একভাবে নদীর বুকের এই বন্দরে জলের ধার ঘেঁষে অনেকক্ষন দাঁড়িয়ে থেকে হঠাত্ মাথা ঘুরে উঠল! একেবারে যাকে বলে উপর থেকে নিচে আর নিচে থেকে উপরে ২-৩বার যেন পাক খেয়ে উঠল। রেলি ংধরে দাঁড়িয়েছিলাম বলে সামলে নিলাম কিন্তু আর দাঁড়াতে সাহস না পেয়ে জলের ধার ছেড়ে চাতালের অন্যদিকে এসে বসে পড়লাম একটু সিঁড়িমত জায়গায়। পেছনে শুকনো নদী আর সামনে মাছের বন্দর যেখানে এখন নৌক থেকে মাছ তুলে বেছে আলাদা করা হচ্ছে। এক একটি নৌকো থেকে এক এক রকমের মাছ। কোন নৌকো থেকে শুধুই পার্শে তো কোনটি থেকে পাঁচমেশালী। লটে দেখা গেল প্রায় সব নৌকো থেকেই নামছে। দেখলাম চকচকে রুপোলী ছুরি মাছ, সোনালী তোপসেরা সব শুয়ে আছে একের পরে এক ঢিবি হয়ে। হঠত্ চোখে পড়ল এক হাঁসের উপর! হাঁস! এখানে কোত্থেকে এল! বেশ বড় একটি বুনোহাঁস। মাছ নিয়ে ফেরা একটি নৌকো একে তুলে এনেছে জম্বুদ্বীপ থেকে। হাঁসটি উড়তে পারছে না, ডানায় নাকী বাত ভর করেছে, ফুলে আছে ডানা! আমি প্রথমে ভাবলাম এ বোধ হয় বিক্রী করার জন্যে ধরে এনেছে কিন্তু দেখলাম না, তা নয়। পাখিটাকে শুশ্রুষা করবে বলেই জেলেরা এটিকে ধরে নিয়ে এসেছে সাথে করে। কিছু কুচো মাছ রাখা আছে পাখিটার সামনে, কিন্তু তার খাওয়ার কোন ইচ্ছে দেখা যাচ্ছে না। সে এদিক ওদিক তাকিয়ে বোঝার চেষ্টা করছে হয়ত, কোথায় এল! আগ্রহী মানুষদের আগ্রহ মিইয়ে গেল খানিক পরেই এই পাখিটিকে নিয়ে, সবাই সরে গেল যার যার জায়গায়, কাজে। ফাঁকা দেখে পাখিটা ধীর পায়ে, প্রায় গড়িয়ে গড়িয়ে জলের ধারে গিয়ে ঝাঁপ দিল জলে। খুব ধীরে অসুস্থ ডানায় সাঁতার কেটে এগোতে লাগল অন্যপারের দিকে, সেবা করতে চাওয়া মানুষগুলোকে ছেড়ে, এই বন্দরকে ছেড়ে সে এগিয়ে যেতে লাগল তার নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে।
পায়ের তলায় সর্ষে
একভাবে নদীর বুকের এই বন্দরে জলের ধার ঘেঁষে অনেকক্ষন দাঁড়িয়ে থেকে হঠাত্ মাথা ঘুরে উঠল! একেবারে যাকে বলে উপর থেকে নিচে আর নিচে থেকে উপরে ২-৩বার যেন পাক খেয়ে উঠল। রেলি ংধরে দাঁড়িয়েছিলাম বলে সামলে নিলাম কিন্তু আর দাঁড়াতে সাহস না পেয়ে জলের ধার ছেড়ে চাতালের অন্যদিকে এসে বসে পড়লাম একটু সিঁড়িমত জায়গায়। পেছনে শুকনো নদী আর সামনে মাছের বন্দর যেখানে এখন নৌক থেকে মাছ তুলে বেছে আলাদা করা হচ্ছে। এক একটি নৌকো থেকে এক এক রকমের মাছ। কোন নৌকো থেকে শুধুই পার্শে তো কোনটি থেকে পাঁচমেশালী। লটে দেখা গেল প্রায় সব নৌকো থেকেই নামছে। দেখলাম চকচকে রুপোলী ছুরি মাছ, সোনালী তোপসেরা সব শুয়ে আছে একের পরে এক ঢিবি হয়ে। হঠত্ চোখে পড়ল এক হাঁসের উপর! হাঁস! এখানে কোত্থেকে এল! বেশ বড় একটি বুনোহাঁস। মাছ নিয়ে ফেরা একটি নৌকো একে তুলে এনেছে জম্বুদ্বীপ থেকে। হাঁসটি উড়তে পারছে না, ডানায় নাকী বাত ভর করেছে, ফুলে আছে ডানা! আমি প্রথমে ভাবলাম এ বোধ হয় বিক্রী করার জন্যে ধরে এনেছে কিন্তু দেখলাম না, তা নয়। পাখিটাকে শুশ্রুষা করবে বলেই জেলেরা এটিকে ধরে নিয়ে এসেছে সাথে করে। কিছু কুচো মাছ রাখা আছে পাখিটার সামনে, কিন্তু তার খাওয়ার কোন ইচ্ছে দেখা যাচ্ছে না। সে এদিক ওদিক তাকিয়ে বোঝার চেষ্টা করছে হয়ত, কোথায় এল! আগ্রহী মানুষদের আগ্রহ মিইয়ে গেল খানিক পরেই এই পাখিটিকে নিয়ে, সবাই সরে গেল যার যার জায়গায়, কাজে। ফাঁকা দেখে পাখিটা ধীর পায়ে, প্রায় গড়িয়ে গড়িয়ে জলের ধারে গিয়ে ঝাঁপ দিল জলে। খুব ধীরে অসুস্থ ডানায় সাঁতার কেটে এগোতে লাগল অন্যপারের দিকে, সেবা করতে চাওয়া মানুষগুলোকে ছেড়ে, এই বন্দরকে ছেড়ে সে এগিয়ে যেতে লাগল তার নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে।
একটি মুমূর্ষু কবিতা
আমি আর কবিতা লিখব না বলেও
লিখে ফেলি একটি মুমূর্ষু কবিতা–
জন্ম নেয়ার আগেই যারা অবিরাম
মৃত্যুযন্ত্রণায় কাতরাচ্ছে, লাথি মারছে
পদ্যের চিরায়ত চোয়ালে !
পঙক্তিতে পঙক্তিতে পথ হেঁটে
প্রচণ্ড পিপাসায় আমি পান করি
কবিতার স্নিগ্ধ জল; আর... ...বাকিটুকু পড়ুন
সংখ্যা গরিষ্ঠ মুসলিম হিসেবে গর্ব করার কিছু নেই......
আমরা যারা আপাত দৃষ্টিতে হায়েনা নই কিন্তু নিরবে স্বচক্ষে হিন্দুদের সর্বনাশ দেখে যাচ্ছি তারা সবচেয়ে বেশি দায়ী। অথচ বাংলার হিন্দু, বাংলার খ্রীষ্টান, বাংলার বৌদ্ধ, বাংলার মুসলমান, আমরা সবাই বাঙ্গালী-এই বৈষম্যহীনতা... ...বাকিটুকু পড়ুন
অল্প একটু পাশে থেকো
আমাকে খুব বেশি কিছু দিতে হবে না,
এক মুঠো আকাশও নয়,
আচেনা কোনো বিকেলও নয়।
শুধু কখনো কখনো
আমার নির্জন ঘরের দরজায়
টোকা দিয়ে দাঁড়িয়ো, যেন বুঝতে পারি
ফুরিয়ে যাবার বেলা এখনো আসেনি ।
আমাকে প্রতিদিন মনে... ...বাকিটুকু পড়ুন
কবিতাঃ এসেছে শরৎ

শরৎ-প্রাতে শিউলি ঝরা ক্ষণে
দিবাকর ছড়ায় হাসি।
দিঘির জলে রক্তিম পদ্ম
ফুটেছে রাশি রাশি।
ছাতিম গাছের নিভৃত নির্জনে
সবুজ পাতার ঘ্রাণ।
সুখ আহ্লাদে ডাকছে নিসর্গ
উচাটন মন প্রাণ।
স্নিগ্ধ বাতাস দোলা... ...বাকিটুকু পড়ুন
মাইনকা চিপা

এখন পর্যন্ত জীবনের সবচেয়ে বড় ভুল সিদ্ধান্ত ছিল প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক পদে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়ে ঢাকা ছেড়ে বাড়িতে চলে আসা। যে সময়ে শ্রেণীকক্ষে কোমলমতি শিশুদের পাঠদান করার কথা, সেই... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।