somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

যেভাবে হয় ইউনিভার্সিটি র‌্যাংকিং

০৫ ই জুলাই, ২০০৭ বিকাল ৩:২২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

কীভাবে এলো র‌্যাংকিং : ১৯৮৩ সালে প্রথমবারের মতো ইউএস নিউজ যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি এবং কলেজগুলোর র‌্যাংকিং প্রকাশ করে। এটিই ছিল ইউনিভার্সিটি নিয়ে প্রথম র‌্যাংকিং। তারপর এই র‌্যাংকিংকেই অনুসরণ করে ১৯৯২ সালে বেস্ট ৩৫৭ কলেজ নামে প্রিন্সটন রিভিউ বুক প্রকাশিত হয়। ১৯৯৭ সাল থেকে এশিয়াউইক এশিয়ার ইউনিভার্সিটির র‌্যাংকিং প্রকাশ শুরু করে। এশিয়াউইক এশিয়াস বেস্ট ইউনিভার্সিটি নামে ২০০০ সাল পর্যন্ত এ র‌্যাংকিং প্রকাশ করে। ২০০১ সালে সানডে টাইমস প্রথম যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটিগুলোর মধ্যে র‌্যাংকিং প্রকাশ করে। ২০০৩ সালে সাংহাই জিয়াও টং ইউনিভার্সিটির হায়ার এডুকেশন ইনস্টিটিউট প্রথম ইউনিভার্সিটিগুলোর ওয়ার্ল্ড একাডেমিক র‌্যাংকিং প্রকাশ করে। দি টাইমসের হায়ার এডুকেশন সাপ্লিমেন্ট ২০০৪ সালে তাদের প্রথম ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি র‌্যাংকিং প্রকাশ করে। পৃথিবীব্যাপী শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিপুল জনপ্রিয়তা পায় টাইমসের এই র‌্যাংকিং। গুগল র‌্যাংকিং নামে একটি র‌্যাংকিং প্রচলিত। গুগল সার্চ ইঞ্জিনের মাধ্যমে নির্ধারিত এই র‌্যাংকিংটি প্রদান করেছেন স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটির একজন শিক্ষার্থী। তবে এটি এতটা জনপ্রিয়তা পায়নি।
২০০৬ সালের আগষ্টে নিউজউইক টপ হান্ড্রেড গ্লোবাল ইউনিভার্সিটিস নামে একটি র‌্যাংকিং প্রকাশ করে। এটি বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছে। এরই মধ্যে এ র‌্যাংকিংটি বিশ্বাসযোগ্য র‌্যাংকিং হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে।
ইউনিভার্সিটি র‌্যাংকিং যেভাবে কাজ করে : কীভাবে নির্ধারিত হয় ইউনিভার্সিটি র‌্যাংকিংÑ এ নিয়ে অনেকেরই বেশ আগ্রহ রয়েছে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের র‌্যাংকিং বিভিন্নভাবে নির্ধারিত হয়। তবে র‌্যাংকিংগুলোর মুল উদ্দেশ্য থাকে এর মাধ্যমে ভালো মানের ইউনিভার্সিটিগুলো বের করে আনা। বিশ্বের এখনকার সময়ে তিনটি জনপ্রিয় র‌্যাংকিং হচ্ছে সাংহাই জিয়াও টং ইউনিভার্সিটির ওয়ার্ল্ড একাডেমিক র‌্যাংকিং অব ইউনিভার্সিটিস, দি টাইমসের হায়ার এডুকেশন সাপ্লিমেন্টের ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি র‌্যাংকিং এবং নিউজউইক ম্যাগাজিনের টপ হান্ড্রেড গ্লোবাল ইউনিভার্সিটিস।
এবার জেনে নেওয়া যাক এ তিনটি র‌্যাংকিং কীভাবে নির্ধারিত হয়Ñ
সাংহাই জিয়াও টং ইউনিভার্সিটির ওয়ার্ল্ড একাডেমিক র‌্যাংকিং অব ইউনিভার্সিটিস নির্ধারিত হয় ১০০ নম্বরের ভিত্তিতে। তবে এক্ষেত্রে ছয়টি ফ্যাক্টর কাজ করে।
* ৩০ শতাংশ নির্ভর করে ইউনিভার্সিটির অ্যালামনাই এবং স্টাফদের নোবেল প্রাইজ অথবা গণিতের জন্য ফিল্ড মেডেল জেতার ওপর।
* ৬০ শতাংশ নম্বর প্রকাশিত আর্টিকেল এবং বিভিন্ন প্রকাশনায় উদ্ধৃতিদানের ওপর নির্ভর করে।
* বাকি ১০ শতাংশ নম্বর নির্ভর করে প্রতিষ্ঠানের আকারের ওপর।
দি টাইমসের হায়ার এডুকেশন সাপ্লিমেন্টের ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি র‌্যাংকিং ১০০ নম্বরের ভিত্তিতে করা হয়।
* র‌্যাংকিংয়ের ৫০ শতাংশ একাডেমিকদের ওপর জরিপের ভিত্তিতে দেওয়া হয়। এক্ষেত্রে একাডেমিকরা তাদের ইউনিভার্সিটিকে সেরা মনে করে কি-না এটি অনেক গুরুত্বপুর্ন।
* বিদেশি শিক্ষার্থী এবং স্টাফের আনুপাতিক পরিমাণের ওপর ১০ শতাংশ নম্বর নির্ধারিত হয়।
* স্টাফ ও স্টুডেন্ট আনুপাতিক পরিমাণের ওপর ২০ শতাংশ নম্বর নির্ভর করে।
* বাকি ২০ শতাংশ নম্বর নির্ভর করে ইউনিভার্সিটি স্টাফদের নিবন্ধের ওপর।
নিউজউইক ম্যাগাজিন ২০০৬ সালে তাদের র‌্যাংকিং প্রকাশ করে। আগের দুটি র‌্যাংকিংকে বিশ্লেষণ করে তারা এ নতুন র‌্যাংকিং প্রকাশ করেছে। পাশাপাশি তারা শিক্ষাব্যবস্থা, শিক্ষার্থী ও শিক্ষক অনুপাত, লাইব্রেরি সুবিধা, আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের সুযোগের বিষয়গুলোতে নজর দিয়েছে।
সর্বশেষ এডিট : ০৫ ই জুলাই, ২০০৭ বিকাল ৩:২৮
১০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

নিউইয়র্কের ডায়েরী ২: এভাবেই জীবন কেটে যাচ্ছে জীবনের নিয়মে

লিখেছেন কাছের-মানুষ, ০৪ ঠা জুলাই, ২০২৬ রাত ১১:৩৯


লং আইল্যান্ডের একটি রাসবেরি ফার্মে গত সপ্তাহে

এক লোক একটা মাছি মারার জন্য পেপার গোল করে তাড়া করছে। মাছিটি উড়ে গিয়ে দেয়ালে বসল। লোকটা যেই মারতে যাবে, মাছিটি হাতজোড় করে... ...বাকিটুকু পড়ুন

হোমিওপ্যাথি হচ্ছে একটি ধাপ্পাবাজ কিবিরাজি চিকিৎসা পদ্ধতি এর বৈজ্ঞানিক কোন ভিত্তি নেই

লিখেছেন জ্যাক স্মিথ, ০৫ ই জুলাই, ২০২৬ রাত ১:০৪



হোমিওপ্যাথি যে একটি ভাঁতাবাজি চিকিৎসা পদ্ধতি তা আমি আগেও জানতাম কিন্তু আমি কখনো এর বিরুদ্ধে কথা বলিনি বা কোথাও কিছু লিখিনি- তবে আজ কি মনে করে চ্যাটজিপিটির কাছে... ...বাকিটুকু পড়ুন

বিপ্লবের শরিকরা

লিখেছেন তানভীর রাতুল, ০৫ ই জুলাই, ২০২৬ রাত ২:৪১

যারা বিপ্লব আনে, তারা বিপ্লব টেকায় না। যারা বিপ্লব টেকায়, তারা শরিকদের টেকায় না। ১৯৭৯ সালে ইরানে খোমিনি ক্ষমতায় এসেছিল বামদের কাঁধে চড়ে। কমিউনিস্ট, সেকুলার, নারীবাদী—সবাই শাহের বিরুদ্ধে এক কাতারে... ...বাকিটুকু পড়ুন

পাহাড় আমি ভালোবাসি

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ০৫ ই জুলাই, ২০২৬ দুপুর ২:৪৩

পাহাড় আমি ভালোবাসি
...........................................



চললাম তবে তোমার সাথে,
হাতটি রেখে হাত বাড়াতে।
পিছুটানের বাঁধন ছিঁড়ে,
হারাবো ওই মেঘের ভিড়ে।

পাহাড় চূড়ায় রোদের হাসি,
শুনছো ! তোমায় ভালোবাসি।
চলবে নদী আপন বেগে,
নতুন কোনো আশার মেঘে।

ইচ্ছেগুলো পাক না ডানা,
আজকে... ...বাকিটুকু পড়ুন

পৃথিবীতে শ্রেষ্ঠ সম্পদ কি?

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৫ ই জুলাই, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:২১



এই মুহুর্তে আমি গাজীপুর যাচ্ছি।
সময় সকাল দশটা। রবিবার। রাস্তায় জ্যাম যেতে অনেক সময় লাগবে। লাগুক। সমস্যা নেই, হাতে অনেক সময় আছে। আজ আমার কোনো কাজ নেই। বউ বাচ্চা বাসায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

×