
স্পয়লার আছে হাল্কা-পাতলা কিসিমের।
রিভিউ না, নিজস্ব মতামত-
তো যাই হোক, হাই তুলতে তুলতে শেষ কল্লাম সেমি অ্যাভেঞ্জার্স প্রিকুয়েলঃ হোমকামিং। কথা সেইটা না কথা হইলো- মুভির চার মিনিটের মাথায় ঠাস কইরা মেইন ভিলেং ভালচারের পয়দা হৈয়া যায়। আচ্ছা, ধৈরা নিলাম অবু-দশ-বিশ কইরা হাইটেক এলিয়েনদের ফেলে যাওয়া ভাঙ্গারি থিকা মেশিংপাতি বানাইসে কন্সট্রাকশন ওয়ার্কার আর সিভিল ইঞ্জিনিয়াররা। হু......ঠিকাসে :/
আঙ্কেল বেনের মিত্তু দেখায় নাই, ভালো করসে। এক লাশরে কয়বার মারবো? :3 মুভির শুরু হয় ক্যাপ অ্যামেরিকাঃ সিভিল ওয়ারের শেষ থিকা। কাহিনী বইলা দিলে তো বলবেন স্পয়লার দিসি। তাই টুকটাক কয়েকটা কথা বলি।
ভালো দিকে মনে কর্তে গেলে কুথায়-মুথায় বলা যায়- পিটারের আন্ডার এজের স্পাইডি হওয়ার স্ট্রাগলিংটা অনস্ক্রিনে ভালো ভাবেই পারফর্ম কর্সে টম হল্যান্ড। আল্টিমেট স্পাইডার-ম্যান কমিক/কার্টুনে দেখা পিটার/স্পাইডির কথা মনে পর্তেসিলো। আর নেডের ক্যারেক্টারটাও ভালো হৈসে। তবে স্পাইডির ওয়েব দিয়া জাহাজ আটকানোর দৃশ্যটা পাওয়ারফুল লাগেনাই যতটা টবির স্পাইডির ট্রেন থামানো লাগসিলো। ট্রিবিউট হৈলেও স্পাইডার-ম্যান ২ এর কাছাকাছিও যাইতে পারেনাই।
আমার কমজোরি চোখে কিছু কিছু জায়গায় খটকা লাগলো- দুয়েকটা কাস্ট সিলেকশনে আর স্পাইডির ওয়েব স্লিংগিং মুভমেন্ট গুলো আগের স্পাইডার-ম্যান মুভি গুলোর মত ফ্লুইড না। খরচ বাচাইসে কিনা কে জানে!
আঃ আসল কথা বলতে তো ভুলেই গ্যাছলাম!- আন্ট মে তথা মারিসা টমেই এর কস্টিউম, কথা বলার সময় নড়াচড়া আর মুখের এক্সপ্রেশন দেইখা মুভি পজ কৈরা দিলাম আর মুবাইলে সার্চে মন দিলাম- ‘মারিসা টমেই হট পিক’। এর যা দেখলাম...কিয়ার ভল্ব। আন্ট মে’র আগের দুইটা কাস্টের জন্য যেই রেস্পেক্ট ছিলো, অই রেস্পেক্টের মা-বাপ হৈয়া গেছে।
শকারের মত একটা ভিলেইনকে আরেকটু স্ক্রিনটাইম দিলো না ক্যান ভুজলাম না। সাইড ভিলেং হিসেবে সাইডেই রাইখা দিলো!
নাইকা লিজের সাথে পার্কারের কেমিস্ট্রি কিছু জমার আগেই গইলা গেলো। কিন্তু জমানোর জন্য পিটারের হবু লাভ ইন্টারেস্ট এমজে’কে পরের পর্বের জংন্ন রেখে দিসে- ভালো কর্সে। তবে এই এমজে’কে দেখে মনে হয় তার বাসায় চিরুনি নাই আর ঘুমেত্তে উইঠা মুখ ধোয় না।
কাহিনীঃ মুভি দেইখা কাহিনী জাইনা নিবেন। অই একি ফর্মুলা আর্কি- ঢিসুম-ঢাসুম! নায়ক জিত্তা যায়, ভিলেং ধরা খায়, মুভি শেষ।
অ্যাজ এ মুভি লাভার- ভাল্লাগে নাই! সিরিয়াসলি! ৫/১০ দিবো।
তবে কমিক লাভাররা চ্যাচাইতে পারে যে- এইটা সবচাইতে কমিক অ্যাকুরেট স্পাইডি, সামনের অ্যাভেঞ্জার্সে এই স্পাইডিই লীড দিবে; হ্যান-ত্যান ভ্যান-ভ্যান! এগুলা বৈলা লাভ নাই ভাই! আমিও স্পাইডি লাভার। ছিলাম, আছি। কিংতু অনেস্টলি আমার ভাল্লাগে নাই। এর চাইতে অ্যান্ড্রু গারফিল্ডের অ্যামানিং স্পাইডার-ম্যানের অরিজিন স্টোরিটা আমার কাছে ভাল্লাগসে।
ইয়াপ! আই সেইড দ্যাট।
সর্বশেষ এডিট : ২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ দুপুর ২:৫৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




