"সবার উপরে মানুষ সত্য তাহার উপরে নাই"
কথাগুলো কবি বলেছিলেন অনেক উদার মানসিকতা নিয়ে,হয়ত অনেক আশাবাদী হয়ে।কিন্তু,যদি কবি আজ এই সময়টাতে থাকতেন,তাহলে তিনি নিঃসন্দেহে হয়ত কথাটার সাথে কিছু "যোগ-বিয়োগ"করতেন।
আজ একটি সরকারি হাসপাতালে গিয়েছিলাম একজন রুগীকে দেখতে,
-গেটে ঢুকতেই দারোয়ান হাতে কি?
-বললাম ব্যাগ
-দারোয়ান ভাই রেগে গিয়ে---সেটাতো দেখাই যাচ্ছে যে ব্যাগ,ব্যাগের ভিতরে কি?
-আরে ভাই ধ্মক দেন কেন?আপনিই তো বললেন হাতে কি।
-ব্যাগের ভিতর কি কি আছে বের করো,আরো নানা হয়রানি মুলক কথাবার্তা
এবং হাসপাতালের অন্যান্য কর্মকর্তা কর্মচারিদের আচার ব্যাবহার দেখেই বুঝা যায় এখানকার রুগীরা যে কতটা শান্তিতে আছে।
যাইহোক হাসপাতালের কথা বাদ দেন যাবেন সরকারি ব্যাংকে সেখানকার কর্মকর্তা কর্মচারিদের আচার ব্যাবহারও হাসপাতালের দারোয়ানের চেয়ে কম না,সামান্য একটা বিদ্যুৎ বিল দিতে গেলে হতে হয় নানা অনিয়ম আর হয়রানির শিকার,মনে হয় সরকার এদের এখানে জোর করে বসাইছে।এই দেশে ইনকাম ট্যাক্স দিয়ে গেলেও হয়রানির শিকার হতে হয়।
আপনি সরকারি যে প্রতিষ্ঠান বা অফিসেই যান না কেন আপনাকে হয়রানির শিকার হতেই হবে এবং সাথে সাথে হতে হবে অভদ্র বাজে নোংরা ব্যাবহারের শিকার কারন আপনি সাধারন মানুষ।
সরকারী প্রতিষ্ঠানের এরকম কিছু কর্মকর্তা কর্মচারীদের আদব কায়দা,মানবিকতা,ভদ্রতা,দায়িত্ববোধের কেন অভাব?
সর্বশেষ এডিট : ০৪ ঠা জুন, ২০১৭ রাত ১২:১৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




