somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

শাওন সাফা
মেঘনা-ধনাগোদা সেচ প্রকল্পের অর্ন্তভূক্ত বৃত্তাকৃতির দ্বীপের মতন মতলব উত্তর উপজেলায় কোন এক অজপাড়া গাঁয়ে এক জনম দুঃখী মায়ের ঘরে আমার জন্ম।জন্মের আট মাস পর বাবা চলে গেলেন ফেরার দেশে। প্রতিকুল অবস্থার মধ্যেই মায়ের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় বর্ন মালা শিখে ..।

"ভারতীয় কলোনীর নির্মুল; যুদ্ধই একমাত্র উত্তরন"।

২৬ শে জুলাই, ২০১৮ রাত ১১:২৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

অসত্য বচনে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ।

উপরের হেড লাইনটি কুখ্যাত সম্পাদকের বক্তব্যের আলোকে উপস্থাপিত অসত্য বচনে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ।

যে লোকটি দাম্ভিকতার সহিত বলতে পারে বাংলাদেশ কোন রাষ্ট্র নয়:বাংলাদেশ হচ্ছে ভারতীয় কলোনী,বাংলাদেশে জঙ্গলের আইন চলে,এ দেশে আইন নেই,এ দেশে সংবাদপত্রের স্বধীনতা নেই,সাংবাদিকরা সরকারের তাবেদারীতে বা প্রশংসায় ব্যস্ত ,সে রাষ্ট্রে গনতন্ত্র প্রতিষ্টায় যুদ্ধ ছাড়া সংলাপ/টংলাপ করে কিছুই হবে না।ক্ষমতায় গেলে জাতীয় সংগীত বদলে ফেলবেন,জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান একটি কলংকিত নাম সে লোকটিকে জানতে হয়ত মনের আঙ্গিনায় উকি-যুকি শুরু হয়ে গেছে কে এই সময়ের এত সাহসী বীর ? সে আর কেউ নয় সে হলেন সেই ওয়ান-ইলাভেন সরকারের সময়কার সময়ে ঢাকা উত্তরায় গোপন বৈঠকে মিলিত হওয়া চক্রান্তকারী, রাষ্ট্রদ্রোহী , যিনি সাংবাদিক না হয়েও আমার দেশ পত্রিকার সম্পাদক,যিনি পায়জামা-পাঞ্জাবী না পড়ে শার্ট -পেন্ট পরিহিত পাকিস্থানী ভাবধারায় বেড়ে উঠা এবং গোপনে গোপনে এক জামাতী প্রতিনিধিত্বকারী এক কুখ্যাত নাম মাহমুদুর রহমানঅ

এই লোকটিই সাঈদী কে চাঁদে পাঠিয়ে সারা বাংলায় ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল আবার সাঈদীর মুক্তির জন্য কাবা শরীফের গিলাফ ও ইমাম সাহেব কে টেম্পারিং করে মক্কার মুসুল্লিরা মিছিল করে ছিল মর্মে তার কুলঙ্গার পত্রিকায় প্রকাশ করা হয় ।তারপর থেকে ভারতীয় কলোনী ধ্বংশের জন্য একের পর এক বিভ্রান্তি মুলক সাম্প্রদায়িক সংঘাত সৃষ্টি কারার জন্য নিরন্তর অপচেষ্টা চারিয়ে যাচ্ছেন, তাকে যেন কোন ক্রমেই থামানো যাচ্ছে না।আমার মনের আঙ্গিনায় সমুদ্রের ঢেউয়ের মত কেবল অনুরনিত হয় কিশের উপর ভর করে সাংবাদিক সম্মেলন ও ফেইসবুক লাইভে এসে বাংলাদেশ ও জাতির জনক বঙ্গ বন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কে নিয়ে কটুক্তি করতেও সংকোচ বোধ করেননি।লন্ডন প্রবাসী জনক নাতনী টিউলিপ সিদ্দিক কে নিয়ে অশ্লীল ও ঔদ্ধত্যপূর্ণ বক্তব্য রেখেই ক্ষান্ত হননি তাকে বাংলাদেশে কোন আইনের আলোকে প্রোটোকল দিলেন তার জিজ্ঞাসা ছিল উপস্থিত সাংবাদিক ও আইনজীবিদের কাছে।।তার এ সকল অপরাধ কি সাইবার ক্রাইম হিসাবে গন্য হতে পারে ? যদি পারে তা হলে দেরি কেন?সে প্রকাশ্যে বিচরন করে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা তৈরি করার নিমিত্তে যুবসমাজকে যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত হওয়ার যে আহবান করছেন নিঃসন্দেহে তাহা রাষ্ট্রদ্রোহিতার সামিল্।এরুপ মিথ্যে ,বানোয়াট ও খোরা-যুক্তি দেখিয়ে দেশকে সংঘাতের দিকে ধাবিত করা আর বিভ্রান্ত করার অপচেষ্ঠা করা কি অপরাধের সামিল কি না? বিজ্ঞজনের মতামতের ভিক্তিতে আমি তার দৃষ্টান্তমুলক শাস্তি দাবী করছি।।

গত কয়েকদিন যাবৎ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মাহমুদুর রহমানের রক্তাক্ত দেহ খানা ঐ ভাবধারার লোকদের ফেইসবুক ওয়ালে প্রচার করে বেড়াচ্ছেন আর বলছেন এটা জালিম সরকারের কাজ।মাহমুদুর রহমান আরো বলেন,জনগন এ সরকারের অপশাসন থেকে রেহাই চায়।রেহাই পেতে হলে যুদ্ধের কোন বিকল্প নেই ।তোমরা প্রস্তুত হও।জয় নিশ্চিত।নতুবা এ বাকশালী সরকারের যাতাকল থেকে মুক্তির কোন সম্ভবনা নেই।

টিউলিপ কে কেন প্রোটোকল ?? অপসাংবাদিকতার সম্পাদক মাহমুদুর রহমানের প্রশ্নের উত্তরে পাল্টা প্রশ্ন যদি করি, রওশনারা আলী ,রুপা হক যখন বাংলাদেশে আসল তখন তাদেরকে কেন প্রোটোকল দেওয়া হল ? রাষ্ট্রিয় অতিথি হিসাবে বরন করল? ইহাতে কি প্রমান হয় না টিউলিপ সিদ্দিক কে প্রোটোকল দিয়ে সরকার কোন অন্যায় করেনি।

শেখ হাসিনা রুপ কথার ফিনিক্স পাখির মত ; আগুনের ছাই থেকে উঠে এসেও নেতৃত্ব দিয়ে গোটা বিশ্বে দিগ্বিজয়ী সম্মামনার দুয়ার খুলে দিয়ে বাঙ্গালীদের করেছেন সম্মানিত।আমরা আজ তলা বিহীন ঝুড়ির রাষ্ট্র নই ;আমরা আজ মধ্যম আয়ের রাষ্ট্রে উন্নীত এক রাষ্ট্র।সবকিছু হারিয়ে শুধু এ দেশের মাটি ও মানুষকে ভালবেসে বার বার বিপদের সম্মুখীন হয়েও জাতির জনকের স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ার দীপ্ত শপথে এ দেশের নিরিহ মানুষের মুখে একটু হাসি ফুটানোর জন্য জীবনের বেশীর ভাগ সময়টুকু ব্যয় করেন দেশান্তরে।।দেশী-বিদেশী অসংখ্য পুরস্কারে তিনি আজ বিশ্ব নেত্রী।তাকে এবং তার পরিবারকে সমীহ করে কথা বলা উচিত বলে আমি মনে করি।জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান তো দলমত নির্বিশেষে মহান স্বাধীনতা সংগ্রামের এক কিংবদন্তীর পরিচায়ক।যার তুলনা তিনি নিজেই।তাকে কলংকিত করার শাস্তি তাকে পেতেই হবে।।আমি তার শাস্তি দাবী করছি।।লিঙ্ক Click This Link

সর্বশেষ এডিট : ২৬ শে জুলাই, ২০১৮ রাত ১১:২৬
৫টি মন্তব্য ১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

পানি: জীবনের উৎস, আল্লাহর রহমতের অবিরাম ধারা এবং সৃষ্টিতত্ত্বের বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণ

লিখেছেন নতুন নকিব, ০১ লা এপ্রিল, ২০২৬ বিকাল ৩:৩০

পানি: জীবনের উৎস, আল্লাহর রহমতের অবিরাম ধারা এবং সৃষ্টিতত্ত্বের বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণ

ছবি, অন্তর্জাল থেকে নেওয়া।

পানি এই একটি শব্দে লুকিয়ে আছে সৃষ্টির রহস্য, জীবনের ধারা এবং মহান আল্লাহ তাআলার অফুরন্ত... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমাদের গ্রামের গল্প

লিখেছেন রাজীব নুর, ০১ লা এপ্রিল, ২০২৬ বিকাল ৪:২৪



একসময় আমাদের গ্রামটা খাটি গ্রাম ছিলো।
একদম আসল গ্রাম। খাল-বিল ছিলো, প্রায় সব বাড়িতেই পুকুর ছিলো, গোয়াল ঘর ছিলো, পুরো বাড়ির চারপাশ জুড়ে অনেক গাছপালা ছিলো। বারো মাস... ...বাকিটুকু পড়ুন

রাসূলের (সা.) একমাত্র অনুসরনীয় আহলে বাইত তাঁর চাচা হযরত আব্বাস ইবনে আব্দুল মোত্তালিব (রা.)

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ০১ লা এপ্রিল, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৪৩




সূরাঃ ৩৩ আহযাব, ৩২ নং ও ৩৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
৩২। হে নবী পত্নিগণ! তোমরা অন্য নারীদের মত নও। যদি তোমরা আল্লাহকে ভয় কর তবে পর পুরুষের সহিত কোমল... ...বাকিটুকু পড়ুন

মোরগের ডাক , বিজ্ঞানের পাঠ এবং গাধার প্রতি আমাদের অবিচার

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০২ রা এপ্রিল, ২০২৬ রাত ১:৫৫


গ্রামে বেড়ে ওঠা মানেই একটা অসাধারন শৈশব। আমাদের সেই শৈশবের একটা বড় অংশ জুড়ে ছিল মক্তবের মৌলভি সাহেবদের গল্প। তারা বলতেন, ভোররাতে মোরগ ডাকে কারণ সে ফেরেশতা দেখতে পায়।... ...বাকিটুকু পড়ুন

বঙ্গ ও বেঙ্গলীর শিকড় কী মুছে গেছে? নাকি পুণ্ড্রনগর সভ্যতার মত হারিয়ে গেছে ??

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ০২ রা এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ৯:০৮


বঙ্গ ও বেঙ্গলীর শিকড় কী মুছে গেছে নাকি পুণ্ড্রনগর সভ্যতার মত হারিয়ে গেছে ?? সামু ব্লগের এই ক্রান্তিকালে বিষয়টি নিয়ে একটু আলোচনা/পর্যালোচনা করে কিছু সময় কাঠানো যাক... ...বাকিটুকু পড়ুন

×