সৈয়দ ওয়ালিউল্লাহর লালসালুর ভেতর যে একবার খাবি খেয়েছে সে একই রকম নানা লালসালুর ভিন্নরকম প্লট তৈরি করতে পারেন যেহেতু একইরকম কুপ্রভাব সমাজে আজো রয়েছে তাই বারে বারে লালসালুর কাছাকাছি কোন প্লট বানানোর চেষ্টা যে কেউ করতে পারেন। তবে তা কখনো শিল্পপর্যায়ের দিকে যাবে না।
”জালালের গল্প” সিনেমা দেখার পর এই রকম চূড়ান্ত অভিব্যক্তি হয়েছে আমার।প্রপসের ভিন্নতা ছাড়া আর কিছু নাই।সবই লালসালুকে ছুঁয়ে দেখার প্রচেষ্টা মাত্র।মোশাররফের অভিনয় দেখার আগে যারা বাস্তবে বা অনেক সিনেমায় কুলকিলারদের দেখেছেন্ তারা এটাকে খুব একটা ধর্তব্য আনবেন না।তৌকির আহমেদের অভিনয় চিৎকার ছাড়া কিছু নাই,শ্রদ্ধা করেই বলতে পারি তৌকির মোটেও ভাল মাপের অভিনেতা নন।বরং তৌকিরের লেখা বিপাশার অভিনয় বা উল্টো করলেই হয়- জুটি বেঁধে যখন অভিনয় করেন পরিচালক থাকেন আবুল হায়াত সেইসময়ই বরং তৌকিরকে ইন্টারেস্টিং মনে হয়!সাইলেন্ট অভিনয় করা ছেলেটাই জালালের গল্পের সিনেমার সেরা অভিনেতা।ক্যামেরার ভাষা গল্পের সাথে সামঞ্জস্য নাই।ভীষণ রকম ডার্ক এন্ড্রয়েড মোবাইল দিয়েও শ্যুট করা যেত।
আজকাল বিদেশ ঘুরে ঘুরে পুরষ্কার আনার যে রতিক্রিয়া শুরু হয়েছে তা বাংলা সিনেমার উত্তরণে কোন কাজ দিবে না।বরং এগুলোর আত্মপ্রবঞ্চনা বা নিজের সাথে নষ্টামি।বিদেশের স্বীকৃতি আদায়ে যারা সিনেমা বানান তারা এফডিসির বাংলা সিনেমার পরিচালকের চেয়ে ও নিচুমানের সিনেমা পরিচালক মনে করি।তারা বরং ওয়াশিং পাউডারের বিজ্ঞাপন বানাক!
সর্বশেষ এডিট : ০৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৭ বিকাল ৪:৫২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




