মন হল মস্তিষ্কের ক্রিয়া, শরীরের প্রধান অংশ আবার এই মস্তিষ্ক এবং এর নিয়ন্ত্রক। মস্তিস্কের মতিভ্রমকে প্রেম বলে ব্যাখ্যা করা যেতে পারে। অন্যভাবে শারীরিক চাহিদা নিবারনের এক দুরভিসন্ধি সম্পন্ন কৌতুহলই হলো প্রেমের অবতারনা।
নরের প্রেম কেবল ইহলোক তথা শরীর কেন্দ্রিক কিন্তু নারীর প্রেম ইহলোক ও পরলোক নিয়ে। তাই নারীরা অতি দ্রুতই প্রেমে স্বাদ পরিবর্তনে ব্রতি হয়ে থাকেন।
বাস্তব শব্দটা বস্তু থেকে আবিস্কৃত। বস্তুর সঙ্গে বস্তুর মিলন ঘটবে এটাই স্বাভাবিক। যখন বস্তুর সঙ্গে এক অশরীরির মিলন ঘটানোর অপ-প্রয়াস চালানো হয় তখনই দ্্বন্দ্ব বা কলহের সৃষ্টি হয়।
মস্তিস্কের মতিভ্রম ঘটার ফলে যেমন প্রেমের উৎপত্তি তেমনই প্রেমে ধরা খাওয়ার ফলে অনেক কবিতা বা লেখার জন্মও হয়ে থাকে। সত্যি বলতে ধরা খাওয়াটা তখন ষ্টিমুলাস হিসাবে কাজ করে থাকে।
শরীর যখন তার প্রয়োজনে অন্য শরীরের সংস্পর্শে যেতে ব্যর্থ হয় তখন মন বা প্রেম নামক শব্দের মাধ্যমে তার অদম্য চাহিদা পূরণের চেষ্টা চালায়। মিথ্যে কিছু গল্পের মাধ্যমে। কিন্তু মূল সূত্র ঠিকই থাকে কিংবা অপরিবর্তনীয় থেকে যায়।
লোহার সাথে কাঠের সম্পর্ক ঘটতেই পারে। কেননা দুটোই বস্তু তাই বলে লোহার সাথে বাতাসের সম্পর্ক ঘটা কাংখিত নয়। যদি ঘটেই যায় তাহলে নেতিবাচক ভাবেই ঘটবে। তাই নয় কি? এতেই প্রমাণ হয় যে, ইহলোক ও পরলোক এক সাথে সমান্তরাল পথে কখনো চলতে পারেনা।
পরিশেষে অদম্য চাহিদা নিবারনের কৌশলগত প্রয়াস ও অলস সময়ের এক রূপকের অবতারনই হলো- প্রেম-ভালোবাসা।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




