somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

শ্বসনের নতুন প্রকারভেদ আবিস্কার হয়েছে ...আপনি জানেন তো ???

২৩ শে জুন, ২০১১ রাত ১০:৪১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

ব্লগে এটাই আমার প্রথম লেখা। েযহেতু প্রথম লেখা তাই জীবন থেকে নেয়া একটি কাহিনী শেয়ার করলাম। এটা আমার স্কুল জীবনের কাহিনী। আমাদের দশম শ্রেণীর জীববিজ্ঞান পরীক্ষা চলতেছিল।সেই পরীক্ষায় কি প্রশ্ন আসছিল সেটা আমার কিছুই মনে নাই।কিন্তু একটা প্রশ্ন ঠিকিই আমার মনে আছে এবং সারা জীবন আমার মনে থাকবে।সেই পরীক্ষায় প্রশ্ন টা ছিল-শ্বসন কত প্রকার ? ও কি কি ?এবং উদাহরন সহ বর্ণনা দাও ?? যাই হক পরীক্ষা দিতেছিলাম পিছন থেকে আমাদের এক বন্ধু আমার পাশে বসা আরেক বন্ধুর কােছ ফিসফিস করে জিজ্ঞেস করল দোস্ত শ্বসন কত প্রকার ও কি কি?? তারপর আমার পাশে বসা সেই বন্ধু বললো – শ্বসন চার প্রকার ।তারপর পিছনের সেই বন্ধু আবার জিজ্ঞেস করল শ্বসনের প্রকার গুলার নাম কি কি? তখন সেই বন্ধু বললো (খুব সিরিয়াস ভাব নিয়ে) মাথার শ্বসন ,পাছার শ্বসন ,পায়ের শ্বসন ,বুকের শ্বসন।আমি তখন পাশে বসে শুধু একটু হাসছিলাম।এর পরে অবশ্য সেই পরীক্ষাই আর কিছু জিজ্ঞেস করেনি।ভেবেছিলাম সেই বন্ধু হয়ত বুঝতে পেরেছে ,ওর সাথে যে মজা করা হইতাছে। পরীক্ষার কিছু দিন পরে যখন জীববিজ্ঞােনর স্যার (আমাদের এই স্যার একদিন আমদের ক্লােসর সবাইকে এমন ভাবে পিটাইছিল ...সেইদিন আমার সেই সব বন্ধরাও বাদ যাইনি যারা আগে কখনও পিটানি খায়নাই) খাতা নিয়ে আসলেন নাম্বার দেখানোর জন্য ক্লােস ঢুকেই সেই বন্ধুসহ (যে বন্ধু শ্বসনের কথা জিজ্ঞেস করেছিল এবং আরেক বন্ধু ওর সেই শ্বসন কপি করেছিল) দুইজন কে স্যার সামনে আসতে বললেন।তারপর ওদের কে বললো টেবিলের নিচে মাথা ঢুকাইতে। এর পরতো শুরু হইল আসল শ্বসনের কাজ।স্যার ওদের পাছাই পিটাইতেছিল আর বলতেছিলেন পাছার শ্বসন,মাথার শ্বসন এই গুলা পাইলি েকাথা থেকে ?তারপর বন্ধু বলতেছিল স্যার আমাকে আরেকজন জন বলে দিসে তখন স্যার বলছিল, ও যদি তোরে আরও অন্যকিছু কিছু লিখতে বলতো তুই কি সেটাও লিখতে নাকি ? এরপর স্যার বললেন তোরা তো বিরাট জ্ঞানী আবার এই গুলার ওপর বর্ণনা ও লিখছস।ওরা শুধু শ্বসনের নাম ও প্রকারই লিখেনাই আবার ওইগুলার ওপর বর্ণনাও লিখছিল। সেই দিন পর থেকে আমরা সবাই বন্ধুরা এখনও একসাথে হলে এই গল্পটা আমরা কখনও মিস করিনা।


সর্বশেষ এডিট : ২৩ শে জুন, ২০১১ রাত ১০:৪১
২টি মন্তব্য ২টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

Claude Fable 5: Journey from ANI 2 AGI -প্রযুক্তির ইতিহাসে নতুন এক সন্ধিক্ষণ

লিখেছেন বোকা মানুষ বলতে চায়, ১২ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:২৭



প্রযুক্তির ইতিহাসে এমন কিছু মুহূর্ত আসে, যা পরবর্তী কয়েক দশকের গতিপথ নির্ধারণ করে দেয়। ইন্টারনেটের আবির্ভাব, স্মার্টফোন বিপ্লব কিংবা Generative AI-এর উত্থান ছিল তেমনই কিছু ঘটনা। সম্প্রতি Anthropic-এর নতুন Frontier... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমরা এখন কোথায় আছি, কোথায় যাচ্ছি জানিনা ?

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:০৭


আমরা এখন কোথায় আছি, কোথায় যাচ্ছি জানিনা ?



আজ শুক্রবার, ১২/০৬/২০২৬ ইং তারিখ
................................................................
গিয়েছিলাম পাড়ার মসজিদে জুম্মার নামাজ পড়তে ।
সব সময়ই যাই, একটু বয়ান শুনি তারপর খুৎবা শুরু হয়,নামাজ... ...বাকিটুকু পড়ুন

যে যায় লঙ্কায় সে হয় রাবণ

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:৩২


ব্যাংকের সিএসআর বা কর্পোরেট সোশ্যাল রেসপনসিবিলিটি (Corporate Social Responsibility) তহবিল জিনিসটা খাতায় কলমে বড়ই পুণ্যের কাজ। ব্যাংক ব্যবসা করে লাভ করবে, সেই লাভের একটা অংশ সমাজের জন্য আলাদা রাখবে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাকি রইলো; কাঁচা কলা

লিখেছেন সামছুল আলম কচি, ১৩ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১১:৪৭


স্ল্যা-কুম, স্ল্যা-কুম, স্ল্যা-কুম.....!!
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির অভাবনীয় উন্নতির এ সময়ে; উড়ে এসে জুড়ে বসা, মাথা নষ্ট এ চীজ গুলো আমাদের শিশুদের ব্রেইন ব্লক করে দেয়ার কোনও এক সুদূর প্রসারী প্লানের... ...বাকিটুকু পড়ুন

স্মৃতির নৌকা

লিখেছেন সেজুতি_শিপু, ১৩ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৪:১১


কোন কোনদিন আলোর শৈশবে চোখ মেলে
মাধবীলতার হাসিমুখ সম্ভাষণের ওপাশে স্বচ্ছ আকাশে
এক ঝাঁক কবুতরের ওড়াউড়ি দেখতে দেখতে-
নিজেকে বড় ভাগ্যবান বলে মনে হয়,
চকিতে অপার্থিব আলো যেন ঢুকে পড়ে আত্মায়।

কোন কোন সন্ধ‍্যেয়... ...বাকিটুকু পড়ুন

×