#পুলিশ--- ফৌজদারী অপরাধ করলেই শুরুতেই পুলিশ আদালতে সন্দেহভাজন হিসাবে ধৃত ব্যক্তির কাছ থেকে ”আরো অতিরিক্ত তথ্য“ আদায়ের জন্য রিমান্ড নেয়া হয়।রিমান্ড – সম্বন্ধে বুঝলেন কি?? রিমান্ড মানে—তথ্য আদায় করা।এখন আসেন কি পদ্ধতিতে আদায় করবেন??—ধৃত ব্যক্তিকে অনুসন্ধানি পুলিশ ”প্রশ্নবানে জর্জরিত” করে তার কাছ থেকে তথ্য আদায় করবেন।কিন্তু এদেশের পুলিশ কি শিখল??-রিমান্ড মানে শারীরিক নির্যাতন।আরো একধাপ এগিযে বললে হয়- ডিমান্ড।অনুসন্ধানি পুলিশ তখন দু-পক্ষকেই ফোন করেন দু-পক্ষকেই জানিয়ে দেন যে রিমান্ড নেয়া হইছে শারীরিক অত্যাচার থেকে বাঁচতে হলে ঘুষ(টাকা)দেন।অপরপক্ষকে বলবেন- হেঁচকাই মারব টাকা(ঘুষ)দেন।নইলে পিটাব না-যদি ব্যক্তির মামলা হয়।পুলিশবাদী বা রাষ্ট্রীয় বাদী মামলা হলে আপনি শুধু এক পক্ষ(ধৃত)পক্ষকেই পাচ্ছেন।তলে তলে যদি কাম সারতে পারেন তাইলে শারীরিক নির্যাতন হবে ন।এইহলো দেশের পাবলিকের জন্য নিয়োজিত সার্ভেন্ট বা পুলিশ।
#বিচারক----বৃটিশরা যখন ফৌজাদারী আইনটা প্রয়োগ করা শুরু করল এই উপমহাদেশে তখন দেখল পুলিশ যাকে ধরার কথা তাকে না ধরে অন্যকাউক ধরে আনছে।যাকে ডেকে আনার কথা-তাকে বেঁধে নিয়ে আসছে।তখন তারা এইসব ব্যক্তি ও সামাজিক মানসিক অবস্থা বুঝে সংশোধন আনল,যে পুলিশের কোন কথা আদালতকে বিশ্বাস করতে হবে না।শুধু মাত্র উদঘাটন করা বস্তু বাদে।তো এসব জানার পরও আধুনিক বিচারক(সর্বনিম্নস্তরের নিয়োগ পাওয়া) বিশেষ করে যারা বিজেএসসি(বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশন)থেকে সদ্য নিয়োগ পাওয়া বা দু-চারবছর হয়েছে এমন বিচারকরা সাধারণত আমলি বিচারক হন।তারা পুলিশের এই মানসিকতা জানার পরো যত্রতত্র মামলায় রিমান্ড আবেদন মঞ্জুর করে থাকেন।এখানে উল্লেখ করা প্রয়োজন আজকাল মুরগি চোর থেকে শুরু করে সবধরনের মামলায় পুলিশ গড়পরতা ৫-৬দিন উল্লেখ করে রিমান্ড আবেদনকরেন।যাতে বিচারক অন্তত একদিন হলেও দেয়।
আগে বিচারক হতো আইনজীবীদের থেকে এখন বিচারক হন সদ্যপাশ করা শুধু জগতজীবন সর্ম্পকে অভিজ্ঞতাহীন শিক্ষার্থীদের যারা শুধুমাত্র পরীক্ষায় পাশ নির্ভর।এছাড়া সরকার যখন হুমকি ধামকি দেয় তখন তাদের বিচারিক নিজস্বমেধা প্রয়োগের চেয়ে সরকারের ঠেলা খাওয়ার কথাই মনে রাখেন বেশি।
#রিমান্ড শিকার ও পরবর্তী অবস্থা----- এ রিমান্ড হওয়ার পর থানার হেফাজতে এদেশে স্বাধীনতাউত্তোর কতো মানুষ মারা গেছেন,আজীবন অসুস্থ হয়েছেন,পাগল হয়েছেন তার হিসাব কজন রেখেছে?? বাস্তব সুস্থজীবনে আর ফিরে আসতে পারেনি তাদের কথা কে বলবে?? এই রিমান্ডের পেছনে কতো টাকার ঘুষ লেনদেন হয়েছে ক‘জন রেখেছেন??? ব্লাস্ট বনাম রাষ্ট্র মামলায় হাইকোর্টের কিছু নির্দেশনা ও দেয়া হয়েছে।এসব কে বাস্তবায়ন করবে।হাইর্কোটের নির্দেশনা ও অনেকটা প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনার মতোন।দাবী মেনে নেয় কিন্তু বাস্তবায়ন হয়না।কে বাস্তবায়ন করবে??একটা আপদমস্তক দূনীর্তিগ্রস্ত রাষ্ট্রও সমাজ থেকে বেড়ে উঠা ব্যক্তিরা কিভাবে দূনীর্তিমুক্ত হবেন???
#আমেরিকা ও ইউরোপ---বৃটিশ কলোনীভুক্ত সব দেশে প্রায়ই একই অবস্থা।আমেরিকা একটা যুদ্ধরাষ্ট্র তাই এটার সাথে বাংলাদেশের রিমান্ডব্যবস্থার তেমন পার্থক্য নাই।শুধুমাত্র পার্সেন্টেজ ছাড়া!!!
ইউরোপে রিমান্ড মানে “তথ্য উদঘান”।শারীরিক নির্যাতন নয় এটার শতকরা হার প্রায়ে ৯৫ভাগের উর্ধ্বে।বৃটিশদের রিমান্ড ও বর্তমানে একই রকম।৯/১১ এর পর বিশ্বরাজনীতিতে কিছুটা পরিবর্তন আসলে ও তা ইউরোপকে এইক্ষেত্রে কিছু স্পর্শকাতর বিষয়ছাড়া খুব বেশি স্পর্শ করতে পারেনি।।
>>নেদারল্যান্ডের এক ব্যক্তির এক বোমা হামলায় ৫০ জনের ও বেশি মানুষ মারা যাওয়ার পরো ধৃত ব্যক্তিকে শারীরিক নির্যাতন করা হয়নি।তার প্রকৃত মানসিক অবস্থা বুঝে তাকে দন্ড প্রদান করা হয়েছে।তারা বেসিক আইডিয়া থেকে বের হয়ে আসেনি।তারা বুঝার চেষ্টা করেছে কেন ব্যক্তিটি অপরাধ করল??পরবর্তীতে এরকম ঘটনা নাহওয়ার জন্য কি পদক্ষেপ নেয়া যায় তাই তারা গ্রহণ করল।তবুও কি দূর্ঘটনা ঘটবে না? ঘটবে…তার বদলে পশুপ্রবৃত্তি দেখানো যাবে না।।ওরা তাই শিখায়।শতবছর আগে এখানকার কবিসাহিত্যিকরা এইজন্যই বলেছেন ইউরোপ পৃথিবীকে আলো দেখায়।আমাদের চোখ নাই,মনও নাই তো কি দেখব আর?? উন্মত্ত উল্লাস ছাড়া!!!!
#বাংলাদেশের মানুষের একটা স্বাভাবিক প্রকৃতি হচ্ছে সবকিছুতে এখানকার মানুষ আনন্দ পায়!! মরলেও আনন্দ পায়।জন্মদিলেও পায়।আহত হলেও আনন্দ পায়!! সবর্ত্র এক আনন্দবাজার এই দেশ।ভারী এক অন্যগ্রহের মানুষ এরা!!! অনেকেই নওশাবার ব্যাপারে আনন্দ পাচ্ছে।অনেকেই তাকে দোষারোপ করছে!!!সবই আনন্দ!!!
জয়বাংলা।।।।
সর্বশেষ এডিট : ০৬ ই আগস্ট, ২০১৮ সকাল ১১:১৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


