

পাশাপাশি দেশের আইনবিশেষজ্ঞগণও একই অভিমত ব্যাক্ত করে বলেছেন, মামলায় আসামি পক্ষ শুনানি করেছেন,যুক্তিতর্কে অংশগ্রহণন করেছেন। আবার রায় ঘোষণার পর হরতালের ডাক দিচ্ছেন,যা আদালত অবমাননার শামিলই নয়, এটা রাষ্ট্রদ্রোহিতারও শামিল। রাজনৈতিক কারণে হরতাল হতে পারে। রায়ের ব্যাপারে হরতাল ডাকাটা আইনের শাসনের প্রতি শ্রদ্ধা নেই। হরতাল ডাকার বিরুদ্ধে যে কেউ আদালতের আশ্রয় নিতে পারেন্ এমনকি আদালতও স্বপ্রণোদিত হয়ে আদেশ দিতে পারে।
এ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম বলেছেন, যারা আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে হরতাল ডাকে তারা আদালত অবমাননা করে। হরতাল একটি রাজনৈতিক হাতিয়ার। সেটা কখনই আদালতের ওপর প্রযোগ করতে পারে না। এটা চরম ধৃষ্টতা। আইনের ওপর শ্রদ্ধাবোধ থাকলে তারা হরতাল দিতে পারত না। তিনি আরও বলেন,‘রায় আদালতের ব্যাপার, এটা রাজনৈতিক বিষয় নয়। প্রত্যেক রায়ের পরই যে জামায়াত হরতাল ডাকে সে বিষয়ে আদালতকে জানানো হয়েছে। আদালত বিষয়টি দেখবে বলে জানিয়েছে।
সুপীমকোট আইনজীবী সমিতির সাবেক সম্পাদক সিনিয়র আইনজীবী শ.ম রেজাউল করিম বলেছেন, আমার কাছে প্রতীয়মান হচ্ছে রাষ্ট্রের তিনটি অঙ্গÑবিচার বিভাগ, নির্বাহী বিভাগ ও আইনবিভাগ । আইনবিভাগের স্বাধীন বিচার কার্যের এবং রায়ের বিরুদ্ধে হরতাল আহ্বান করা বা আইনী প্রক্রিয়ার বাইরে গিয়ে প্রতিবাদ করা শুধু আদালত অবমাননাই নয় রাষ্ট্রদ্রোহিতাও বটে। সে কারণে হরতাল আহ্বানকারীদের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগ ছাড়াও রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগে মামলা দায়ের হতে পারে।

সর্বশেষ এডিট : ২৪ শে নভেম্বর, ২০১৪ সকাল ৯:৪৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


