ব্লগে এটাই আমার প্রথম লেখা। েযহেতু প্রথম লেখা তাই জীবন থেকে নেয়া একটি কাহিনী শেয়ার করলাম। এটা আমার স্কুল জীবনের কাহিনী। আমাদের দশম শ্রেণীর জীববিজ্ঞান পরীক্ষা চলতেছিল।সেই পরীক্ষায় কি প্রশ্ন আসছিল সেটা আমার কিছুই মনে নাই।কিন্তু একটা প্রশ্ন ঠিকিই আমার মনে আছে এবং সারা জীবন আমার মনে থাকবে।সেই পরীক্ষায় প্রশ্ন টা ছিল-শ্বসন কত প্রকার ? ও কি কি ?এবং উদাহরন সহ বর্ণনা দাও ?? যাই হক পরীক্ষা দিতেছিলাম পিছন থেকে আমাদের এক বন্ধু আমার পাশে বসা আরেক বন্ধুর কােছ ফিসফিস করে জিজ্ঞেস করল দোস্ত শ্বসন কত প্রকার ও কি কি?? তারপর আমার পাশে বসা সেই বন্ধু বললো – শ্বসন চার প্রকার ।তারপর পিছনের সেই বন্ধু আবার জিজ্ঞেস করল শ্বসনের প্রকার গুলার নাম কি কি? তখন সেই বন্ধু বললো (খুব সিরিয়াস ভাব নিয়ে) মাথার শ্বসন ,পাছার শ্বসন ,পায়ের শ্বসন ,বুকের শ্বসন।আমি তখন পাশে বসে শুধু একটু হাসছিলাম।এর পরে অবশ্য সেই পরীক্ষাই আর কিছু জিজ্ঞেস করেনি।ভেবেছিলাম সেই বন্ধু হয়ত বুঝতে পেরেছে ,ওর সাথে যে মজা করা হইতাছে। পরীক্ষার কিছু দিন পরে যখন জীববিজ্ঞােনর স্যার (আমাদের এই স্যার একদিন আমদের ক্লােসর সবাইকে এমন ভাবে পিটাইছিল ...সেইদিন আমার সেই সব বন্ধরাও বাদ যাইনি যারা আগে কখনও পিটানি খায়নাই) খাতা নিয়ে আসলেন নাম্বার দেখানোর জন্য ক্লােস ঢুকেই সেই বন্ধুসহ (যে বন্ধু শ্বসনের কথা জিজ্ঞেস করেছিল এবং আরেক বন্ধু ওর সেই শ্বসন কপি করেছিল) দুইজন কে স্যার সামনে আসতে বললেন।তারপর ওদের কে বললো টেবিলের নিচে মাথা ঢুকাইতে। এর পরতো শুরু হইল আসল শ্বসনের কাজ।স্যার ওদের পাছাই পিটাইতেছিল আর বলতেছিলেন পাছার শ্বসন,মাথার শ্বসন এই গুলা পাইলি েকাথা থেকে ?তারপর বন্ধু বলতেছিল স্যার আমাকে আরেকজন জন বলে দিসে তখন স্যার বলছিল, ও যদি তোরে আরও অন্যকিছু কিছু লিখতে বলতো তুই কি সেটাও লিখতে নাকি ? এরপর স্যার বললেন তোরা তো বিরাট জ্ঞানী আবার এই গুলার ওপর বর্ণনা ও লিখছস।ওরা শুধু শ্বসনের নাম ও প্রকারই লিখেনাই আবার ওইগুলার ওপর বর্ণনাও লিখছিল। সেই দিন পর থেকে আমরা সবাই বন্ধুরা এখনও একসাথে হলে এই গল্পটা আমরা কখনও মিস করিনা।
সর্বশেষ এডিট : ২৩ শে জুন, ২০১১ রাত ১০:৪১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


