একদিন যাইব হালদা নদীটির তীরে—দেখিব তার চরণ
রাঙা চন্দন নিয়া চলিতেছে কোমর ভাঙিয়া ভাঙিয়া,দেখিব দুপুরের রোদ
আসিতেছে মাঝি;হাওয়ার বরজ লইয়া-ভাসিতেছে আমাদের কলিজা
নাচিতেছে মাছেরা গড়িতেছে সংসার তাহাদের এপার্টমেন্টে – সেসইব দেখিয়া দেখিয়া
চলে যাইব সড়কে,দেখিব সবুজ রঙ ভাঙা কাঁচের ফাঁকে ফাঁকে
দৌঁড়িতেছে গরু ফসল তরমুজ বাঙ্গির ক্ষেত; উপুড় হওয়া উৎপাদক
করিতেছে ভূগোলে টিকিয়া থাকিবার চাষ।আমরা খাইব তা--।
একদিন যাইব ফটিকছড়ির চা বাগানে – সাজানো চা চারা দেখিব--তাহাদের ছায়া দিতাছে উঁচা উঁচা বৃক্ষ
ছায়ার মতোন রক্ষা করিবে,তাহাদের দেবে শীতল শাড়ির কোল
না চাইতে ও আমার মনে পড়ে যাইবে চাবাগানের জবরদস্তি কড়শাসন
চোখ ভিজে আসিবে;সেসব পাশ কাটিয়ে চলে যাইবো বাগানের শেষপ্রান্তে
দেখিব পাখিরা বাগানে প্রবেশ করিতেছে মেঘেরা প্রবেশ করিতেছে
হয়তো একপশলা বৃষ্টি নেমে আসিবে চোখে—তাহাদের ঈষৎ করুণ রাখিয়া যেন পার হয়ে যাইবো
আরেকটা বাগান,আরেকটা পাহাড়;মায়ের স্তন ঢালে উঠিয়া যেন খাইব তাহার দুধ
মনে মনে ভাবিতেছি হন্তারক পিছু ধাউয়া দিতেছে;ধাক্কা দিয়া ফেলিয়া দেবে পৃথিবী থেকে—ফিরিয়া আসিতে হইবে ঘরে
মোবাইল টাওয়ার আজ পাহারাদার।
তবু ছুটিতেছি অবাধ্য রকমে,:ভাবিতেছি কতো বন পেরিয়ে যাবো কতো পথ পেরিয়ে যাবো
ফিরিতে হবে গড়ে তুলা অনন্যা।যা আছে সেই যাইতেছি কেন ফিরিয়া আসিবো এইখানে তোমাদের ভীড়ে
যে আলিঙ্গন করিয়াছি মন দিয়া ফেলেছি আজীবন বন্ধনে হাঁটিতেছে ক্রন্দন ফেলে—নবো নয় নবরত্ন ফেলে,চাকচিক্য ফেলে--গর্জন উত্তাল সবুজ সান্নিধ্য— ডাকিবে আর!
সর্বশেষ এডিট : ১১ ই আগস্ট, ২০১৮ সকাল ১০:৫৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



