একদিন না, কক্সবাজারের বীচে (বিচে আর কি) দেখা গেলো একটা তিমি মাছ পইড়া আছে। সাগরে তুফান চালাইছে, পানির তোড়ে তিমি উইঠা গ্যাছেগা বালুতে।
তো আন্ধার রাইত, তিমির মুখ পানিতে, আর শইলটা বালুতে। সে মাঝে মাঝে ল্যাজ নাড়ে আর ডাকে।
তো ঐদিকে এক পথিক রাইতে জানি বাইর হইছে কি কামে। সৈকতের ধারে গ্রাম, এক পথিক সেই গ্রামের আশেপাশে ঘুরঘুর করে লণ্ঠন হাতে। তার এই নৈশ টহলের সময় মাঝে মাঝে রাইতের আন্ধারে মাদী ছাগলের কাতর কান্না শুনা যায়।
তো তিমির কান্না শুইনা সেই এক পথিক ভাবলো কোন বড় সামুদ্রিক ছাগল মনে হয় ধারেপিঠে আছে। সে করলো কি লণ্ঠন বাগাইয়া দৌড়াইয়া গেলো।
গিয়া দেখে এক তিমি। বালুতে হোগা দিয়া শুইয়া।
এক পথিকের খুব মায়া হইলো। সে ভাবলো এই দুর্গত তিমিটারে সে ঠ্যালা দিয়া পানিতে নামাইয়া দিবো, সেইটার জান বাচাইবো। কিন্তু ঠেলতে গিয়া দেখলো শইলে বল পাইতাছে না। গামছায় বান্ধা মুড়ি দুই গাল খাইয়া আবার ঠেলতে গিয়া সে দেখলো তার কেমুন জানি লাগে। কেমুন গরম গরম লাগে।
তিমিটা অবশ্য কিছু টের পায় না। তিমি তো আর ছাগল না।
পরদিন দেখা গেলো সেই এক পথিক সৈকতে বইসা বালুর উপরে কাঠি দিয়া কবিতা লিখছে
মস্ত হোগা তার
তবে তারচেয়ে বড় তার বিচী
কিংবা বীচি
কিংবা বিচি
কিংবা বীচী ...
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


