somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

কে এই মৃণাল হক?

২৯ শে মে, ২০১৭ সকাল ১০:০০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


মৃণাল হক-এর প্রথম শিল্পকর্ম দেখি বিএনপির নেতা তারেক রহমানের জেলে থাকাকালীন কেন্দ্রীয় কারাগারের দেয়ালে একটা মুরালে। সেখানে তারেক রহমান হাত ওঠালেন অগণিত পায়রা উড়ে গেল। বোঝানো হলো আসছে তারেক, শান্তির সুবাতাস বয়ে যাবে দেশে। সেই স্বপ্নের দেশ…………।

খোঁজ নিয়ে জানলাম তিনি (মৃণাল হক) একসময়ে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সাংস্কৃতিক সম্পাদক ছিলেন। বিএনপির মন্ত্রী ব্যারিস্টার আমিনুল হকের শ্যালক।

তার বাবা অধ্যাপক একরামুল হক ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য। ভগ্নীপতিও দলটির নেতা। হিসাবটা মিলালাম। কিন্তু আমাদের বিচারালয়ে তার গ্রীক দেবীর বিষয়টা মিলাতে পারলাম না। তাকেই জিজ্ঞাসা করেছিলাম আবহমানকালের বর্ণিল ঐতিহ্যে লালিত বাংগালি জাতি কি গ্রীক ঐতিহ্যের উত্তরসূরি?

কুমকুম আক্তারের ফেইসবুক স্ট্যাটাস থেকে আরো বিস্তারিত কিছু কথা ও এই শিল্পীর সাতকাহন:
ছাত্রদলের সাবেক সাংস্কৃতিক সম্পাদক মৃণাল হক ক্ষমতাধর আইন অধিপতির সাথে যোগসাজশে দৃষ্টিনন্দন নয়, অথচ নিম্নমানের ভাস্কর্য সুপ্রিম কোর্টের সামনে স্থাপন করে ভালোই চাল চেলেছেন, তাঁদের প্রত্যাশিত অশান্তি বাংলাদেশে চলছে, একদিকে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষ শক্তির মধ্যে রাগ অনুরাগ, বামদের অপরিণামদর্শী কার্যকলাপ, হেফাজতিদের আস্ফালন, সবই সমান তালে প্রিয় বাংলাদেশে চলছে।

কে এই ভাস্কর মৃণাল হক?
ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে তথ্য বেরিয়ে এসেছে তা ভাইরাল হয়ে ছড়িয়ে পড়েছে, পাঠকদের অবহিত করার জন্য পুনরায় উল্লেখ করছি–

ভাস্কর মৃণাল হক সাবেক সাংস্কৃতিক সম্পাদক, জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল। পিতা-অধ্যাপক একরামুল হক, বি এন পি,র সর্বোচ্চ নীতি নির্ধারণী সংস্থা স্ট্যান্ডিং কমিটির সাবেক সদস্য। ভগ্নীপতি রাজশাহীতে জঙ্গি উত্থানের অন্যতম মদদদাতা সাবেক মন্ত্রী ব্যারিস্টার আমিনুল হক।

মৃণাল হক নব্বুই দশকে নিউইয়র্কে বসবাস করতেন, জাতীয়তাবাদী ঘরানার পত্রিকা ‘ঠিকানা’য় তখন এক সাক্ষাৎকারে ঔদ্ধত্য নিয়ে বলেছিলেন, ‘ইচ্ছে ছিল আমি নিজে গিয়ে শেখ মুজিবকে হত্যা করি।’

২০১৩ সালের ৫ জানুয়ারির মত এবারেও এটি একটি দাবার চাল, ফলে ভাইয়ে ভাইয়ে কলহ শুরু হয়ে গেছে। না বুঝে অনেকে ভাস্কর্য সরানো নিয়ে শাহবাগ উত্তপ্ত করছে, আমরাও বিভ্রান্ত হয়ে সরকারকে ভুল বুঝছি, উত্তপ্ত পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার জন্য প্রধান বিচারপতির নির্দেশেই এটা সরানো হয়েছে। পূনশ্চঃ মৃণাল বিতর্কিত লেখিকা আওয়ামী লীগ এর পিণ্ডি চটকানোতে পারদর্শী মিনা ফারাহ’র ঘনিষ্ঠ বন্ধু। নিউইয়র্কে একসময়ের হিন্দু মিনা রানী জলদাশ ও পরে খতনা করা জামায়াতের সাথী, নও মুসলিম ও নয়াদিগন্ত পত্রিকার কলাম লেখক মিনা ফারাহ’র অফিসের সামনের মুরালও মৃণালেরই করা। সেখানে দেবী চণ্ডীর চণ্ডাল মূর্তি।

ভাস্কর মৃণাল হক কি ভাবে হাইকোর্টের সামনে এই ভাস্কর্য স্থাপনের কাজ পেলেন?
দেশ যখন উত্তপ্ত তখন বর্তমান সরকারের এক আদর্শিক যোদ্ধা কুমকুম আক্তারের এক পোস্টের বিপরীতে একজন ফেইসবুক বন্ধু দলছুট নক্ষত্র এভাবে মন্তব্য করছেন–

‘কাকতালীয়ভাবে হাইকোর্টের সামনে মূর্তির যে কাজটা হয়েছে, তার প্রেক্ষাপট আমি জানি, এই কাজটার জন্য যে টেন্ডার পেয়েছিলো তাঁর নাম আসিকুর রহমান। প্রধান বিচারপতি মেয়র সাইদ খোকনের সাথে ৩ দফা মিটিং এবং প্রজেক্টর দেখানো হয়েছিলো। কিন্তু প্রধান বিচারপতি সব বাদ দিয়ে কখন যে কাজটি করে ফেলেছেন তা আসিকুর রহমান তো দুরের কথা, মেয়র সাইদ খোকনও জানেন না।
চিটাগাং এর একটি প্রতিষ্ঠানের সাথে আসিকের চুক্তি হয়, আসিক এ কাজটা পাওয়ার জন্য ৩ লক্ষ টাকা খরচ করে ফেলেছেন, পরে হতাশ হয়ে পড়ে এবং মেয়র সাইদ খোকন তাঁকে অন্য একটা কাজ দেওয়ার কথা বলে। আমার কাছে প্রতিটি কাজের প্রমাণ আছে, আসিক এখন দার্জিলিংয়ে আছে।’
সুত্র
ভাস্কর্য ইস্যুতে আন্দোলনের সঙ্গে জড়িত অনেকেই এখন বলছেন, ২০১৩ সালের ৫ জানুয়ারির মত এবারেও এটি একটি দাবার চাল, ফলে ভাইয়ে ভাইয়ে কলহ শুরু হয়ে গেছে। না বুঝে অনেকে ভাস্কর্য সরানো নিয়ে শাহবাগ উত্তপ্ত করছে, আমরাও বিভ্রান্ত হয়ে সরকারকে ভুল বুঝছি, উত্তপ্ত পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার জন্য প্রধান বিচারপতির নির্দেশেই এটা সরানো হয়েছে এবং পুনঃস্থাপন করা হয়েছে।
সর্বশেষ এডিট : ২৯ শে মে, ২০১৭ সকাল ১০:২০
১৬টি মন্তব্য ২টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

নির্ভীক অভিযাত্রা

লিখেছেন আকিব হাসান জাভেদ, ১৭ ই আগস্ট, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৩৩

আমি চলি ঐ প্রান্তে,
যেখানে অসৎ থেকে মানুষ হয়েছে সৎ।
আমি চলি উড়ে উড়ে,
ডানাহীন পাখির মতো,
যেখানে দুর্বলতাকে জয় করে
হয়েছে দুঃসাহস।
আমি চলি শক্তির সাথে,
দেহ যায় না ঝুঁকে।
করি না প্রণাম,
করি না চাটুকারিতা আর... ...বাকিটুকু পড়ুন

চুপ - একদম চুপ

লিখেছেন ঠাকুরমাহমুদ, ১৭ ই আগস্ট, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৫৭



আমরা শুধু চুপ থাকবো -
আমাদের কথা বলার মুখ নেই
আমাদের দেখার মতো চোখ নেই
আমাদের শোনার মতো কান নেই
মনে হয়, মনে হয় -
আমাদের হাত-পাও নেই।

আমাদের বিবেক নেই
আমাদের চিন্তা-চেতনাও নেই
আমরা... ...বাকিটুকু পড়ুন

তবুও বেঁচে আছি

লিখেছেন সালমান মাহফুজ, ১৭ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ৯:১৫

এই নিথর নগ্ন শরীরের প্রতিটা পল্লবের করুণ আর্তচিৎকার
পৃথিবীর মাটি ভেদ করে কোনদিনও
ওই মৃত কানে পৌঁছাবে না
আমি জেনে গেছি ।

বিপন্ন আকাশের গায়ে লেপ্টে থাকা
দেবতাদের প্রতারণার ফাঁদ আর মিথ্যা প্রলোভনের গল্পগুলি
আমার শুনতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

জুলাই মিউজিয়ামঃ স্মৃতির বিরুদ্ধে বিস্মৃতির লড়াই....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ১৭ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ১০:৫৩



জুলাই মিউজিয়ামঃ স্মৃতির বিরুদ্ধে বিস্মৃতির লড়াই....

১৫ আগস্ট আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে গিয়েছিলাম জুলাই মিউজিয়ামে। সেখানে গিয়ে মনে হলো- এটি শুধু একটি জাদুঘর নয়; এটি বাংলাদেশের সাম্প্রতিক ইতিহাসের এক ভয়াবহ অধ্যায়ের বিরুদ্ধে... ...বাকিটুকু পড়ুন

হিজিবিজি নদী চলে মন উদাসের দেশে !

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ১৮ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ১২:০২





হিজিবিজি নদী চলে মন উদাসের দেশে !

...................................................................
মানচিত্রের আঁকাবাঁকা রেখায় তারে পাবেনা,
সে নদী তো চেনা কোনো ঠিকানায় যাবে না।
তার কোনো কূল নেই, নেই কোনো ঘাট,
সে বয়ে চলে একা, বুক জুড়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×