somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

কানে তুলা দিয়া, পিঠে বালিশ বাইন্ধা বইসা থাকেন - বিএনপির প্রতি /:)

১২ ই এপ্রিল, ২০১৩ রাত ১:৪৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

গাড়ি সঠিক পথেই আছে, হারামখোরেরা বহুত চেস্টা করিবে ডিরেইল করার, সাবধানে, খিয়াল কইরা।

আগে একটা গল্প বলিঃ

প্লিয়ার ফর্মে আছিল মোটে ১৩ দিন। অফ ফর্মে আছে ৫৫ দিন ধইরা। দলের স্বার্থে প্লিয়ার রে বসাইয়া দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছিল টিম ম্যানেজমেন্ট থেইকা। কিন্তু, বাধ সাধল নির্বাচক কমিটি। প্লিয়ার আবার কমিটি প্রধানের ভাইগ্না লাগে, তাই বাদ দেয়া যাইব না। প্লিয়ার রান লইতে পারেনা, কিন্তু রান আউট করাইয়া দেয়, ক্যাচ ড্রপ করে, মিসফিল্ড করে, বোলিং কইরা ওভারে ২০ রান কইরা দেয়। যা হওনের তাই হইছে, দলের অবস্থা আইসিউতে। যার যার দ্বায়িতে বুইঝা লইয়েন।

বিএনপির প্রতিঃ

গনহারে আপনাদের নেতা গ্রেপ্তার হইতেছে। সরকার যেভাবে চলতাছে, তাতে মনে হয় আগামী তে বিএনপি অফিসে বাত্তি জ্বালানোর লাইগাও কেউ থাকবেনা। সত্যা কথা বলায় মাহমুদুর রহমান গ্রেপ্তার হইছে। তাদের ভূরি ভূরি মিডিয়া নিয়া তারা এক আমার দেশ এর লগে কূলাইয়া পারতেছেনা। গুজব আছে, যে কোন মূহুর্তে খালেদা জিয়া গ্রেপ্তার হইতে পারে। জরুরী অবস্থা জারী হতে পারে, আরও অনেক কিছু হতে পারে।

এইখানে ঘাবড়ানোর কিছু নাই। এইগুলা মোটেও খারাপ কিছু না। এইগুলা সব ভালো লক্ষন। বিএনপি একটা সত্যিকার অর্থ রাজনৈতিক দল হওয়ার পথে। লোহা আপনি যত বেশী তাপ দিবেন তত বেশী শক্ত হইবে। বিএনপির প্রতি যে অত্যাচার বইয়া যাইতেছে তাতে বিএনপি একটা তুমুল জনপ্রিয় শক্তিশালী রাজনৈতিক দলের পরিনত হতে যাচ্ছে। ঘন ঘন জেল খাটার ফলে বিএনপি নেতাদের যে মেদ চর্বি জমেছিল সেগুলা ছাড়াইয়া যাইতেছে। এক সময় মির্জা ফখরুল সাহেব গ্রেপ্তার এড়াইয়া চলিতেন। রুহুল কবির রীজবীর মত তূখোড় ছাত্রনেতারা কেমন জানি ঠান্ডা প্রানীতে পরিনত হইয়াছিলেন। এখন উনারা হেসে হেসে পুলিশ ভ্যানে উঠেন। এই সব অত্যাচার নির্যাতনের ফলে বিএনপি একটি সত্যিকার অর্থে জাতীয়তাবাদী শক্তিশালী নেত্রত্ব পেতে যাচ্ছে।

বিএনপি নেতাদের সম্পর্কে কিছু পারসেপশন চালু আছে যে তাদের নেতারা নরম প্রকৃতির, আন্দোলন ভয় পায়, পিঠ বাচাইয়া চলে। এইবারের আওয়ামী অত্যাচারের ঠেলায় সেই অপবাদ ঘুচতে যাচ্ছে। আগামীতে বিএনপি একটি আক্ষরিক অর্থেই শক্তিশালী দলে পরিনত হতে যাচ্ছে। যেই আন্দোলনের বাহাদুরি এতদিন আওয়ামী লীগ করত সেই তকমা বিএনপি পেতে যাচ্ছে। আর আওয়ামী লীগ পেতে যাচ্ছে, ফ্যাসিস্ট-অটোক্রেটিক খান বাহিনী টাইপসের একটা সরকারের।

ক্ষেত্র বিশেষে বিএনপি কে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবী আদায়ের খুব কাছাকাছি মনে হইতেছে। আওয়ামী লীগ মাঠে ময়দানে নাই হয়ে গেছে। আইজকে, ফটিকছড়িতে যেভাবে ছাত্রলীগ-যুবলীগ মাইর খাইল তাতে আপ্সুস করা ছাড়া উপায় নাই।

বিএনপির প্রতি বলছি শক্ত থাকুন। কানে তুলা দিন, পিঠে বালিশ বাধুন। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবী আদায় করে ছাড়ুন।

** দরকার হলে সবাই দল বেধে সংসদ থেকে পদত্যাগ করুন।

** আওয়ামী মিডিয়া লীগ বর্জন করুন।

** ৭১ টিভি, এটিএন বাংলা, ইন্ডিপেন্ডেন্ট টিভি এইসব টিভি ঘোষনা দিয়ে বর্জন করুন।

** দালাল মিডিয়াগুলাকে এক ঘরে করে ফেলুন। দলের কোন নেতা কে, দল সমর্থক কোন বুদ্ধিজীবীকে, সমর্থক কে তাদের চ্যানেলে টক শোতে যেতে নিষেধ করুন। চেহারা দেখানোর লোভ সামলাতে বলুন।

** ভবিষ্যতে সুযোগ পেলে চামার গুলারে সাইজ করা যাবে। কারন তারা প্রত্যেকেই কোন না কোন অপরাধের সাথে জড়িত।

কসম কইরা বলতেছি, বিএনপির উপকার হইতেছে। শাহবাগ মুভমেন্টের সময় বিএনপি পাবলিক সেন্টিমেন্টের বিপক্ষে যায় নাই। কিন্তু, নাস্তিক ইস্যুতে আওয়ামী লীগ পাবলিক সেন্টিমেন্টের বিপক্ষে চলে গেছে। এর কারন হলো এত দিন ধরে করা তাদের অপকর্মে। একারনে তারা পাবলিক কে ভয় পায়। তাই পাবলিকের উপর গুলি চালায়, সন্ত্রাসী লেলিয়ে দেয়। তারা টিকে আছে শুধু মিডিয়াতে। মিডিয়া লীগ আর অফ ফর্মের খেলোয়াড় তাদের বাচাবে এই স্বপ্নে তাদের দিন কাটতেছে। কাটুক, আপনারা আপনাদের জায়গায় থাকুন। শক্ত হয়েই থাকুন, মার খেয়ে খাকুন, তবুও আপোষ করবেন না।
২টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

সেই কথিত “তৌহিদী জনতা আজ কোথায়?

লিখেছেন রাবব১৯৭১, ০৩ রা এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ১১:৪৭

সেই কথিত “তৌহিদী জনতা আজ কোথায়?
--------------------------------------------
আজ বিশ্ব রাজনীতির মানচিত্রে উত্তেজনা ইরান বিভিন্ন আরব রাষ্ট্র, ইসরায়েল,মার্কিন সংঘাত নিয়ে আলোচনা চলছে। কিন্তু প্রশ্ন হলো, আমাদের দেশের সেই কথিত “তৌহিদী জনতা”, যারা সামান্য... ...বাকিটুকু পড়ুন

দায়বদ্ধতা ও সময়োচিত সিদ্ধান্ত: ২০০৬ থেকে বর্তমানের শিক্ষা

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ০৩ রা এপ্রিল, ২০২৬ দুপুর ২:২৫

Photo - আপলোড না হওয়ায় ইমেজ লিংক:

“দায়বদ্ধতা ও সময়োচিত সিদ্ধান্ত: ২০০৬ থেকে বর্তমানের শিক্ষা”

বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে ২০০৬ সালের তত্ত্বাবধায়ক সরকার সংকট একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। সে সময় রাষ্ট্রপতির নেতৃত্বে গঠিত উপদেষ্টা... ...বাকিটুকু পড়ুন

ইস্টার ফ্রাইডে এবং যিসাসের শেষ যাত্রা: জেরুজালেমের স্মৃতিবিজড়িত পথে

লিখেছেন সৈয়দ নাসের, ০৩ রা এপ্রিল, ২০২৬ বিকাল ৩:৪৪




দিলু নাসের
আমার এই তিনটি ছবির সঙ্গে পৃথিবীর খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের বেদনাবিধুর ইস্টার ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে। প্রতিটি ছবিই যেন এক একটি অধ্যায়, একটি যাত্রার, যা শুরু হয়েছিল... ...বাকিটুকু পড়ুন

সব কিছু চলে গেছে নষ্টদের দখলে

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৩ রা এপ্রিল, ২০২৬ রাত ১১:৫৭


সংসদ ভবনের লাল ইটের দেয়ালগুলো যদি কথা বলতে পারত, তবে হয়তো তারা লজ্জায় শিউরে উঠত অথবা স্রেফ অট্টহাসি হাসত। আমাদের রাজনীতির মঞ্চটা ইদানীং এক অদ্ভুত সার্কাসে পরিণত হয়েছে, যেখানে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ইরান যুদ্ধ: স্বাধীনতা নাম দিয়ে শুরু, এখন লক্ষ্য ইরানকে প্রস্তরযুগে নিয়ে যাওয়া

লিখেছেন শ্রাবণধারা, ০৪ ঠা এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ৮:২৩


আমার আট বছরের ছেলে ফোনে ফেসবুক পাতার দিকে তাকিয়ে জিজ্ঞেস করল, "বাবা, এটা কিসের ছবি"? আমি তার মনোযোগ অন্যদিকে সরানোর বৃথা চেষ্টা করে অবশেষে বললাম, এটা আমেরিকা- ইসরায়েলের ইরানের... ...বাকিটুকু পড়ুন

×