
৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষন শেষে শেখ মুজিবুর রহমান কি আসলেই 'জয় পাকিস্তান' বলেছিলেন? এ কে খন্দকারের এমন দাবী তেমনই।

তার প্রেক্ষিতে শফিউল আলম প্রধান ও কাদের সিদ্দিকী সুনেছেন বলে দাবি করেছেন।

‘জয় পাকিস্তান’ নিজ কানে শোনার দাবি করেছেন গয়েশ্বর চন্দ্র রায়।

তার ভাষায় “৭ মার্চ শেখ মুজিবুর রহমান জয় পাকিস্তান বলে ভাষণ শেষ করেছিলেন। আমিও নিজ কানে তা শুনেছি। সাংবাদিকরা লিখতে পারেন, কারন ওই ভাষণের সময় আমি মঞ্চ থেকে ৫০ গজ দূরে অবস্থান করছিলাম।”
আসেন বিষয়টা জেনে নেইঃ
কখনোই শেখ মুজিবকে জয় পাকিস্তান বলতে শুনিনি’

১৯৭১ সালের ঐতিহাসিক ৭ মার্চ রেসকোর্স ময়দানে উপস্থিত থেকে ওই সমাবেশে খবর সরাসরি সংগ্রহকারী তৎকালীন ডাকসাইটে সাংবাদিক এ.এস.এম.হাবিবুল্লাহ বলেছেন, গোটা বিশ্বের সর্বকালের অন্যতম সেরা এ ভাষণটি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জয় বাংলা শেষ করেছিলেন বলেই তার মনে পড়ে। তিনি বলেন, ওই সময় আওয়ামী লীগের স্লোগান ছিল ‘জয় বাংলা’। বঙ্গবন্ধু তার সব ভাষণের শেষেই জয় বাংলা বলতেন। আমার মনে পড়ে, ওইদিনও তিনি এটাই বলেছিলেন। আমি কখনোই তাকে ‘জয় পাকিস্তান’ বলতে শুনিনি। এমন একটি কথা এই প্রথম শুনলাম। বঙ্গবন্ধু এমন কিছু বলেছিলেন কিনা আমার পরিষ্কার খেয়াল হচ্ছে না। তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু সেদিন ‘জয় পাকিস্তান’ বললে তা বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে রিপোর্ট হতো, তেমন কোনো রিপোর্ট তো সেসময় কোথাও হয়নি!
প্রসঙ্গত এক সময়কার দাপুটে এ সাংবাদিক বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার (বাসস) চিফ নিউজ এডিটর পদে দায়িত্ব পালন শেষে অবসর নেন। তিনি জাতীয় প্রেসক্লাবের অবৈতনিক সাধারণ সম্পাদক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। তিনি সেইসব সাংবাদিকের একজন যিনি ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ ঐতিহাসিক রেসকোর্স ময়দানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাষণ কভার করেছিলেন। তখন তিনি ছিলেন এসোসিয়েটেড প্রেস অব পাকিস্তানের (এপিপি) সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট। বক্তব্যটি নিয়ে বিতর্কের মধ্যে একটি সহযোগি অনলাইনকে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন। সুত্র
কিন্তু কোন মিডিয়ায় আসার খবর কেউ দিতে পারেনি।
বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণটি ( পূর্ণাঙ্গ ) দেখে বলুনতো, কোথায় 'জয় পাকিস্তান' বলেছিলেন?
এ ব্যাপারে মঞ্চে উপবিষ্ট একজন মুক্তিযোদ্ধা জিল্লুর বলেন, ‘আমি মঞ্চে ছিলাম, ছবি তুলছিলাম। বঙ্গবন্ধু পরিষ্কারভাবে বলেছিলেন, জয় বাংলা। এ কে খন্দকার কোথায় এ তথ্য পেলেন তা রহস্যজনক।’ সুত্র
১৯৬৯ এর ১৭ সেপ্টেম্বর ছিল শিক্ষা দিবস। এজন্য এর দুইদিন আগে, ১৫ সেপ্টেম্বর সর্বদলীয ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ মধুর ক্যান্টিনে একটি ছাত্রসভার আয়োজন করেছিল। মূলত এটি ছিল শিক্ষা দিবস পালনের প্রস্ত্ততি সভা। চলছিল নেতাদের ভাষণ পর্ব। এসময় হঠাৎ করে একজন চীৎকার করে ‘জয়বাংলা’ দিয়ে উঠেন। এরপর গলা মেলান আরো একজন। নতুন শ্লোগান, তাই সবাই একটি হতবিহবল হয়ে পড়েছিলেন। বলা হয় সেটিই ছিল প্রকাশ্যে প্রথম ‘জলবাংলা’ ম্লোগান।
বলে রাখি শ্লোগানটি ঐদিন দিয়েছিলেন সে সময়ের জিন্না হলের ছাত্র আফতাবউদ্দিন আহমাদ এবং ইকবাল হলের চিশতি শাহ হেলালুর রহমান।
এরপর থেকে বিভিন্ন সভায় জয়বাংলা শ্লোগানটি শোনা গেলেও মঞ্চে নেতারা তা বলেননি বহুদিন। ১৯৬৯ এর ২৫ মার্চ সামরিক আইন জারির পর দীর্ঘদিন দিন প্রকাশ্যে রাজনীতি বন্ধ ছিল। ৭০ এর ১ জানুয়ারি নিষেধাজ্ঞা উঠে যায়। এরপর প্রথম জনসভাটি করে আওয়ামী লীগ। দিনটি ছিল ৪ জানুয়ারী, সপ্তাহের প্রথম রোববার। পল্টনে জনসভা করার অনুমতি পায় আওয়ামী লীগ। সেই জনসভাতেও মঞ্চ থেকে জয়বাংলা শ্লোগান কেউ দেননি। তবে সভাজুড়ে জয়বাংলা লেখা অসংখ্য প্লাকার্ড ছিল।
এর পরের রোববার ছিল, ১১ জানুয়ারি ছিল জামায়াতে ইসলামীর জনসভা। সেখানেও মুহূমুর্হ শ্লোগান উঠে ‘জয়বাংলা’। জয়বাংলার দাপটে হারিয়ে যায় জামায়াতের জনসভা। মারামারি লাগলে মারা যান দুজন। পণ্ড হয় সভা।
এর পরের রোববার ছিল পাকিস্তান ডেমোক্রেটিক পার্টি বা পিডিপির জনসভা। সেখানে মূল বক্তা ছিলেন নূরুল আমিন। তিনি বক্তৃতা দেওয়া শুরু করা মাত্রই গোলমাল শুরু হয়। ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা জয়বাংলা শ্লোগান দিয়ে মাঠ কাঁপায়। সবার হাতে ছিল বঙ্গবন্ধুর ছবি। মঞ্চ ছেড়ে পালিয়ে যান পিডিপির নেতারা।
আওয়ামী লীগ সে সময়ের রেসকোর্সের মাঠে প্রথম নির্বাচনী জনসভা করে ৭ জুন। বক্তৃতা দেন বঙ্গবন্ধু। বক্তৃতা শেষ করেন এভাবে-‘জয় সিন্ধু, জয় বেলুচিস্তান, জয় পাঞ্জাব, জয় সীমান্ত প্রদেশ, জয়বাংলা, জয় পাকিস্তান।’বলা হয়, এই প্রথম বঙ্গবন্ধু প্রকাশ্যে জয়বাংলা শ্লোগান দিয়েছিলেন।
এরপরে নির্বাচনে বিপুলভাবে জয়ী হয় আওয়ামী লীগ। ১৯৭১ এর ৩ জানুয়ারী রেসকোর্সের মাঠে ডাকা হয় নির্বাচিত সবাইকে। বঙ্গবন্ধু সেদিন শপথ অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন। জনতার উদ্দেশ্যে সেদিন বন্ধবন্ধু বলেছিলেন, ‘আমার দলের কেউ যদি বাঙলার মানুষের সাথে বেঈমানি করে, আপনারা তাকে জীবন্ত পুঁতে ফেলবেন।’ এইদিনও তিনি বক্তৃতা শেষ করেন জয়বাংলা ও জয় পাকিস্তান বলে।
পরেরদিন, ৪ জানুয়ারি। ঐদিন ছিল ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। রমনা বটমূলে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। সিরাজুল আলম খান এবং অসুস্থ থাকায় শাহজাহার সিরাজ ছাড়া সব ছাত্রলীগ নেতা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেছিলেন মাহবুবুল হক। এই দিন বঙ্গবন্ধু জয় পাকিস্তান বলেননি, বলেছিলেন কেবল জয়বাংলা।
উপরের পুরো অংশটি লেখক,গবেষক মহিউদ্দিন আহমেদের পুরানো একটি বই থেকে নেওয়া। ‘এই দেশে একদিন যুদ্ধ হয়েছিল’ নামের বইটি ২০০৬ সালে প্রকাশিত হয়। মহিউদ্দিন আহমেদ ৪ জানুয়ারির এই সভা নিয়ে আরও তথ্য দিয়ে লিখেছেন, ‘তিনি (বঙ্গবন্ধু) বক্তৃতা শেষ করেন জয়বাংলা শ্লোগান দিয়ে। এদিন তিনি জয় পাকিস্তান বলেননি, এবং এরপর আর কোনোদিনও না।’
মহিউদ্দিন আহমেদ ৭ মার্চেও রেসকোর্সের মাঠে উপস্থিত ছিলেন। তারও একটি বর্ণনা আছে বইটিতে। অর্থাৎ তিনি প্রত্যক্ষদর্শী।
এই মহিউদ্দিন আহমেদ ইদানীং সময়ের একটি আলোচিত নাম। জাসদনামা নিয়ে বই লিখছেন। সেই বইয়ের কিছু অংশ এরই মধ্যে তাহেরপ্রেমীদের আহত করেছে। জনাব মহিউদ্দিনের বিশেষত্ব হচ্ছে তিনি সবার নাম ব্যবহার করেন। আর নামগুলো পরিচিত বলে অনেক বিতর্ক ঘটায়। এই বইটিতে তিনি কেবল একটি জায়গায় একজন ছাত্র নেতার নাম উল্লেখ করেননি। ঐ ছাত্র নেতাটিকে চড় মারা হয়েছিল বালকপ্রীতির কারণে। এরবাইরে অনেক কৌতুহলজাানিয়া তথ্য ঘটনার উল্লেখ আছে বইজুড়ে। বইটি মূলত স্বাধীনতার আগে ও পরের ছাত্র রাজনীতি কেন্দ্রীক। আর ঢাকা কলেজে তাঁর সহপাঠি ছিলেন শেখ কামাল। তাঁরও অনেক ঘটনার বিবরণ আছে বইটিতে। সেসব নিয়ে পরে আলোচনা করা যাবে। সঙ্গতকারণেই এই লেখাটি জয়বাংলা স্লোগানকেন্দ্রীক।
সব শেষে ৭ মার্চের সেই ঐতিহাসিক ভাষণ নিয়ে আরও একটি তথ্য দিয়ে লেখাটি শেষ করা যেতে পারে। একজন সংবাদকর্মী হিসেবে খুব স্বাভাবিক ভাবেই বলতে পারি, পরেরদিনের পত্রিকায় পুরো ভাষণের শিরোনাম অবশ্যই হবে ‘এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম’। কিন্তু ইত্তেফাকের শিরোনাম কি ছিল জানেন? ‘এসমব্লিতে যাইতে পারি, যদি……..।’ পরেরদিন ইকবাল হলের মাঠে দালাদিল অভিযোগ এনে ইত্তেফাকের কপি পোড়ানো হয়েছিল। সুত্র
বঙ্গবন্ধুর ‘জয় পাকিস্তান’ ও কয়েকটি দলিল
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তাঁর ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ ‘জয়বাংলা’ বলে শেষ করেছিলেন না ‘জয় পাকিস্তান’ বলে এটি নিয়ে অনেকদিন ধরেই অনেকে নানারকম বিতর্ক আমি বলব কূতর্ক চালাচ্ছেন। বিষয়টি নিয়ে সাপ্তাহিক ২০০০ পত্রিকায় ২০০৪ সালে কয়েকটি সংখ্যা ধরে অনেকে লিখেছেন, তার কয়েকটি স্ক্যান করে দেয়া হলো-
১। ১৬ জুলাই ২০০৪ সালের সাপ্তাহিক ২০০০। এটিতে লিখেছেন প্রখ্যাত সংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব আলী যাকের। তিনি সেদিনের প্রত্যক্ষদর্শী-

২। ৩০ জুলাই ২০০৪ সালের সাপ্তাহিক ২০০০। এটিতে লিখেছেন বাংলাভাষার প্রধান কবি শামসুর রাহমান। তিনি তাঁর কালের ধূলোয় লেখা আত্মজীবনী গ্রন্থে এ বিষয়ে ভুল লেখার জন্য ক্ষমাপ্রার্থী হয়েছেন-

৩। ১৭ সেপ্টেম্বর ২০০৪ সালের সাপ্তাহিক ২০০০। এটিতে আমেরিকা থেকে লিখেছেন ১৯৭১ সালের দৈনিক পাকিস্তান (পরবর্তীতে দৈনিক বাংলা)-এর তৎকালীন রিপোর্টার মনজুর আহমদ। তিনি ৭ মার্চের ভাষণের সময় রেসকোর্স ময়দানেই উপস্থিত ছিলেন। অফিশিয়াল দায়িত্ব হিসেবে রিপোটিং-এর জন্যই সেদিন তিনি সতর্কতা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে সেখানে উপস্থিত ছিলেন। দায়িত্ব নিয়েই তিনি এ লেখাটি লিখেছেন। মনজুর আহমদ সাংবাদিক মহলে বিএনপি ঘরানার সাংবাদিক হিসেবে পরিচিত ছিলেন। কিন্তু ইতিহাসের প্রয়োজনে তিনি লেখাটি লিখেছেন-

৪। দেশের প্রখ্যাত লেখক, রজিনীতিক আবুল মনসুর আহমদ এর। আবুল মনসুর আহমদ-এর বিখ্যাত গ্রন্থ ‘আমার দেখা রাজনীতির পঞ্চাশ বছর’। গ্রন্থটির ৫৫৫-৫৫৬ নম্বর পৃষ্ঠায় তিনি এ বিষয়ে লিখেছেন। পৃষ্ঠা দু’টো স্ক্যান করে দেয়া হলো-


যুগে যুগে কিছু বেঈমানের সৃষ্টি হয়, আবার কিছু প্রতারকের জন্ম হয় । এখন কথা হলো শফিউল আলম , কাদের সিদ্দিকি, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়রা নিজেকে আবার মিডিয়ার সামনে আনার চেষ্টা করতছে। আমাদের দেশে সত্য নিয়া কেউ কোন দিন কথাই বলেননী ,যদি কেউ মিথ্যা কথাকে কোন রকমে ফুটাইয়া তুলতে পারে তাইলেই তিনি হিট নেতা।
বঙ্গবন্ধু ৭ই মার্চের ভাষনে জয়বাংলাই বলছে এটার কোন ভুল ব্যাখ্যা নাই কারন মউদুদ আহম্মেদ বি.এন.পির আনই মন্ত্রী থাকা কালিন এই ভাষনকে নিয়া ৭বার গবেষসনা করেছেন আর যদি পাইতেন যে জয় পাকিস্তান বলছে তাইলে...আওয়ামীলীগের খবরছিল।
সম্প্রতি প্রশ্ন উঠানো হয়েছে, স্বাধীনতা ঘোষণা ছাড়াই বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে। এ ধরনের একটি আচমকা-যুক্তিহীন ও ইতিহাসবিবর্জিত প্রশ্ন নিয়ে আলোচনার ইচ্ছা না থাকলেও যেহেতু প্রশ্নটি উত্থাপিত হয়েছে মুক্তিযুদ্ধকালীন ডেপুটি চিফ অব স্টাফ এ কে খন্দকারের লিখিত বই থেকে, সে জন্য এর প্রাসঙ্গিক বিষয়গুলো উত্থাপন ঐতিহাসিক কারণেই জরুরি।
পাগলস্থানের (পাবনা) জিয়া এরশাদসহ সব সরকারের সুবিধাভোগী এ কে খন্দকার, মুক্তিযুদ্ধে গৌরবময় ভূমিকা রাখার জন্য বীরউত্তম খেতাবপ্রাপ্ত আমাদের বাহিনীর ডেপুটি চিফ, শেখ হাসিনার সরকারের পাঁচটি বছর পরিকল্পনামন্ত্রী হিসেবে খেয়ে দেয়ে হাত মুখ মুছে আরাম করে একখানি বই লিখেছেন। সম্প্রতি ‘প্রথমা’ থেকে প্রকাশিত এ বইটির নাম ‘১৯৭১ : ভেতরে বাইরে’। ১৯৭১ সালের এপ্রিলে মুক্তিযুদ্ধে যোগ দেওয়া তৎকালীন বিমানবাহিনীর গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ কে খন্দকারের এ বইটি বিতর্কের ঝড় তুলেছে। সুমহান স্বাধীনতা সংগ্রামে ও মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে জড়িত নেতারাও বৃহস্পতিবার সংসদে এ নিয়ে তুমুল ক্ষোভ প্রকাশ করে যুক্তিনির্ভর বক্তব্য রেখেছেন। বইখানি পূর্ণ সত্য নয়, অর্ধসত্য। ইতিহাস নয়, ইতিহাস নিয়ে নির্জলা মিথ্যাচারের দলিল। সুত্র

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

