somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

তারেক সালমান জাবেদ
তন্ত্র,মন্ত্র যতই জপি না কেন জবানে,যৌবনের আসিলে ঋতু রাজে,কোকিল কুহু কুহু সুরে গান করে, আমি পাগল তোমারি,প্রেম সুধা পানে, ভোমর পান করে মধু ফুলে বসে ,সে হোক গোলাপ বৈকি ঘাঁস ফুলে।আমার পরিচয় ছন্দের মাঝে।।

নারী ও শিশু নির্যাতন বন্ধ হবে কখন

২৪ শে অক্টোবর, ২০১৫ ভোর ৪:৩৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


সভ্যতা দিনে দিনে যত এগিয়ে যাচ্ছে, সমাজ ও দেশ তারই সাথে তাল মিলিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে,মানুষে বিচার-বুদ্ধির ক্ষমতা সাম্প্রতিক সময়ে সমাজের কল্যানে অগ্রণী ভুমিকা পালন করছে।আজ মানব সভ্যতা উচ্চ মর্যাদার আসলে অধিষ্ঠিত।

উপরুক্ত কথা গুলো কেন বললাম তার আগে সাম্প্রতিক সময়ে কিছু শিশু ধর্ষন,শিশু শ্রমিক,শিশুদের দিয়ে অপরাধ সংঘঠিত করা ও শিশু নির্যাতন সম্পর্কে একটি প্রতিবেদন দেখি:-

আজ থেকে ২ দিন পূর্বে ঢাকার দোহার উপজেলার মুকসেদপুর ইউনিয়নের পল্লী বাজার এলাকায় ৭ম শ্রেনীর এক স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষন করে বখাটে সরুজ , সেলিম, রানা ও সিরাজ নামের ৪ জন। মেয়েটি দোহার উপজেলার মধুরখোলা উচ্চ বিদ্যালয়ের ৭ম শ্রেনীর ছাত্রী। বখাটেরা মেয়েটিকে জোরপূর্বক ধরে পাশের ময়নার বস্তিতে নিয়ে মুখবেঁধে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। ধর্ষণকারী সুরুজ ও সেলিম উপজেলার মধূর খোলা গ্রামের বাসীন্দা এবং রানা ও সিরাজ উপজেলার রুইতা গ্রামের বাসীন্দা।

এখানে একটি কথা না বললে না হয়,ধর্ষনকরীদের বিরুদ্ধে থানায় মামলা হলো কিন্তু আসামিদের একজনকে ও আজ পর্যন্ত পুলিশ ধরতে পারলো না কেন? নাকি নির্যাতনের শিকার শিক্ষার্থীর বাবা মফজেল শেখএকজন ভ্যান চালক তাই পুলিশকে মোটা অঙ্কের টাকা দিতে পারেন নাই সে জন্য। যেখানে রাজন হত্যা মামলার আসামি ২৪ ঘন্টার মাঝে গ্রেফতার করতে পুলিশ সক্ষম সেখানে ২ দিন পার হয়ে গেলো কিছুই হলো না। জনগন জেগেছিল রাজন হত্যার নরপশুদের ধরিয়ে দিতে তাই সম্ভব হয়েছিলো। জনগন কে জাগতে হবে আমরা চাই ঐ বখাটে সরুজ , সেলিম, রানা ও সিরাজ নামের ৪ জন নরপশুর ছবি বাংলাদেশের প্রতিটি এলাকার গ্রামে,বাজারে পোষ্টারে মাধ্যমে দেয়ালে লাগানো হোক।

শুনা যাক আরেকটি ধর্ষণের কথা:-তিনি অবশ্য শিশু নন তবে এই ঘটনাটি ও মনকে মর্মাহত করে, পত্রিকার নিউজে পড়েছিলাম,মেয়টির নাম উল্লেখ নেই,মেয়েটির স্বপ্ন ছিল জজ হবার তাই ঢাকার একটি বেসরকারি ইউনিভার্সিটিতে ভর্তি হয়েছিলেন,সম্ভবত মেয়টির সম্মান রক্ষার্থে পরিচয় দেয়া হয়নি।এছাডা গতকাল সকালে মানিকগঞ্জের একটি হাসপাতালে পাঁচ দিন ধরে চিকিৎসাধীন ওই ছাত্রীর সঙ্গে দেখা করেছেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মহাপরিচালক (প্রশাসন) ও এনডিপি  প্রোগ্রামের জাতীয় প্রকল্প পরিচালক কবির বিন আনোয়ার। ছাত্রীর সঙ্গে দেখা শেষে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, এটি একটি দুর্ঘটনা মাত্র। অপরাধীদের শাস্তির জন্য তার পরিবারকে সর্বোচ্চ আইনি সহায়তা দেয়া হবে। এ ছাড়া মেয়েটির জজ হওয়ার আশা পূরণে সরকার সব ধরনের সহযোগিতা। ভালো কথা তিনিতো বললেন না মেয়েটির হারানো ইজ্জত ফিরিয়ে দেবেন।আর তা তিনি কোন দিন ও পারবেন না। শনিবার বনানীর একটি ছাত্রীনিবাসের সামনে থেকে বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া ওই ছাত্রীকে জোর করে একটি প্রাইভেটকারে তুলে নিয়ে যায়। এর পর নির্জন জায়গায় নিয়ে তার হাত-পা বেঁধে গাড়ির ভেতরেই জোরপূর্বক ধর্ষণ করে সবুজ। শরীরের ওপর চালায় অমানসিক নির্যাতন। গাড়ির চালক  ধর্ষণ ও নির্যাতনের  ভিডিও চিত্র তার মুঠোফোনে ধারণ করে। পরে বিকালের দিকে অনেকটা বিবস্ত্র অবস্থায় সবুজ তাকে ছাত্রী নিবাসের সামনে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। সবুজ কে পুলিশ ধরেছে কিন্তু গাড়ী চালক ও তার সহযোগি এখনো পুলিশ ধরতে পারিনি।


এই হলো মাত্র দুটি ঘটনার সামান্য বিবরণ,আরেক টি ঘঠনা পরেছিলাম -হাতীবান্ধায় পূঁজার ছুটিতে নানার বাড়ি বেড়াতে এসে ধর্ষণের শিকার হয়েছে তৃতীয় শ্রেণীর এক ছাত্রী। শিশুটিকে ধর্ষণের পর বাঁশঝাড়ে ফেলে পালিয়ে গেছে ধর্ষক। গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় শিশুটির নানার বাড়ির এলাকায় পূঁজা মন্ডপ দেখতে যায় সে সহ তিন শিশু। তারা পূঁজা মন্ডপ দেখার সময় সাদা শার্ট ও কালো প্যান্ট পড়া এক যুবক তাদের কে চকলেট কিনে দেয়ার কথা বলে ডেকে নিয়ে। পরে কিছুদূর সামনে গিয়ে দু‘জন শিশুর হাতে ৫টাকা ধরিয়ে দিয়ে চকলেট আনতে পাঠায় সেই যুবক। এই ফাঁকে সেখানে একা থাকা তৃতীয় শ্রেনীর শিশুটির মুখে চেপে ধরে অদূরের বাঁশঝাড়ের ভিতরে নিয়ে ধর্ষণ করে পালিয়ে যায়। হায়রে মানুষ আর মানবতা,দয়া মায়া বলতে কি কিছুই নেই।


আমাদের দেশে নারী ও শিশু নির্যাতনের উপর আইন আছে কিন্তু তার কতটুকু প্রয়োগ হচ্ছে জানিনা। গত ২৮ জুলাই ২০১৩ বাংলাদেশের প্রথম সারির পত্রিকা "প্রথম আলোতে"দেয়া কয়েক জন গুনি ব্যাক্তির সাক্ষাত কারের কিছু তুলে ধরলাম।

০১/শিশুদের সুরক্ষার জন্য শিশু আইন তৈরি করা হয়েছে। এমন একটি আইনের খুবই প্রয়োজন ছিল। কিন্তু শুধু আইন করেই শিশুদের রক্ষা করা যাবে না, এর জন্য সবাইকে সচেতন হতে হবে। প্রয়োজন বুঝে আইনের প্রয়োগ ঘটাতে হবে।
জাতিসংঘের শিশু অধিকার সনদে শিশুর যে কয়টি অধিকারের কথা বলা হয়েছে, তা যেন আমাদের দেশের শিশুরা পায়, সে জন্য সবাইকে কাজ করতে হবে।
শিশুর ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে হবে। শিশুকে কখনোই রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডসহ অন্যান্য ঝুঁকিপূর্ণ কাজে ব্যবহার করা উচিত নয়।
উন্নত বিশ্বের কোনো দেশেই শিশুর প্রতি এমন অবিচার করা হয় না। শিশুকে ঝুঁকিপূর্ণ কাজে নিয়োগ বন্ধ করতে হবে। শিশুর বেড়ে ওঠার জন্য অনুকূল পরিবেশ দিতে হবে। সর্বোপরি শিশুকে স্বাধীনভাবে বেড়ে ওঠার জন্য সবাইকে একসঙ্গে হ্যাঁ বলতে হবে।
শফিক আহমেদ
আইনমন্ত্রী

০২/হাসান মাহমুদ খন্দকার
পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) শিশু আইন, ২০১৩ শিশুদের জন্য কল্যাণমূলক একটি আইন। আগেও এ আইন ছিল। যুগোপযোগী করে নতুন করে আইনটি পাস হওয়ায় আমরা খুবই সন্তুষ্ট।
আইনে শিশুর প্রতি সব অন্যায় আচরণের জন্য দণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।
এ আইন বাস্তবায়নের দায়িত্ব পুলিশের পাশাপাশি সমাজের সর্বস্তরের মানুষের। এ আইনে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে শিশুদের ব্যবহার নিষিদ্ধ করার ও ব্যবহারকারীকে শাস্তির যে বিধান রয়েছে, তা বাস্তবায়নেও পুলিশ অত্যন্ত দায়িত্ববান হবে। তবে তার আগে অন্যদের সচেতন হতে হবে।
বিশেষ করে রাজনৈতিক দলগুলোকে এ বিষয়ে বেশি মনোযোগ দিতে হবে। সবাইকে এ আইনের কথা জানাতে হবে।এ জন্য ব্যাপক প্রচার ও প্রচারণা চালাতে হবে।

০৩/মিজানুর রহমান

জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান

শিশু আইন পাস হওয়ায় আমরা খুশি। তবে কেবল আইন দিয়ে সব সমস্যার সমাধান করা যায় না। সামাজিক বাস্তবতা পরিবর্তনে আইন সহায়তা করে ঠিকই, কিন্তু এর সঠিক বাস্তবায়ন তখনই ঘটবে, যখন মানুষ আইন মেনে চলবে।
শিশুদের জন্য নতুন আইনটিতে শিশুদের সুরক্ষার জন্য বিভিন্ন বিষয় গুরুত্ব পেয়েছে। এতে শিশুকে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে ব্যবহার করলে ব্যবহারকারীকে শাস্তির বিধান করা হয়েছে। এ ছাড়া প্রতি জেলায় শিশু আদালত তৈরির প্রতি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। কিন্তু আইনটি যেন শুধু কাগজেই সীমাবদ্ধ না থাকে, সে জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে সহায়ক ভূমিকা রাখতে হবে।
কোনো শিশু বা কিশোর অপরাধী আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে ধরা পড়লে সঙ্গে সঙ্গে তাকে অন্যান্য সাধারণ অপরাধী থেকে আলাদা করে কিশোর সংশোধন কর্মকর্তার হাতে তুলে দিতে হবে।
সাধারণ শাস্তি না দিয়ে তার আচরণকে সংশোধন করে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসার সুযোগ দিতে হবে। তবেই শিশু আইনের সুফল পাওয়া যাবে।

উপরুক্ত কথা গুলো সোনার মত খাঁটি ,শিশুরাই হচ্ছে আগামীদিনের ভবিষ্যত,আমাদের সকলের দ্বায়িত্ব শিশুদের নির্যাতন থেকে বিরত থাকা আর নির্যাতিত শিশুদের পাশে দাঁড়ানো।আর কোথাও শিশু নির্যাতন হলে তার প্রতিকার করা।আমাদের কে সচেতন হতে হবে।

বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার ৬৪% নারী ও শিশু। এই জনসংখ্যার জীবন সামাজিক ও অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটে প্রতিবন্ধকতাপূর্ণ। তাই যতদুর সম্ভব প্রতিটি এলাকায় নারী ও শিশু বিষয়ক সংগঠন তৈরি করে তা প্রতিকার করার জন্য আমাদের সমাজের যুবকেরা এগিয়ে আসতে হবে,আসুন আমরা অঙ্গীকার করি,নারী ও শিশুকে সুরক্ষার দ্বায়িত্ব গ্রহণ করি।








সর্বশেষ এডিট : ২৪ শে অক্টোবর, ২০১৫ ভোর ৪:৩৯
১টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

জিন্নাহ কি বাঙালি মুসলমানের শত্রু?

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৩:২৪


মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ পাকিস্তানের স্বপ্নদ্রষ্টা বা পাকিস্তানের জাতির জনক। একজন বাংলাদেশী হয়ে পাকিস্তানের জাতির জনককে নিয়ে আলোচনা করলে কি গুনাহ হতে পারে কিংবা বড় ক্ষতি হতে পারে? বাংলাদেশে জিন্নাহর... ...বাকিটুকু পড়ুন

স্রেফ 'জিন্নাহকে স্মরণ আর বঙ্গবন্ধুকে গালি' রাজাকারি মানসিকতারই উদাহরণ

লিখেছেন শেহজাদ আমান, ১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৩৪



ভারতীয় উপমহাদেশের জাতিসত্তাদের স্বাধীনতা আন্দোলনের অত্যন্ত প্রভাবশালী একজন নেতা হিসেবে মুহাম্মদ আলী জিন্নাহর প্রতি কেউ 'যৌক্তিক' বা তাঁর 'প্রাপ্য' সম্মানটুকু জানাতেই পারেন; তাতে কোনো সমস্যা নেই। কিন্তু, যখন সেই... ...বাকিটুকু পড়ুন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে জিন্নাহর ছবি প্রশ্ন জাগে, আমরা কোন দেশে বাস করি?

লিখেছেন রাবব১৯৭১, ১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১১:৫৯

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে জিন্নাহর ছবি প্রশ্ন জাগে, আমরা কোন দেশে বাস করি?
যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ভাষা আন্দোলনের ইতিহাসের সঙ্গে অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত, যে বাংলাদেশ রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে স্বাধীন হয়েছে সেই বিশ্ববিদ্যালয়ের ডাকসু... ...বাকিটুকু পড়ুন

এগারটি বছর পার হয়ে গেল…. কিছু পরিসংখ্যান নিয়ে একাদশতম বর্ষপূর্তি পোস্ট

লিখেছেন খায়রুল আহসান, ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৮:৪১



পূর্বের বর্ষপূর্তি পোস্টের লিঙ্কঃ দশম বর্ষপূর্তি পোস্ট

সামহোয়্যরইনব্লগে গত ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৫ তারিখ রাত ১১টা ২৬ মিনিটে প্রকাশিত হয় আমার প্রথম কবিতা, বক্ষমাঝে থাকবে তুমি। বলা যায় খুব দ্রুতই, মাত্র তৃতীয়... ...বাকিটুকু পড়ুন

দুঃখ খচিত পতাকা আমার

লিখেছেন এম ডি মুসা, ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১২:২৪


ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পবিত্র প্রাঙ্গণে
আজ হঠাৎ কার ছায়া নামে?
কার দুঃসাহসী কালো হাত
ইতিহাসের বুকের ওপর আঁকে পরাধীনতার নাম?

যে নাম একদিন ভাষার কণ্ঠ রুদ্ধ করতে চেয়েছিল,
যে শাসন একাত্তরে ছড়িয়েছিল মৃত্যুর অন্ধকার
আজ কেন তার... ...বাকিটুকু পড়ুন

×