফাক, আপনাদের সামনে বসে আছি, আপনারা সবাই জানেন আমি একজন পাকিস্তানী, হ্যা, পাকিস্তান আমাকে ডাক্তার বানিয়েছে, কিন্তু জন্ম সূত্রে আমি একজন আফগান। আমার বেড়ে ওঠা ওয়াজিরিস্তানে। এবং এই আমি একজন সাবেক তালেবান যোদ্ধা। আমার পুরো পরিবার, আমার বাবা, চাচা সবাই তালেবান যোদ্ধা, আমার বাবা আমেরিকার বুলেটে শহীদ কিংবা আপনাদের ভাষায় নিহত। সোভিয়েত পরবর্তী রাশিয়াতে তাদের ফেলে যাওয়া অজস্র মাইনের আঘাতে হাত পা বিচ্ছিন্ন লোক গুলোর অবস্থা দেখে আমি যখন স্বপ্ন দেখতাম একজন ডাক্তার হব, আমার বাবা চাচারা আমাকে বাধ্য করতেন তাদের রাইফেল নিয়ে যুদ্ধ প্র্যাক্টিস করতে। আমাদের স্কুল ছিল না, আমরা মাদ্রাসায় যেতাম, সেখানে আমাদের ইংরেজী শিক্ষা দেয়া হত না। পরবর্তিতে বেশ কিছু যুদ্ধে অংশগ্রহণ করে আমি যুদ্ধের ভয়াবহ দুঃস্বপ্ন নিয়ে সীমান্ত পাড়ি দিয়ে পালিয়ে যাই পাকিস্তানে। কিন্তু ডাক্তারি পরার সময় কিংবা ডাক্তার হওয়ার পরেও আমি আফগানিস্তানে গিয়েছি।


আপনারা মনে করেন তালেবানরা নীরিহ মানুষ, শিশু হত্যা করে পৈশাচিক আনন্দ লাভ করে, কিন্তু আবার এই সাথে এটাও বলেন তারা ইসলামী মৌলবাদী, একজন সত্যিকারের ইসলামী মৌলবাদী তালেবান বিনা কারনে আদম সন্তান হত্যা করে না, কারন সে ইসলামী মৌলবাদী, সে জানে তার এটার জন্য পরকালে কঠোর শাস্তি পাওনা থাকবে। তো এখন তালেবানরা যে সমানে গাড়িতে, মসজিদে বোমা হামলা চালিয়ে, আত্নঘাতী হামলা চালিয়ে নিরপরাধ মানুষ হত্যা করছে, তার কি ব্যাখ্যা?


এটুকু বলে আমাদের দিকে তাকিয়ে হাসলেন, এরপর আমার দিকে তাকিয়ে বললেন তোমাদের ফাদার অফ নেশন কে হত্যার পিছনে একটি বিদেশী শক্তি জড়িত ছিল, জান? আমি পাল্টা প্রশ্ন করলাম, আপনি কি সিআইএ(CIA) কে মীন করছেন? জবাবে তিনি হাসলেন, অসাধারন জ্ঞানী লোকটা এবার জন ওয়েইগনারের দিকে তাকালেন, চে গুয়েভারা কার সৃষ্টি ছিল, বলতে পারেন?

ডা ওয়েইগনার সম্যক বিষয়ে প্রচুর জ্ঞান রাখতেন, অসাধারন পাণ্ডিত্য ছিল তার। তিনি বললেন হ্যা আমেরিকার সৃষ্টি। তখন ডাক্তার আশফাক, আবার বললেন, চে গুয়েভারা কে হত্যা করেছিল জানেন? সেই আমেরিকার সিআইএ! বলেই হাসতে হাসতে বললেন, সিআইএ কে আমেরিকার লোকজন ই বলে ক্রাইম ইন্টেলিজেন্স অফ আমেরিকা! আচ্ছা ডাক্তার জন, আমাকে বলুন, আজ আইসিস সিরিয়ায় যে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছে, তাদের অস্ত্রের প্রধান জোগান দাতা কে? সেই আমেরিকা, যারা ফ্রী সিরিয়ান মুভমেন্ট এ আমেরিকার এমুনিশন পেয়েছিল, আজ তারাই আমেরিকার দেয়া অস্ত্র আমেরিকার দিকেই তাক করে রেখেছে! কি অদ্ভুত! তাই না?


সে যাইহোক, আমি আমার ব্যাখ্যায় আসি, সামরিক দূর্বলতায় তালেবান দের পতন হয়। তালেবান শব্দটির ব্যাসিক অর্থ হল জ্ঞানের জন্য আসা ছাত্র কিংবা জ্ঞানী ছাত্র। তালেবান দের মূল উদ্দেশ্য ছিল শরিয়াহ আইন কায়েম করা, ঠিক একই শরিয়াহ আইন কিন্তু এই সৌদি আরবেও চালু রয়েছে, যা নিয়ে আমেরিকার ন্যুনতম মাথা ব্যথা নেই! তাহলে তালেবান দের নিয়ে তাদের এত সমস্যা কেন? এর সোজা উত্তর হল, ভু প্রাকৃতিক সম্পত্তি দখল, যেমন আজ রাশিয়া দখল নিয়েছে ইউক্রেন কে!


একটু নিঃশ্বাস নিলেন ডা আশফাক, এরপর বলতে শুরু করলেন আবার। ডা ওয়েইগনার, আপনি কি জানেন অঢেল ধন সম্পদ থাকার পরেও সৌদি বিন লাদেন গ্রুপ (ওসামা বিন লাদেনের পরিবার) যদি কাজ বন্ধ করে দেয়, সৌদি বাদশাহ বেশ ভাল বিপদে পড়ে যাবে!(উল্লেখ্য, সৌদি আরবে বিন লাদেন গ্রুপ নামের কোম্পানী কিংবা পরিবার ভয়ঙ্কর ধনী এবং প্রভাবশালী)। তবে আমার বক্তব্য ওসামা কে নিয়ে নয়, আমার বক্তব্য তালেবান দের নিয়ে। আপনি কি জানেন, প্রচন্ড জ্ঞান, বিচক্ষণতা, বিচারের নিরপেক্ষতা না থাকলে যে কেউ চাইলেই তালেবান দের নেতা হতে পারবে না? আপনি অস্ত্র চালাতে জানেন, আপনার শহীদ হওয়ার প্রবল ইচ্ছা আপনাকে তালেবান দের বুযুর্গ (নেতা) হতে দেবে না। আপনাকে অবশ্যই জ্ঞাণী এবং বিচক্ষণ হতে হবে। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, আইমান আল জাওয়াহিরি ছিলেন একজন ডাক্তার, একজন সার্জন!


আপনি ডা ওয়েইগনার আর ডা রহমান আজ আমাকে অপমান করলেন, আমরা যুদ্ধ ছাড়া কিছু বুঝি না, আমরা নীরিহ মানুষ দের হত্যা করে আনন্দ পাই। এবার আমি ঘটনার ব্যাখ্যা দিই, আমেরিকার অঢেল অর্থ ইরাকী জেনারেল দের কিনে নিয়েছিল বলেই কিন্তু এত সহজে আমেরিকা ইরাক দখল করে নিয়েছিল। পাকিস্তান কিংবা আফগান যেখানেই বলুন, সীমান্তবর্তী মানুষ গুলো প্রচন্ড রকম গরীব। তারা জন্ম নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি সম্পর্কে জানেনা কিছুই, কিন্তু বালেগ (পিউবার্টি) হলেই তারা বিয়ে করবে, এবং রেগুলার সন্তান উতপাদন করবে। যারা জন্ম নিয়ন্ত্রণ সম্পর্কে জানে, তারা ধমীয় কুসংস্কারে আক্রান্ত হয়ে তা থেকে বিরত থাকে। প্রতিটি পরিবার ই মাদক, অস্ত্র ইত্যাদি চোরাচালানে জীবিকা নির্বাহ করে। অভাবের তাড়নায় এই আমি ডা আশফাক এক পিস খবুস আর পানি খেয়ে তিনদিন কাটিয়েছি, প্রতিটি পরিবারের খেতে চাওয়ার মুখ অনেক, কিন্তু যোগান দাতা একজন, এরা দারিদ্র্যসীমার নীচে বসবাস করেন। কেউ কেউ বছরের অর্ধেক সময়টা রোজা রাখেন, অবিশ্বাস্য কিন্তু সত্য।


এদের মাঝে কিছু লোক, যারা আগে তালেবান দের ফুট ফরমায়েশ খাটত, তাদের সাথে স্থানীয় সিআইএ এজেন্টরা দেখা করেন, এক ধরনের স্টিং অপারেশন বলতে পারেন। তারা তাদের স্বপ্ন দেখায়, জিহাদ করার, আমেরিকার বিরুদ্ধে অস্ত্র ধরার। আফগান যুদ্ধ পরবর্তী সময়ে উপজাতীয় নেতারা অনেকেই মৃত্যুবরন করেন। তাদের জায়গায় অপরিণত, কিংবা অস্ত্রের মুখে গোত্রপতি হওয়া এসব লোক সিআইএ এজেন্ট দের যোগান দেয়া অর্থ আর জিহাদী বয়ান এ উদ্যোগী হয়ে নতুন করে জন্ম দেয় নিজেদের। গোত্রপতিরাও ভাবেন, এবার হয়ত সুযোগ পাওয়া যাবে, আমেরিকার বুলেটে নিহত স্বজনের বদলা নেয়ার। সেই সাথে আসতে থাকে বেশুমার অর্থ, যার আসল যোগান দাতা আমেরিকা, আর সেইসব নতুন গোত্রপতিদের জানানো হয় মিডল ইস্টের কিছু ধনী ব্যক্তি যারা ইসলামী শাসন কায়েমে আগ্রহী তারা পাঠিয়েছেন। এরপর স্থানীয় এজেন্টরা তাদের কাছে নির্দেশনা দেন, কিভাবে কি করতে হবে।


এখন আপনি বলুন, আপনার ঘরে আসার দিকে তাকিয়ে আছে মিনিমাম ছয়টি মুখ, যারা সারাদিনের অনাহারী, আছে বিবাহ যোগ্য কন্যা যাদের বিয়ে দেয়ার সামর্থ্য আপনার নেই, সম্পত্তি বলতে মাটির তৈরি ঘর, সেই আপনাকে বলা হয় জান্নাতের সুখবর দিয়ে, যে প্রাণ দিন আমেরিকার বিরুদ্ধে জিহাদ করে যারা কাফের এবং আপনার দেশকে কলুষিত করেছে, হত্যা করেছে আপনার কোন ভাই কে, আপনার পুরো পরিবার এর সব ধরনের দায়িত্ব আমরা নিচ্ছি, সেই সাথে এককালীন মোটা অঙ্কের টাকা, যতগুলো টাকা আপনি একসাথে জীবনে চোখেও দেখেন নি, আপনি কি বিষয়টা একবার ও চিন্তা করে দেখবেন না? রাজী নাহয় নাই হলেন! একদিকে বদলা, অন্যদিকে ফ্যামিলির স্বচ্ছলতা, আপনি হলে কি করতেন ডা ওয়েইগনার? জাস্ট পুট দ্যাট শ্যু ইন টু ইয়োর ফিট!


খুব সাবধানে বাছাই করা এসব লোকদের এরপর ট্রেনিং দেয়া হয়, এসব হামলা পূর্ববর্তী কিংবা পরবর্তী ইউটিউব ভিডিও ছাড়ার কথা একজন ইসলামী মৌলবাদীর মাথায় আসেনা, আসে একজন দক্ষ ক্রিমিনাল সংস্থার কাছে থেকে! একটা সময় তারা হামলা চালায়, নিশ্চিত করে পরিবারের ভবিষ্যত! কিন্তু হায়, পরিবারের সদস্যরা খুব অল্প সময়েই গ্রেফতার নাহয় হত্যার স্বীকার হয়ে যায় আমেরিকান সেনাবাহিনীর হাতে, জান্নাত থেকে আত্নঘাতী হামলাকারী পরিবার প্রধান নিশ্চই দেখে কিন্তু এটাকে আটকাতে আর পারে না! কারন তারা তালেবান, জঙ্গী, ড্রোন হামলায় কোন বাছবিচার হয় না, নারী পুরুষ সবাই মারা পড়ে, যে দুই একজন বেচে থাকে তারা প্রতিশোধের জন্য আবার সুযোগ খুজতে থাকে, সিআইএ ঠিক খুজে খুজে এদের বের করে! আবার তাদের ট্রেনিং দেয়!

হহাহাআহ, বলে খুব একচোট হাসলেন ডা আশফাক! আপনাদের বিবিসি, সিএনএন এত হলদে কেন ডা জন? অথচ বাক স্বাধীনতা আর সত্য প্রকাশে তারা সারাক্ষন সারা দুনিয়া জুড়ে কি চেষ্টাটাই না চালিয়ে যাচ্ছে!! আপনারা মালালা কে নোবেল দিয়েছেন, ডা. জন, ডু ইউ নো দ্যাট, অলমোস্ট অল পাকিস্তানী টুক ইট এজ এন ইনসাল্ট টু দেয়ার নেশান?


ডা রহমান, হোয়াই ডু ইউ কিপ সাইলেন্স? ফরগেট ইট, নোবডি এভার কনকয়ার্ড মাই কান্ট্রি, নো বডি এভার! ফ্রম চেঙ্গিস টু রুশ! ওয়ান ডে, আমেরিকা উইল পে ফর দিস ঠু!

আমি চুপ করে থেকে শুধু এটুকুই বললাম, আল্লাহ ভাল জানেন, স্যার! তিনি সর্বজ্ঞ!


পেশোয়ারের স্কুল হামলার পর তার সাথে আমার একবার অনলাইনে কথা হয়েছিল, স্কুল বাচ্চাদের প্রতি নির্মমতার কথা বলতেই তিনি বললেন, ডা রহমান তুমি কি জানো না, মহানবী (সাঃ) শিশুদের কত ভালবাসতেন? একজন ইসলামী মৌলবাদী (তোমাদের ভাষায়) তালেবান সে কি এই মিনিমাম বিষয়টা জানবে না? আবার দেখ, হামলা হয়েছে আর্মি স্কুলে, যাতে আর্মির সন্তানরাই বেশী মারা পড়ে, সন্তান হারানোর শোকে এবার খুন চেপে যাবে মদ্যপ পাকিস্তানী আর্মির মাথায়! গণহতা চালাবে এবার তারা, কি সুন্দর তাই না? কাঁটা দিয়ে কাঁটা তুলে ফেলা হচ্ছে!

একটু থেমে যা বললেন ডা আশফাক, সে এখন আবার আফগান ফিরতে চায়, কিংবা পাকিস্তান, যে দেশ তাকে ডাক্তার বানিয়েছিল, সে কিছু পশ্চিমা এজেন্ট হত্যা করতে চায়, ডাক্তার হয়ে মানুষের সেবা করতে গিয়ে নাকি তার ঘেন্না লাগে! এখন প্রায়শ মনে হয়, পিতারা ভুল করেন নি, অস্ত্রের ট্রেনিং টা এবার সে সর্বোচ্চ কাজে লাগাবে!

আমি জানিনা, এখানে কতটুকু সত্য, কতটুকু মিথ্যা, কিন্তু আমি এটা খুব জানি, চে গুয়েভারা, বংগবন্ধু এরা কার নির্মমতার স্বীকার। সাইহ! তবু আমাদের একটা আমেরিকান ভিসার জন্য কতখানি হাহাকার!




১৪টি মন্তব্য ৭টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

বাংলাদেশের জেন-জি ইন্ডিয়ার ককরো...

লিখেছেন জুল ভার্ন, ২০ শে অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৯:৫২

বাংলাদেশের জেন-জি ইন্ডিয়ার ককরোচ.....

বিপ্লবের লক্ষ্য কী- পরিবর্তন, নাকি প্রদর্শন?
বাংলাদেশে জেন-জি স্বৈরাচারের পতন ঘটিয়েছে; কিন্তু প্রশ্ন- স্বৈরাচার গেছে, স্বৈরাচারী মানসিকতা কি গেছে?
যে তরুণ প্রজন্ম গণতন্ত্র, অধিকার ও মর্যাদার দাবিতে রাজপথ... ...বাকিটুকু পড়ুন

রম্য: পর্নের সেকাল একাল!

লিখেছেন গেছো দাদা, ২০ শে অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৪:৪৬

গুরুত্বপূর্ণ একটা টপিক নিয়ে অনেকদিন ধরে লিখব লিখব করছিলাম। সময় হচ্ছিল না। আজ এই গভীর রাতে মনে হলো, লিখেই ফেলি। কেন মনে হলো, সে আলাপে আর না যাই। টপিক হলো:... ...বাকিটুকু পড়ুন

দেশভাগ এবং ধর্ম- অধর্ম

লিখেছেন রাজীব নুর, ২০ শে অক্টোবর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:২৪



শীতের শেষে সমস্ত গাছের পাতা ঝরে পড়ে।
তখন পাতা ছাড়া গাছ একদম রুগ্ন মনে হয়। শুকনো পাতা দিয়ে মাটির পথ ঢেকে যায়। সেই পথ দিয়ে কোনো পথিক হেটে গেলে... ...বাকিটুকু পড়ুন

জিরো থেকে হিরো (মহাজগৎ সংক্রান্ত) - পর্ব-১

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ২০ শে অক্টোবর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৫০




কোন কিছুর অস্তিত্ববিহীন অসীম শূন্যে উদ্ভব ঘটেছে সকল বস্তু ও শক্তি উপাদানের। তাতে কোন স্থান না থাকায় উক্ত বস্তু ও শক্তি উপাদান সমূহ একে অপরের স্থান হয়েছে। সুতরাং... ...বাকিটুকু পড়ুন

আজ যদি টেলিফোন থাকত, তাহলে কেমন হতো?

লিখেছেন নাহল তরকারি, ২০ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১০:২৪

আজ যদি টেলিফোন থাকত, তাহলে কেমন হতো?

হয়তো আজ টেলিফোনও অ্যান্ড্রয়েড ফোনের মতো স্মার্ট হতো!



একসময় মানুষের দূর-দূরান্তে যোগাযোগের অন্যতম প্রধান মাধ্যম ছিল টেলিফোন। মোবাইল ফোনের মতোই টেলিফোন দিয়ে কথা... ...বাকিটুকু পড়ুন

×