মাঝে একটা বিল্ডিং , পাশে একটা মসজিদ -" মসজিদ ই নূর " । বিল্ডিং এর শেষ মাথায় আর মসজিদের শেষ মাথায় আমরা ২ টি গাছ, ২ ভাই, আমাদের বয়স মনে হয় একি হবে। কোন এক পাখির মুখ থেকে পড়ে যাওয়া বীজ অথবা মহৎ কোন মানুষ হয়ত আমাদের এই গাছ দুইটির চারা অনেক ভালবাসা -আবেগ নিয়ে রোপণ করছিল।যুগ যুগের সাক্ষি হয়ে দাড়িয়ে আছি আজ এত টি বছর। কত কিছুই না দেখলাম,কত মানুষের কত রঙ,শুরু থেকে আজ পর্যন্ত নিজেদের সব টুকু বিলিয়ে দিয়েছি এই মানুষের জন্যই।এক সময় আমাদের সামনের রাস্তাটি মেঠো পথ ছিল।শুনেছি আগে জাহাজ পর্যন্ত ভিড়ত আমাদের কাছেই।খোলা নদী ছিল,।আর আজ পাকা রাস্তা, কোলাহল, উঁচু উঁচু বিল্ডিং,মানুষ আর মানুষ, পাকা রাস্তা হবে দেখেই নিজেদের শরীর কে সোজা হতে দেইনি ,নিজেদের মুচড়িয়ে বাকিয়ে মাটি থেকে ২০-৩০ ফুট উঁচু হয়ে বড় হয়েছি,শাঁখা-প্রশাখা মেলেছি, আমাদের শরীর থেকে কতই না দূরে বিদ্যুৎ ঐ খুঁটি গুলি,নিজেরা কষ্ট পেয়েছি কিন্তু আশেপাশের সব কিছু কে খুশি করে বেড়ে উঠেছি আমরা । প্রখর রোদে নিজেরা পুড়েছি কিন্তু ছায়া দিয়েছি হাজার মানুষ কে, প্রতেদিন কত ফেরিওয়ালা আমাদের ছায়ায় এসে বসত, তীব্র ট্রাফিক জ্যামে কত রিকশাচালক এসে একটু বিশ্রাম নিত, একটু ছায়া পেয়ে , একটু ঠাণ্ডা পেয়ে নাম না জানা কত পথিক বিশ্রাম নিত,তীব্র বৃষ্টি তেও বড় ছাতা হয়ে দাড়িয়ে ছিলাম। বছরের পর বছর কত নিজের শরীর কে খত-বিক্ষত করে কত ডাল-পালা দিয়ে এসেছি এই মানুষকে এই তোমাদের ই। গত কয়েক সপ্তাহ ধরে তোমরা দেখালে হে মানুষ ! তোমাদের মানুষদের মধ্যে হিংস্রতম এলাকার প্রভাবশালী নেতার প্রভাব, আমাদের এই ২ টি ভাইয়ের উপর গত ২ সপ্তাহ ধরে চালাচ্ছ নির্মম- নিপীড়ন-নির্যাতন, ২ সপ্তাহ ধরে খুচিয়ে খুচিয়ে আমাদের অত্যাচার করা হল, বড় বড় কড়াত,কুঠারের একের পর এক আঘাত সহ্য করতে বাধ্য করলে , এই তোমারাই না আবিস্কার করেছ আমাদের প্রান আছে? আমরাও কষ্ট পাই?আমার ঐ ভাইটি গত কাল ই আমাকে ছেড়ে চলে গিয়েছে তাঁর শেষ শিখরটুকু ও তোমরা এই মানুষরা নিয়ে গিয়েছ, আজ আমার শেষ দিন, আমি কিছুক্ষনের মধ্যেই চলে যাচ্ছি, কুঠারের শেষ আঘাত একের পর এক পড়ছে গাঁয়ে,তীব্র ব্যথায় পুরু শরীরে ছড়িয়ে পড়েছে আমার, অনেক দিন তোমাদের সাথে ছিলাম, আমি চলে যাচ্ছি, আমি জানি না আমার অপরাধ কি , শুধু তোমাদের কাছে প্রশ্ন থাকল কি অপরাধে এভাবে তিল তিল করে কষ্ট দিয়ে আমাকে আর আমার ভাইটি কে হত্যা করলে ? কেন ? কেন ? কেন ?
আমি চলে গেলাম !
একটি মুমূর্ষু কবিতা
আমি আর কবিতা লিখব না বলেও
লিখে ফেলি একটি মুমূর্ষু কবিতা–
জন্ম নেয়ার আগেই যারা অবিরাম
মৃত্যুযন্ত্রণায় কাতরাচ্ছে, লাথি মারছে
পদ্যের চিরায়ত চোয়ালে !
পঙক্তিতে পঙক্তিতে পথ হেঁটে
প্রচণ্ড পিপাসায় আমি পান করি
কবিতার স্নিগ্ধ জল; আর... ...বাকিটুকু পড়ুন
সংখ্যা গরিষ্ঠ মুসলিম হিসেবে গর্ব করার কিছু নেই......
আমরা যারা আপাত দৃষ্টিতে হায়েনা নই কিন্তু নিরবে স্বচক্ষে হিন্দুদের সর্বনাশ দেখে যাচ্ছি তারা সবচেয়ে বেশি দায়ী। অথচ বাংলার হিন্দু, বাংলার খ্রীষ্টান, বাংলার বৌদ্ধ, বাংলার মুসলমান, আমরা সবাই বাঙ্গালী-এই বৈষম্যহীনতা... ...বাকিটুকু পড়ুন
অল্প একটু পাশে থেকো
আমাকে খুব বেশি কিছু দিতে হবে না,
এক মুঠো আকাশও নয়,
আচেনা কোনো বিকেলও নয়।
শুধু কখনো কখনো
আমার নির্জন ঘরের দরজায়
টোকা দিয়ে দাঁড়িয়ো, যেন বুঝতে পারি
ফুরিয়ে যাবার বেলা এখনো আসেনি ।
আমাকে প্রতিদিন মনে... ...বাকিটুকু পড়ুন
কবিতাঃ এসেছে শরৎ

শরৎ-প্রাতে শিউলি ঝরা ক্ষণে
দিবাকর ছড়ায় হাসি।
দিঘির জলে রক্তিম পদ্ম
ফুটেছে রাশি রাশি।
ছাতিম গাছের নিভৃত নির্জনে
সবুজ পাতার ঘ্রাণ।
সুখ আহ্লাদে ডাকছে নিসর্গ
উচাটন মন প্রাণ।
স্নিগ্ধ বাতাস দোলা... ...বাকিটুকু পড়ুন
মাইনকা চিপা

এখন পর্যন্ত জীবনের সবচেয়ে বড় ভুল সিদ্ধান্ত ছিল প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক পদে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়ে ঢাকা ছেড়ে বাড়িতে চলে আসা। যে সময়ে শ্রেণীকক্ষে কোমলমতি শিশুদের পাঠদান করার কথা, সেই... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।