২০০৬ সালের আগষ্টে নিউজউইক টপ হান্ড্রেড গ্লোবাল ইউনিভার্সিটিস নামে একটি র্যাংকিং প্রকাশ করে। এটি বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছে। এরই মধ্যে এ র্যাংকিংটি বিশ্বাসযোগ্য র্যাংকিং হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে।
ইউনিভার্সিটি র্যাংকিং যেভাবে কাজ করে : কীভাবে নির্ধারিত হয় ইউনিভার্সিটি র্যাংকিংÑ এ নিয়ে অনেকেরই বেশ আগ্রহ রয়েছে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের র্যাংকিং বিভিন্নভাবে নির্ধারিত হয়। তবে র্যাংকিংগুলোর মুল উদ্দেশ্য থাকে এর মাধ্যমে ভালো মানের ইউনিভার্সিটিগুলো বের করে আনা। বিশ্বের এখনকার সময়ে তিনটি জনপ্রিয় র্যাংকিং হচ্ছে সাংহাই জিয়াও টং ইউনিভার্সিটির ওয়ার্ল্ড একাডেমিক র্যাংকিং অব ইউনিভার্সিটিস, দি টাইমসের হায়ার এডুকেশন সাপ্লিমেন্টের ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি র্যাংকিং এবং নিউজউইক ম্যাগাজিনের টপ হান্ড্রেড গ্লোবাল ইউনিভার্সিটিস।
এবার জেনে নেওয়া যাক এ তিনটি র্যাংকিং কীভাবে নির্ধারিত হয়Ñ
সাংহাই জিয়াও টং ইউনিভার্সিটির ওয়ার্ল্ড একাডেমিক র্যাংকিং অব ইউনিভার্সিটিস নির্ধারিত হয় ১০০ নম্বরের ভিত্তিতে। তবে এক্ষেত্রে ছয়টি ফ্যাক্টর কাজ করে।
* ৩০ শতাংশ নির্ভর করে ইউনিভার্সিটির অ্যালামনাই এবং স্টাফদের নোবেল প্রাইজ অথবা গণিতের জন্য ফিল্ড মেডেল জেতার ওপর।
* ৬০ শতাংশ নম্বর প্রকাশিত আর্টিকেল এবং বিভিন্ন প্রকাশনায় উদ্ধৃতিদানের ওপর নির্ভর করে।
* বাকি ১০ শতাংশ নম্বর নির্ভর করে প্রতিষ্ঠানের আকারের ওপর।
দি টাইমসের হায়ার এডুকেশন সাপ্লিমেন্টের ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি র্যাংকিং ১০০ নম্বরের ভিত্তিতে করা হয়।
* র্যাংকিংয়ের ৫০ শতাংশ একাডেমিকদের ওপর জরিপের ভিত্তিতে দেওয়া হয়। এক্ষেত্রে একাডেমিকরা তাদের ইউনিভার্সিটিকে সেরা মনে করে কি-না এটি অনেক গুরুত্বপুর্ন।
* বিদেশি শিক্ষার্থী এবং স্টাফের আনুপাতিক পরিমাণের ওপর ১০ শতাংশ নম্বর নির্ধারিত হয়।
* স্টাফ ও স্টুডেন্ট আনুপাতিক পরিমাণের ওপর ২০ শতাংশ নম্বর নির্ভর করে।
* বাকি ২০ শতাংশ নম্বর নির্ভর করে ইউনিভার্সিটি স্টাফদের নিবন্ধের ওপর।
নিউজউইক ম্যাগাজিন ২০০৬ সালে তাদের র্যাংকিং প্রকাশ করে। আগের দুটি র্যাংকিংকে বিশ্লেষণ করে তারা এ নতুন র্যাংকিং প্রকাশ করেছে। পাশাপাশি তারা শিক্ষাব্যবস্থা, শিক্ষার্থী ও শিক্ষক অনুপাত, লাইব্রেরি সুবিধা, আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের সুযোগের বিষয়গুলোতে নজর দিয়েছে।
সর্বশেষ এডিট : ০৫ ই জুলাই, ২০০৭ বিকাল ৩:২৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



