শহরের এইসব রাস্তায় একটুকরো ত্যানা পড়ে থাকলে
দীঘল চোখ,মায়াবী চোখ
কেমন উচ্ছ্বন্নের মত গোল করে তাকায়।
আকাশে ঘুরতে থাকে মেঘবন্ধু
চুষতে থাকে চুষতে থাকে-বৃষ্টি,বৃষ্টি।
ছাদের ওপর ফেলে গেছে শুকানো শাড়ি
পেটিকোট,
শান্তি শান্তি শান্তি। একের ওপর এক শুয়ে থেকেছি
দোতলা শহর জেগে উঠে-
লাভা-ভূমিকম্পে সবাই নিচে নেমে আসে।
রয়ে যায় অপর, ঠিক উপরের ছাদে
মৃত্যু যখন আসবে এভাবেই মরব,তোমাকে জড়িয়ে ধরে
আর জোরে বাজব দেহের অর্কেস্ট্রা!মেদবিহীন শরীরে শরীরে
বিগত অন্ধকার নেকড়ের চোখ ফ্লাডলাইটের মত জ্বলে গেছে
তাতে কি?ঘিয়ের বয়াম থেকে
আঙুল নেড়ে নেড়ে বের করে আনি সর্বস্ব দহন!
এইখানে শান্তির সংসদ
এইখানে নদীর তলে লাগানো পলির স্তর
এইখানে ঝিনুকের বন্দর; ভাসাই পৃথিবীর সবচেয়ে বড় জাহাজ
অনু-পরমাণু চেইন চালু করি
শান্তিরবার্তায় বিভোর করে দিই দেশ দেশান্তরের প’রে
হয়ত এখনি শহীদ হই,শহীদ নাম হয়
-জানো জানো
জানি তোমরা অভিবাদন জানাবে
কৃষ্ণকায় মহাশূন্য প্রান্তরে দাঁড়িয়ে সারি সারি, নত হও শহীদের কাছে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

