নার্সারি ক্লাসে শিক্ষক কাউন্টিং শেখানোর পর এক ছাত্রকে জিজ্ঞাসা করলেন, নয়ন বলতো তোমার দুই হাতে কয়টা আঙ্গুল? নয়ন উত্তর দিল, ১১টা স্যার। শিক্ষক ধমক দিয়ে বললেন, এই গাধা প্যান্টের পকেট থেকে হাত বের করে আঙ্গুল কাউন্ট কর।
কিছুদিন আগ পর্যন্ত জানা ছিলো একদিনের হরতাল হয় মূলত আধাবেলা। দুপুরের পর আর কোন পিকেটার থাকেনা রাস্তায় গাড়ি বের হয়, ধীরে ধীরে জীবনযাত্রা স্বাভাবিক হয়ে আসে। লাগাতার হরতাল বা অবরোধ ছাড়া কোন হরতালেই দুপুরের পর পিকেটার পাওয়া যেতনা। আর খুব বেশী হলে হরতালের আগের দিন হরতালকারিরা জনমত তৈরির জন্য লিফলেট বিতরণ করতো বা কখনও কখনও সন্ধ্যায় মশাল মিছিল করতো।
বিগত কিছুদিন যাবত বিশেষকরে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার শুরু হওয়ার পর থেকে হরতালের রূপ পাল্টে গেছে। এখন বলা মুশকিল একদিনের হরতাল আসলে কতদিনের? হরতাল ডাকা হচ্ছে হাতে সময় নিয়ে যেন হরতালের আগের দিন ইচ্ছেমত নাশকতা সৃষ্টি করা যায়। আগে হরতালের দুইদিন আগে হরতাল নিয়ে কোন আতংক তৈরি হতনা, আতংক তৈরি হত আগের আগের দিন সন্ধ্যার আগ থেকে। কর্মজীবী মানুষ চেষ্টা করতো হরতালের আগের দিন সন্ধ্যার আগেই তড়িঘড়ি করে ঘরে ফিরতে। রাজধানীর নিদিষ্ট কিছু এলাকায় বিকেল থেকেই গণ পরিবহন চলাচল কমে যেত। চিরচেনা এই ধারাতেও পরিবর্তনের বাতাস লেগেছে। এখন হরতাল ডাকা হচ্ছে কমপক্ষে দুইদিন আগে, সাথে সাথে জনমনে তৈরি হচ্ছে আতংক। ধীরে ধীরে ফাঁকা হচ্ছে রাস্তা, যান চলাচল এবং পথচারি একবারেই কম। দেখে মনেই হবেনা এই শহরে প্রায় দুই কোটি মানুষ বাস করে। এরপর মূল খেলাটা শুরু হয় হরতালের আগের দিন। চিরচেনা সেই সন্ধ্যা পরবর্তী নাশকতা এখন সকাল থেকেই শুরু করে সকাল ১০টা এগারটা থেকেই। ব্যক্তি মালিকানাধিন গাড়ি এই দিনে আর রাস্তায় দেখা যায়না, গণ পরিবহন চলাচলও কম থাকে। আর হরতালের দিনতো হরতালের দিনই। ফজরের নামাজের পর পরই জামাত-শিরিব শুরু করে গাড়ি পোড়ানো আর সুর্য্যি মামা জাগার সাথে সাথে গলির মাঝ থেকে হলুদ ব্যাণার হাতে চোরা গোপ্তা হামলা চালাতে থাকে একদল। পাঠক একটু মনোযোগ দিয়ে খেয়াল করলেই দেখবেন ইদায়িং ছাত্রদলের সমর্থনে যে পিকেটাররা পিকেটিং করছে তাদের বেশীরভাগ ব্যাণারের রং হলুদ। দলে থাকে মাত্র ৫-৬ জন। হ্যালির ধুমকেতুর মত উদয় হয় গলির মাঝ থেকে। হরতাল হরতাল চিৎকার করতে করতে কয়েকটা গাড়ি ভাংবে, ২-৩ টা ককটেল ফোটাবে আর পকেটে থাকা প্লাস্টিকের বোতলের পেট্রোল ঢেলে পোড়াবে একটা গাড়ি। এই দৃশ্য এখন সকলেই মুখস্ত কিন্তু প্রশ্ন হল বেশীরভাগ ব্যাণারের রং হলুদ কেন?
আলোচিত ব্লগ
'ট্রিট' বা 'উদযাপন' মানে স্রেফ খাওয়া-দাওয়াই মূখ্য কেন??

আমাদের উদযাপনটা হয়ে গেছে অনেকটা খাওয়া-দাওয়া কেন্দ্রিক? 'ট্রিট' বা 'সেলিব্রেশন' বলতে আমরা কেবল খাওয়া-দাওয়াকেই বুঝি...কিন্তু এটা কিন্তু ভিন্নরকমভাবেও করা যায় নিঃসন্দেহে!
প্রিয় কেউ ভালো কোনোকিছু করলে, সফলতা পেলে বা... ...বাকিটুকু পড়ুন
মাওলার দায়িত্ব পেয়ে সেই দায়িত্ব পালন না করায় হযরত আলীকে (রা.) মাওলা বলা ঠিক না

সূরাঃ ৬ আনআম, ১৫৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
১৫৩। আর এপথই আমার সিরাতিম মুসতাকিম (সরল পথ)। সুতরাং তোমরা এর অনুসরন করবে, এবং বিভিন্ন পথ অনুসরন করবে না, করলে তা’ তোমাদেরকে... ...বাকিটুকু পড়ুন
জীবন চালাতে শহরে থাকা কিন্তু বেঁচে থাকা যেন বাড়িতেই
ঈদের ছুটিটা কেমন যেন চোখের পলকে শেষ হয়ে গেল। মনে হচ্ছিল, এই তো সেদিন বাড়ি গেলাম—মায়ের হাতের রান্না, বাবার গল্প, ছোট মেয়ের হাসি, আর স্ত্রীর সেই নীরব অভিমান… সবকিছু মিলিয়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন
আমাদের নিজেদের না পাওয়া গুলো অন্যদের পেতে সাহায্য করা উচিত।

আমরা মানুষেরা সবসময় ভালো থাকতে চাই। ভালো খেতে চাই, ভালো পড়তে চাই, ভালো চাকুরী/ব্যবসা করতে চাই। কিন্তু বেশিরভাগ সময়ই আমাদের চাওয়ার সাথে পাওয়ার মিল থাকেনা। এই চাওয়ার সাথে পাওয়ার মিল... ...বাকিটুকু পড়ুন
ধান ভানতে শীবের গীত : প্রজা বলে শীত ! শীত!!
ধান ভানতে শীবের গীত : প্রজা বলে শীত ! শীত!!
সমুদ্রে বড় জাহাজ যখন ডুবতে থাকে, তখন কে ধনী বা কে গরীব প্রকৃতি তার বাছ-বিচার করেনা ।
বা বলা চলে, কে পাপী... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।