somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

চিন্তিত নিরন্তর
জীবনের একটা গুরুত্বপূর্ণ সময় পার করে দিয়েছি চিন্তা করতে করতে। কখনো চিন্তা করার উপযুক্ত সময়ে, কখনো পড়তে বসে এমনকি খেতে বসেও চিন্তা করে সময় পার করেছি। চিন্তা করি নিজেকে নিয়েই বেশি। পরিবার, সমাজ, দেশ ধর্ম, সৃষ্টিকর্তা, বহির্বিশ্ব ইত্যাদি কত ব্যাপর নিয়েই নিজ

এদেশের প্রথম জাতীয়চোর এরশাদ

২১ শে এপ্রিল, ২০১৭ ভোর ৬:৪৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


মুক্তিযুদ্ধের পরে জাতির জনক নিজেই বলেছিলেন চোরদের ব্যপারে যারা দলের নাম দিয়ে লুটেপুটে খাচ্ছিল। এরা না করেছিল মুক্তিযুদ্ধ, না করেছিল যুদ্ধে সাহায্য। গুটিকয়েক মুক্তিযোদ্ধাকে অনেক সময় সামনে রেখেছিল ঢাল হিসেবে। কিন্তু একজন রাষ্ট্র প্রধান হিসেবে বংগবন্ধু এবং তার প্রধান সহচরদের যে সততা সেটা এখনো আমাদের নেতৃবৃন্দের জন্য অনুকরনীয়। শেখ সাহেবের মৃতু্্যর পরে স্বল্প মেয়াদে যারা ক্ষমতায় এসেছিলেন তারা ছিলেন অধিকাংশই ক্ষমতালোভী ও অগনতান্ত্রিক। আমরা এই বিচারে তাদের জনগনের কাঠগড়ায় দাড় করাতেই পারি, কিন্তু তারা ক্ষমতায় থেকে চুরি যোচ্চুরি করেন নি।

সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কথাই ধরুন। তিনি মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন এবং এদেশের মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম প্রধান বীর হিসেবে তাকে এদেশের মানুষের সম্মান করা উচিত। যদিও কেউ কেউ তাঁর মুক্তিযুদ্ধের সার্টিফিকেট কেড়ে নিতে চায়, আমি বলব এরা অতি উতসাহী এবং তেলবাজ ছাড়া আর কিছু না। স্বয়ং জাতির জনক তাকে স্বীকৃত করে গেছেন। জিয়াউর রহমান যে কয় বছর ক্ষমতায় ছিলেন, অনান্য ব্যপারে অনেকেরই অপছন্দের কথা থাকতে পারে, জিয়া অবশ্যই ক্ষমতালোভী ছিলেন। আবার অবশ্যই দূর্নীতিবাজ ছিলেন না। তিনি রাষ্ট্রীয় চোর নন।

এরশাদ সাহেবের আগে ক্ষমতা লোভী এদেশে এসেছে বটে কিন্তু রাষ্ট্র প্রধান হিসেবে সেই প্রথম মানুষ যে কিনা নিজেই বড়মাপের চোর। একজন রাষ্ট্র প্রধান হিসেবে তিনিই শিখিয়ে গেছেন কিভাবে চুরি করতে হয়। তার আগে যারা সরকারে থেকে দূর্নীতি করেছে এরা কেউ সরকার প্রধান ছিলেন না। তার হাত ধরেই সরকার প্রধানদের চুরি ডাকাতি শুরু। শুধু আইনি প্রক্রিয়ায় কাউকে ছেড়ে দিলে হবেনা, ইতিহাস তার বিরুদ্ধেই বলবেই সারা জীবন।
সর্বশেষ এডিট : ২১ শে এপ্রিল, ২০১৭ দুপুর ২:৫৮
৩টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

সেই কথিত “তৌহিদী জনতা আজ কোথায়?

লিখেছেন রাবব১৯৭১, ০৩ রা এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ১১:৪৭

সেই কথিত “তৌহিদী জনতা আজ কোথায়?
--------------------------------------------
আজ বিশ্ব রাজনীতির মানচিত্রে উত্তেজনা ইরান বিভিন্ন আরব রাষ্ট্র, ইসরায়েল,মার্কিন সংঘাত নিয়ে আলোচনা চলছে। কিন্তু প্রশ্ন হলো, আমাদের দেশের সেই কথিত “তৌহিদী জনতা”, যারা সামান্য... ...বাকিটুকু পড়ুন

দায়বদ্ধতা ও সময়োচিত সিদ্ধান্ত: ২০০৬ থেকে বর্তমানের শিক্ষা

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ০৩ রা এপ্রিল, ২০২৬ দুপুর ২:২৫

Photo - আপলোড না হওয়ায় ইমেজ লিংক:

“দায়বদ্ধতা ও সময়োচিত সিদ্ধান্ত: ২০০৬ থেকে বর্তমানের শিক্ষা”

বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে ২০০৬ সালের তত্ত্বাবধায়ক সরকার সংকট একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। সে সময় রাষ্ট্রপতির নেতৃত্বে গঠিত উপদেষ্টা... ...বাকিটুকু পড়ুন

ইস্টার ফ্রাইডে এবং যিসাসের শেষ যাত্রা: জেরুজালেমের স্মৃতিবিজড়িত পথে

লিখেছেন সৈয়দ নাসের, ০৩ রা এপ্রিল, ২০২৬ বিকাল ৩:৪৪




দিলু নাসের
আমার এই তিনটি ছবির সঙ্গে পৃথিবীর খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের বেদনাবিধুর ইস্টার ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে। প্রতিটি ছবিই যেন এক একটি অধ্যায়, একটি যাত্রার, যা শুরু হয়েছিল... ...বাকিটুকু পড়ুন

সব কিছু চলে গেছে নষ্টদের দখলে

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৩ রা এপ্রিল, ২০২৬ রাত ১১:৫৭


সংসদ ভবনের লাল ইটের দেয়ালগুলো যদি কথা বলতে পারত, তবে হয়তো তারা লজ্জায় শিউরে উঠত অথবা স্রেফ অট্টহাসি হাসত। আমাদের রাজনীতির মঞ্চটা ইদানীং এক অদ্ভুত সার্কাসে পরিণত হয়েছে, যেখানে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ইরান যুদ্ধ: স্বাধীনতা নাম দিয়ে শুরু, এখন লক্ষ্য ইরানকে প্রস্তরযুগে নিয়ে যাওয়া

লিখেছেন শ্রাবণধারা, ০৪ ঠা এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ৮:২৩


আমার আট বছরের ছেলে ফোনে ফেসবুক পাতার দিকে তাকিয়ে জিজ্ঞেস করল, "বাবা, এটা কিসের ছবি"? আমি তার মনোযোগ অন্যদিকে সরানোর বৃথা চেষ্টা করে অবশেষে বললাম, এটা আমেরিকা- ইসরায়েলের ইরানের... ...বাকিটুকু পড়ুন

×