বর্তমানে এই আধুনিক বিশ্বেও ভারতে যে জাহেলিয়াতের ভয়ংকর দ্শ্য দেখা যাচ্ছে সেটা দিনের পর দিন বেড়েই চলেছে । এক প্রকার অসাধু নার্সিংহোম এবং বিশেষভাবে জনগনের ব্যাপক চাহিদাই ভারতে কন্যাভ্রুন বেড়েই চলেছে । ভারতীয় কেন্দ্রীয় সরকার কন্যাভ্রুন কঠোরভাবেই নিশিদ্ধ করে দেয় ; কিন্তু জনসাধারনের ব্যাপক চাহিদার জন্য একের পর এক বেড়েই চলেছে ।
সাধারণত যেসব পরিবারে পুত্র সন্তান নেই তাদের মধ্যে কন্যা জন্মানোর হার অনেক কম । প্রতি বছর ভারতে গড়ে 5 লক্ষ কন্যাভ্রুন গর্ভপাত ঘটিয়ে নষ্ট করে দেওয়া হয় । তার মানে , প্রতি 25টি কন্যাভ্রুনের একটি করে নষ্ট করা হচ্ছে । এভাবে যদি বাড়তেই থাকে তাহলে অদূর ভবিষ্যতে জনসংখ্যা বিন্যাসে বিরাট প্রভাব ফেলবে ।
আর মুলত এর কারনেই বেড়ে যাবে নান রকম অসামাজিক পরিস্থিতি । যেমন ; পুরুষদের থাকতে হবে অবিবাহিত হয়ে ; এইডসের সংখ্যা কমার তো কোনো পরিস্থিতি নেই-ই বরং বাড়তেই থাকবে । সমকামীদের সংখ্যা বেড়ে যাবে আর সবথেকে যে জিনিসটি সংকটে ফেলবে সেটি ইতিমধ্যে শুরুই হয়ে গিয়েছে । সেটি হলো দ্রৌপদী প্রথা । কোনো পরিবারের বড় ভাই বিয়ে করলে অন্য ভাইদের আর বিয়ে করতে হচ্ছে না । বৌদিকেই মেটাতে হচ্ছে দেবরদের প্রোয়োজন ।
ভারতের জন গননার রিপোর্ট দেখলে জিনিসটা সহজ হয়ে যায় ।
1991 সালে ভারতে হাজারে পুরুষের বিপরীত ছিলো 945 জন নারী আর 2001 এ সেটা নেমে এসেছে প্রতি হাজারে 927 জন । কোনো কোনো প্রদেশে তো এটির সংখ্যা 800তে এসে দাড়িয়েছে ।
কিছু কিছু প্রদেশের মানুষেরা এটাকে পাপ বলে মনে করে না তবে এটি আইনগত অপরাধ বলে মনে করে ।
এই কন্যাভ্রুন কমাতে ব্যাপক সামাজিক শিক্ষার প্রয়োজন । আধুনিক বিশ্বে কোনোরকমই হতে দেওয়া সম্ভব নয় এরকম ভয়াবহ কাজকে । সবাইকেই এগিয়ে আসতে হবে এটা প্রতিরোধের জন্য ।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


