নায়লা নাইমের কল্যাণে যারা বাংলা সিনেমা নিয়ে নাক সিঁটকান তারাও জেনে গেছেন বাংলাদেশের প্রথম ১৮+ ট্যাগ লাগানো সিনেমার নাম রান আউট। আমি অবশ্য বাংলা সিনেমা নিয়ে নাক সিঁটকাই না ,চেষ্টা করি খোঁজখবর রাখবার এবং ভালো লাগলে হলে গিয়ে দেখার। সিনেমাটার সাথে প্রথম পরিচয় রাস্তায় , সিলেট শহরের দেয়ালে দেয়ালে আসিতেছে রানআউট অলংকরন দেখে। অতটা আগ্রহ জাগেনি সিনেমার কলাকুশলীর নাম দেখে। টিভি অভিনেতাদের প্রথম সিনেমাগুলো দেখা আমার কাছে ততটা ভালো অভিজ্ঞতা ছিল না। তার উপর ন্যাকা খ্যাতি পাওয়া সজল নাকি এই সিনেমার নায়ক ,যার নাম শুনলে এখন নাটকও দেখিনা ! আগ্রহটা আরো কমেছিল ১৮+ ট্যাগ দেওয়ায়। ভাবছি , নতুন মোড়কে পুরনো অশ্লীল সিনেমাই হয়তো আবার আসতেছে। তবে সামুতে কবি ও কাব্য ভাইয়ের রিভিউ দেখে আজকে সিনেমটা দেখে এলাম।
এক কথায় সুন্দর সিনেমা।
সিনেমার শুরুতেই মনটা ভালো হয়ে গেছিল আমার প্রিয় শহর চট্রগ্রামে সিনেমাটা শ্যুট হয়েছে বলে। বাটালী হিল,
সিএন্ডবি, আনোয়ারা ইত্যাদি জায়গায় শুটিং হয়েছে।
কাহিনী ?
ভালো। প্লটটা সুন্দর ছিল এবং অহেতুক টেনে লম্বা করা হয়নি বা হঠাত শেষও করে দেয়নি।
অভিনয় ?
সেও ভালো। একদম ছোট চরিত্র থেকে প্রধান চরিত্র সবাই পরিমিত অভিনয় করেছে। কারো অতি অভিনয় বা আনাড়ি অভিনয় চোখে পড়েনি।
গান ? নাচ ? ফাইটিং ?
একটি বাণিজ্যিক সিনেমায় যতটুকু থাকা প্রয়োজন ততটুকুই আছে।
১৮+ এলিমেন্ট ?
দুঃখিত, সুড়সুড়িমুলক কোন কিছু আমি পেলাম না। এইটাকে আসলে শারিরিক ভাবে বড়দের সিনেমা না বলে মানসিক ভাবে বড়দের সিনেমা বলাই ভালো।
আমি ভালো রিভিউ লিখতে পারিনা তাই সেদিকে না গিয়ে নিজের অনুভূতিটাই বলতে চেষ্টা করলাম।
আমি জানিনা, সিনেমাটা কতটা আয় করবে, তবে নকলমুক্ত বানিজ্যিক সিনেমার বিনোদন চাইলে আপনি সিনেমাটা দেখতে পারেন।
আর যদি নায়লা নাইমের আইটেম সং দেখতে চান তাও যেতে পারেন।আইটেম সং আসতে আসতেই আপনি সিনেমার কাহিনীতে আটকে যাবেন !!


অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

