somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

মোঃ তাওহীদুর রহমান স্বরূপ
ভালো লাগে লেখালিখি করতে। ভালো লাগে সিনেমা দেখতে। এসব নিয়েই কিছু করে বাঁচতে চাই। পড়ছি ইংরেজি ভাষা ও সাহিত্য নিয়ে, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে।

Movie Review: Triangle (2009) [Spoiler Free]

১৭ ই মার্চ, ২০১৭ রাত ১২:২৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

Shutter Island মুভিটা দেখা শেষে মনের মধ্যে যেমন অবস্থা হয়েছিল, আজ এই মুভিটা দেখে প্রায় একই রকম অনুভূতি হচ্ছে। বলছি ২০০৯ সালে মুক্তি পাওয়া মিস্ট্রি থ্রিলার মুভি "Triangle" এর কথা। সত্যি কথা বলতে মুভির নাম আর সমুদ্রের কিছু দৃশ্য দেখে আমি ভেবেছিলাম Bermuda Triangle নিয়ে হয়তো মুভিটা। সেটা ভেবেই দেখা শুরু করলাম। মুভির প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন মেলিসা জর্জ। যার নাম এই মুভিতে জেস। মুভির শুরুতে দেখা যায় জেস তার বন্ধু Greg এর সাথে ইয়টে করে খুব সুন্দর রোদেলা একটি দিনে সমুদ্রে ঘুরতে বের হয়। সমুদ্র যাত্রায় তাদের সাথে আরোও ছিল গ্রেগের বন্ধু Downey, Sally, Heather এবং Greg এর সহযোগী Victor. রওনা দেয়ার কিছুক্ষণ পরে তারা লক্ষ্য করে অস্বাভাবিকভাবে বাতাস চলাচল একরকম বন্ধ হয়ে গেছে। তাদের ইয়ট থেমে যায়। আবহাওয়া খুবই খারাপ হতে শুরু করে। তারপর শুরু হয় ভয়ংকর রকমের ঝড়। তাদের ইয়ট পানিতে ডুবে যায়। আমি এই পর্যন্তও মনের মধ্যে Bermuda Triangle এর কথা ধরে ছিলাম।



কিছুক্ষণ পর লক্ষ্য করলাম সবাই বেঁচে আছে এবং তারা ডুবে উল্টো হয়ে থাকা ইয়টটার উপর আশ্রয় নিয়েছে। তাদের মধ্যে নিখোঁজ হয়ে যায় একজন - Heather। তারা আশেপাশে Heather কে খোঁজার ব্যর্থ চেষ্টা চালায়। এরপর তারা লক্ষ্য করে তাদের দিকে একটা জাহাজ আসছে। সবাই সাহায্যের জন্য হাত উঁচু করে। তাদের মধ্যে একজন জানায় যে সে জাহাজে একজনকে দেখেছে। অর্থাৎ তারা চোখের আড়ালে পড়েনি, সাহায্য নিশ্চয়ই পাবে। হলও তাই। জাহাজ থামলো। তারা সবাই জাহাজে উঠল তবে জেসের মধ্যে একটা দ্বিধা দেখা যাচ্ছিল। সে আশেপাশে শঙ্কিত হয়ে দেখছিল শুধু। জাহাজে উঠে তারা কাউকে দেখতে পেল না। একটা মানুষকেও নয়। এরপর তারা জাহাজের এদিক ওদিক খোঁজা শুরু করল। জেস জানায় যে এই জাহাজের করিডোর তার পরিচিত। কিন্তু তার কথায় কেউ পাত্তা দেয়না। একসময় জেস যখন তার চাবির গোছা জাহাজের এক করিডোরে খুঁজে পায় তখন সবাই বেশ অবাক হয়ে যায়। জেসের সবসময়ই মনে হতে থাকে জাহাজে তাদের জন্য ভালো কিছু অপেক্ষা করছে না। তারা একসময় করিডোরে রক্ত দেখতে পায়। বাথরুমে আয়নাতে রক্ত দিয়ে লেখা থাকে "Go to Theater"। ঘটনাক্রমে জাহাজের মধ্যে সবাই আলাদা হয়ে যায়। আর মুভির কাহিনী এভাবেই আগাতে থাকে। তাহলে জাহাজের ভেতরে কি কেউ আছে? এসব অদ্ভুতুড়ে কাজগুলো করছে কে? করছেই বা কেন? জেস কি উদ্ঘাটন করতে পারবে এই রহস্য? নাকি সে নিজেই রহস্যের বেড়াজালে আটকা পড়বে?



মুভির স্টোরি বিল্ডি আপ বেশ ভালো এবং দ্রুত। অর্থাৎ দেখতে নিলে একঘেয়েমী লাগার সুযোগ নেই। একবার দেখতে নিলে আমি প্রায় নিশ্চিত কেউই মুভিটি শেষ না করে উঠতে চাইবেন না। আর শেষ করলে মনের মধ্যে প্রশ্ন থেকে যাবে। এই মুভিটা দেখে নিজে নিজেই উত্তর বের করাটা হয়তো একটু কঠিন হবে। আমার জন্য হয়েছে আর কি। বেশ ঘাটাঘাটি করলাম। যারা গ্রিক মিথলজি জানেন তারা Sisyphus এর কাহিনী দিয়ে যুক্তি দাঁড় করাতে পারেন। কারণ Sisyphus এর কথা এই মুভির মধ্যেও একটা জায়গায় বলা হয়। যাহোক, ইন্টারনেটে যে যার মত করে যুক্তি দিয়েছে। তবে অনেকগুলো ব্যাখ্যা পড়ে, দেখে একটা ব্যাখ্যা আমার কাছে বেশি যুক্তিযুক্ত মনে হয়েছে। যদি কেউ ব্যাখ্যা বুঝতে চান তাহলে ঐ ভিডিওর ইউটিউব লিঙ্ক দিয়ে দিব, দেখে নিবেন। হয়তো একটা যুক্তি দাঁড় করাতে পারবেন। :P



আর হ্যাঁ। মুভি দেখার আগে Trailer দেখার দরকার নাই। :``>>

Happy watching :)

IMDb: 6.9
Rotten Tomatoes: 82%



Logic Explanation: https://youtu.be/uWZfHfQokMA
Trailer: https://youtu.be/17XqBdCiHOI
Download link: (720p) Click This Link

সর্বশেষ এডিট : ১৭ ই মার্চ, ২০১৭ রাত ১২:২৫
১টি মন্তব্য ১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ম্যান মেড প্রাণীজ দুগ্ধ......

লিখেছেন জুল ভার্ন, ১১ ই অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৫:২৯



ম্যান মেড প্রাণীজ দুগ্ধ......

বির উনি একজন গোয়ালা (গোয়ালিনী)। তাহার নিজের কোনো গরু(গাভী) নাই। তারপরও তিনি দৈনিক প্রায় একশত লিটার দুধ বিক্রি করেন। নিজের 'কয়েকজন বান্দা কাস্টমার আছে'।... ...বাকিটুকু পড়ুন

এলপিজি কার্ডে সংকট কমবে ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১২ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ২:১৬


অনেক হতাশার মধ্যেও মাঝেমধ্যে সরকারের কোনো ভালো উদ্যোগের খবর দেখলে ভালো লাগে। অন্তত মনে হয়, সাধারণ মানুষের কষ্টের জায়গাগুলো নিয়ে সরকার কিছুটা হলেও ভাবতে শুরু করেছে। তেমনই একটি খবর... ...বাকিটুকু পড়ুন

আত্মহনন ও পক্ষপাতিত্ব

লিখেছেন সামছুল আলম কচি, ১২ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ১০:২৮


রবীন্দ্রনাথ কি বাংলাদেশের নাগরিক ??!! শুধুমাত্র জাতীয় সংগীতের রচয়িতা এবং বাংলাদেশে কিছু সুশীলদের (ভালো নাপিত) তাকে নিয়ে নানা রকমের কলহ-বিবাদ-বিভক্তি তৈরী ব্যতিত; বাংলাদেশে তার আর অবদান কি... ...বাকিটুকু পড়ুন

তারা ভারতের এই সফট টুলস রবীন্দ্রনাথকে রক্ষা করবে।

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ১২ ই অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৩:০৩


কয়েকদিন আগে পাকিস্তান রাষ্ট্রের জাতীর পিতা মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর ছবি ছিঁড়ে ফেলা হলো, সেখানে তো গ্রেপ্তার দেখলাম না! সেখানে কি পাকিস্তানের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্কের অবণতির শঙ্কা ছিলো না? পাকিস্তানের... ...বাকিটুকু পড়ুন

এআই মন্তব্যের পর ব্লগারগণের পোষ্ঠ ভালো বুঝে আসে

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ১২ ই অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৫:২০



চাঁদগাজী/সোনাগাজী বলতেন অনেক ব্লগার গরুর রচনা এবং অনেক ব্লগার গার্বেজ লেখেন। তাঁর এমন মন্তব্যের কারণে তাঁর বিরোধী ব্লগার সংখ্যা বেড়ে যায়। ফলে তিনি বার বার ব্যানের শিকার... ...বাকিটুকু পড়ুন

×