একদিনের হরতাল ও হলুদ ব্যাণার
কিছুদিন আগ পর্যন্ত জানা ছিলো একদিনের হরতাল হয় মূলত আধাবেলা। দুপুরের পর আর কোন পিকেটার থাকেনা রাস্তায় গাড়ি বের হয়, ধীরে ধীরে জীবনযাত্রা স্বাভাবিক হয়ে আসে। লাগাতার হরতাল বা অবরোধ ছাড়া কোন হরতালেই দুপুরের পর পিকেটার পাওয়া যেতনা। আর খুব বেশী হলে হরতালের আগের দিন হরতালকারিরা জনমত তৈরির জন্য লিফলেট বিতরণ করতো বা কখনও কখনও সন্ধ্যায় মশাল মিছিল করতো।
বিগত কিছুদিন যাবত বিশেষকরে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার শুরু হওয়ার পর থেকে হরতালের রূপ পাল্টে গেছে। এখন বলা মুশকিল একদিনের হরতাল আসলে কতদিনের? হরতাল ডাকা হচ্ছে হাতে সময় নিয়ে যেন হরতালের আগের দিন ইচ্ছেমত নাশকতা সৃষ্টি করা যায়। আগে হরতালের দুইদিন আগে হরতাল নিয়ে কোন আতংক তৈরি হতনা, আতংক তৈরি হত আগের আগের দিন সন্ধ্যার আগ থেকে। কর্মজীবী মানুষ চেষ্টা করতো হরতালের আগের দিন সন্ধ্যার আগেই তড়িঘড়ি করে ঘরে ফিরতে। রাজধানীর নিদিষ্ট কিছু এলাকায় বিকেল থেকেই গণ পরিবহন চলাচল কমে যেত। চিরচেনা এই ধারাতেও পরিবর্তনের বাতাস লেগেছে। এখন হরতাল ডাকা হচ্ছে কমপক্ষে দুইদিন আগে, সাথে সাথে জনমনে তৈরি হচ্ছে আতংক। ধীরে ধীরে ফাঁকা হচ্ছে রাস্তা, যান চলাচল এবং পথচারি একবারেই কম। দেখে মনেই হবেনা এই শহরে প্রায় দুই কোটি মানুষ বাস করে। এরপর মূল খেলাটা শুরু হয় হরতালের আগের দিন। চিরচেনা সেই সন্ধ্যা পরবর্তী নাশকতা এখন সকাল থেকেই শুরু করে সকাল ১০টা এগারটা থেকেই। ব্যক্তি মালিকানাধিন গাড়ি এই দিনে আর রাস্তায় দেখা যায়না, গণ পরিবহন চলাচলও কম থাকে। আর হরতালের দিনতো হরতালের দিনই। ফজরের নামাজের পর পরই জামাত-শিরিব শুরু করে গাড়ি পোড়ানো আর সুর্য্যি মামা জাগার সাথে সাথে গলির মাঝ থেকে হলুদ ব্যাণার হাতে চোরা গোপ্তা হামলা চালাতে থাকে একদল। পাঠক একটু মনোযোগ দিয়ে খেয়াল করলেই দেখবেন ইদায়িং ছাত্রদলের সমর্থনে যে পিকেটাররা পিকেটিং করছে তাদের বেশীরভাগ ব্যাণারের রং হলুদ। দলে থাকে মাত্র ৫-৬ জন। হ্যালির ধুমকেতুর মত উদয় হয় গলির মাঝ থেকে। হরতাল হরতাল চিৎকার করতে করতে কয়েকটা গাড়ি ভাংবে, ২-৩ টা ককটেল ফোটাবে আর পকেটে থাকা প্লাস্টিকের বোতলের পেট্রোল ঢেলে পোড়াবে একটা গাড়ি। এই দৃশ্য এখন সকলেই মুখস্ত কিন্তু প্রশ্ন হল বেশীরভাগ ব্যাণারের রং হলুদ কেন?
আসলে কেউ ফেরে না।
মৃতরা ফিরে আসে না।
ফিরে আসে তাদের ফেলে যাওয়া শূন্যতা,
চায়ের কাপের ধোঁয়া,
অধেক বলা কোনো কথা
অথবা হঠাৎ থেমে যাওয়া কোন সুর
যে প্রেম চলে গিয়েছিল,
সে আর কোনোদিন দরজায় কড়া নাড়ে না।
শুধু একদিন আয়নায়... ...বাকিটুকু পড়ুন
দ্য ড্রাগ কিং

সতর্কবার্তা: এটি একটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক ক্রাইম ফিকশন। বাস্তব একটি অপরাধের কাঠামোর ওপর ভিত্তি করে পাঠকদের জন্য এর চরিত্র, নাম এবং স্থান পরিবর্তন করে গল্পটি সাজানো হয়েছে।
খুলনা... ...বাকিটুকু পড়ুন
সামুতে আবারও লিলিপুটিয়ানদের সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে
আমার গত পোস্টে আলামিন১০৪ নামের এক ব্লগার মন্তব্য করেছেন যে - "এ আই দিয়ে হুমায়ূন আহমেদের মতো লেখা যায়।"
তিনি এ আই-কে প্রম্পট দিয়েছিলেন ' হুমায়ুন আহমেদের মতো গল্প লিখে... ...বাকিটুকু পড়ুন
ইজিবাইক চলাচলের প্রকৃত কর্তৃপক্ষ কে?

দেশের বিভিন্ন শহর ও গ্রামে ইজিবাইক নামে একটি যানবাহন চলাচল করে। কিন্তু এর পরিচালনা, লাইসেন্সিং এবং চলাচলের ক্ষেত্র সম্পর্কে সুস্পষ্ট ও সর্বজনবিদিত কোনো নীতিমালা সাধারণ মানুষের কাছে দৃশ্যমান নয়।
শহরের ভেতরে,... ...বাকিটুকু পড়ুন
মন কথনিকা-৪৮৭৩-৭৪
মন কথনিকা-৪৮৭৩
তোমার আমার মতামতে আকাশ পাতাল সীমা
আমার বুলি বরফ জলের তোমার যেন বোমা,
তুমি বলো রোদের তেজে আমি বর্ষার মতন
বুকের ভিতর বন্ধু বুঝি পাথর পুষো যতন।
মন কথনিকা-৪৮৭৪
পিঠে ব্যথা ভাল্লাগে না, মন... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।