তার র্যাব বিতৃষ্ণা আমাদের জানা। এ বইতে তার ছোট্ট একটা কারণও ব্যাখ্যা করেছেন। তবে খুব বেশি তাড়াহুড়ার উর্বর ফসল এই বই। তাই বিচ্ছিন্ন কিছু সত্য এবং অসত্য ঘটনার মিঙ্ার তৈরী করেছেন এতে। পইড়্যে তেমন জুত পাইলাম না।
ফ্লাওয়ারের মতিগতির উত্তর-দক্ষিন কিছুই ঠিক পাইলাম না। এ ধরনের মেয়ে একটা গাড়ি পাইয়া কেবল একটা টায়ার নিয়া টানা হেঁছড়া করতাছে ভাবতেই বুকের মধ্যিখানে আনন্দের চর জাগে। শেষ পর্যন্ত তেনারা বালা অইয়া যাইতাছেন! কি আশ্চার্য্য...।
একটা ঘন্টার ঘুম মিস করলাম। কলেজ যাবার সময় 9 নম্বরের চিপা সিটে বসে পড়া যেত। সময়টা বেশ কাটতো। মনে হলো- এটাই হুমায়ুনের লেখা সবচেয়ে বাজে গপ্পের বই। কোনো ম্যাসেজ পাইলাম না এতে। তবে একটা ছোট্ট চিরকুট পেলাম-
ভূমিকা ঃ
এই বইয়ের প্রতিটি চরিত্র কাল্পনিক।
এদের কারো সঙ্গেই আমার কোনোদিন দেখা হয়নি।
--হু-আ
আংশিক পরিবর্তন করে লেখাগুলো ছাপানোর অপরাধে
হিমুও পাল্টে গেল, শেষ পর্যন্ত এতটাই ভয় পেল যে, ভূমিকাটা ভূমিকার মত না লিখে পারলো না... বেচারা...।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



