
২০১৭ সালে নভেম্বর মাসের খবর ছিল পেটে বাচ্চা রেখেই সেলাই। খবরটি এমন ছিল, কুমিল্লার গৃহবধূ খাদিজা আল্ট্রাসনোগ্রামের মাধ্যমে জানতে পারেন তিনি জমজ বাচ্চার মা হতে চলেছেন। কিন্তু কুমিল্লার সিভিল সার্জন হোসনে আরা অস্ত্রপাচার করার পর জানান খাদিজার একটাই বাচ্চা হয়েছে আর একটি টিউমার। তিনি একটি বাচ্চা পেটের ভিতর রেখেই সেলাই করে দেন।খাদিজার আত্মীয়স্বজনরা যখন অন্য বাচ্চার কথা জানতে চান তখন হোসনে আরা বলেন সেটি বাচ্চা নয় টিউমার। পরবর্তীতে টিউমার ভেবে অপারেশন করতে গিয়ে পেটের ভিতর মৃত বাচ্চা পাওয়া যায়। এই হচ্ছে ডাক্তারির নমুনা।
এখন বাংলাদেশে বাচ্চা ডেলিভারি মানেই সিজারিয়ান ডেলিভারি।পৃথিবীর অনন্যা দেশে যেখানে সিজারিয়ান ডেলিভারিকে নিরুৎসাহিত করা হয়। সেখানে আমাদের দেশে নরমাল ডেলিভারি বিষয়টি স্বপ্নেও ভাবতে পারবেন না। এর পিছনে রয়েছে ডাক্তারদের অর্থলাভী মনোভাব।
আমার চাচা ব্লাড ক্যান্সারে মৃত্যুর আগে আমার কাছে আফসোস করে বলেছিলেন। প্রথম থেকে আমার চিকিৎসা যদি ইন্ডিয়াতে করা হতো তাহলে আজ আমাকে মরতে হতো না। চাচার এই কথাটা এখনো আমার কানে বাজে।
প্রথম কয়েক বছর বাংলাদেশের ডাক্তাররা উনার শরীরে কোন রোগই খুজে পাচ্ছিলেন না। মৃত্যুর মাত্র দুইমাস আগেই ধরা পড়ে উনার ক্যান্সার। কাকার সেদিনের সেই বাচার আকুতির কথা ভাবলে বুকটা হাহাকার করে উঠে।
বর্তমানে যে ডাক্তাররা চিকিৎসা করছেন তারা কেউ প্রশ্নফাস জেনারেশনের ডাক্তার নন। এরা সবাই পড়াশুনা করেই ডাক্তার হয়েছেন,তাদেরই এই অবস্থা। এবার বুঝুন ফাস হওয়া প্রশ্নে পরিক্ষা দিয়ে পাস করে যারা ডাক্তার হচ্ছেন তারা আমাদের কেমন চিকিৎসা করবে? আমাদের ভবিষ্যৎ ডাক্তাররা কেমন চিকিৎসার করবেন সেটা ভাবলেই আতকে উঠি।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

