somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

আক্কাসেৱ " imo" শনাল প্রেম কাহিনী! (ৱম্য ৱচনা)

১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ সকাল ১১:১১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

আক্কাস ফেসবুক চালায় তার গোঁফ উঠাৱ আগেত্তেই। ফেসবুকে সে গরিব মাইয়া ‘Sumi Akther’ এর পেজে গিয়ে প্রতিটি ছবি শেয়ার দেয় ইমো নাম্বার পাওয়ার লাইগা....
আক্কাস শেয়ার দিতে দিতে দুঃখে বাইঞ্চোদ হয়ে যায়। তাও ইমো নাম্বার আর পাওয়া হয়নি! এভাবেই শেয়ার দিতে দিতে একদিন আক্কাস একটি নাম্বার পেয়ে যায়। হ্যা সুমি আক্তার নাম্বার দিয়েই আক্কাস কে বলেছে, আমি গরিব হতে পারি কিন্তু খানকি নাহ!!
আক্কাস নাম্বার পাইয়াই পকাত কইরাই চুইদ্দ দুগুনে আটাশ টা দাঁত বাহির কইরা হাসি দেয়। পৈশাচিক সে হাসি। সিনেমায় মিজু আহমেদ যেরকম ভাবে নাসরিন এর লগে বালু বালু খেলার আগে হাসি দেয়, ঠিক সেই হাসিটা দিয়ে দিলো!
নাম্বারটা সেভ করে আক্কাস তো ভক্সোদ হয়ে গেলো। এই নাম্বারে কোনো ইমো একাউন্ট নাই। তাইলে কি সুমি তারে নিয়া মজা নিলো। না সুমি তো গরিবের ছাও। সেটা এটা করতে পারেনা। কখনই না...। মাইন্দার আক্কাস অনেক ভাবলো। ভেবে চিন্তে উক্ত নাম্বারটিতে ফোন দিয়ে দিলো। অপর প্রান্তে পকপক পকপক পকপকাত করে রিং বাজতেছে....
প্রথম বার কেউ ফোন পিক করেনি। আক্কাস দুদুবার ফোন দিলো। ফোন ধরলো বাচ্চুর বউ জোলেখায়। জোলেখার সে কি মিষ্টি কন্ঠ। ফোন ধরেই জোলেখা জিজ্ঞেস করলো,
-- হ্যালো! কে বলছেন?
আক্কাস ডগি স্টাইলে দুই রাউন্ড ড্যান্স দিয়া দিলো এতোক্ষনে। এরপর জোলেখা কে সে বললো,
-- হ্যালো, আমি আক্কাস চোদারি। আপনি সুমি নাহ.?
জোলেখা ভদ্রঘরের মাইয়া। তাই সে আক্কাসকে সুন্দর করে রং নাম্বার বলে ফোন্টা কেটে দিলো। আক্কাসের আর বুঝতে বাকি রইলো না সুমি তার ধোন- মন নিয়া ফুটবল খেললো। অথচ খেলার কথা ছিলো লিটনের ফ্ল্যাটে বালু বালু। যাক আক্কাস ঐ মাইয়াকেই পটাবে সিদ্ধান্ত নিলো।
পরদিন আক্কাস আবার জোলেখাকে ফোন দিলো। জোলেখা অনেক বুঝিয়ে বললো, সে সুমি না। তার নাম জোলেখা। তার বর আছে, বাচ্চা আছে। আক্কাস ভাবলো এক গোলপোস্টে এতো কিপার মাইয়ার। সমস্যা নাই সে গোল দিবেই। তাই মনোযোগ দিয়ে প্রতিদিন নতুন নতুন সিম কিনে ফোন দিতে থাকলো। এরকম ভাবে চলতে চলতে জোলেখা একদিন পটে গেলো।
ইতিমধ্যে ইমোতে এসে জোলেখা তার ব্লাউজ পড়া পিক দেখাইসে। আক্কাস পুরোটা দেখতে চাইলো। জোলেখা বললো সামনাসামনি দেখাবে। আক্কাস অপেক্ষা করতে থাকলো কখন সে জোলেখার পাহার- নদী নালা দেখতে পারবে। কোনো কিছুতে তার মন বাসনা পুর্ন হচ্ছিলো।
হঠাৎ একদিন জোলেখা পুন্দিয়ে জানাইলো তার বাসা খালি। আক্কাস কে যেতে বললো। আক্লাস সারা শরীরে ফগ স্প্রে মেরে মোচে তা দিয়ে জোলেখাদের বাড়িতে হাজির!
জোলেখা আক্কাসকে দেখে দরজা খোলে ভেতরে আসতে বলে। আক্কাস ভেতরে আসতেই জোলেখা দরজা লাগিয়ে দেয়। আজ পাছা খেলবোরে শ্যাম গানটা গাইতে গাইতে বিছানায় লাফিয়ে উঠে। বিছানায় গান গাওয়ার সময় আক্কাসের চোখ বুজা ছিলো। আক্কাস চোখ দুটো মেলে তাকাতেই দেখে, বাচ্চু আর বাচ্চুর ছেলে জসিম লাঠি আর দড়ি নিয়ে খাড়া। জোলেখা আক্কাসের উদ্দেশ্যে করে বললো,
-- বাইঞ্চোদ তোরে অনেক বুঝাইসিলাম, তোর ..... দিয়া কথা হান্দায় নাই এবার বুঝ মজা।
আক্কাস চিড়িত চিড়িত করে ছেড়ে দিলো, চোখের পানি। বাচ্চু আর ছেলে জসিম আক্কাস্কে উপ্তা কইরা বাইন্ধা আচ্ছামতো মাইর দিলো। ঐতিহাসিক মাইর খেয়ে বাচ্চুর মানচিত্র পাল্টাই গেলো। অনেক কষ্টে সে নিজেকে রক্ষা করলো।
অতঃপর সে ওয়াদা করলো আর এমন বাইঞ্চোদ মার্কা কাজ সে কখনই করবে নাহ।
এভাবেই ইমোর খপ্পরে পড়ে নষ্ট হয় হাজারো নাদান আক্কাসরা। তাই আসুন শেয়ার দিয়ে ইমো নাম্বারের খপ্পরে আর না পড়ি। নিজেরা বালও থাকি!
সর্বশেষ এডিট : ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ সকাল ১১:১১
৫টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

গল্পঃ ভোজ

লিখেছেন ইসিয়াক, ৩০ শে মার্চ, ২০২৬ দুপুর ২:৪০


গতকাল শরীরটা ভালো ছিলো না। তার জেরেই সম্ভবত ঘুম থেকে উঠতে বেশ বেলা হয়ে গেল। ঘুম ভাঙলেই আমি প্রথমে মোবাইল চেক করে দেখি কোন জরুরী কল এসেছিল কিনা। আজ... ...বাকিটুকু পড়ুন

ফেরার ট্রেন

লিখেছেন Sujon Mahmud, ৩০ শে মার্চ, ২০২৬ বিকাল ৩:১২


ঈদের ছুটিটা যেন চোখের পলকে শেষ হয়ে গেল। বারোটা দিন—ক্যালেন্ডারের হিসেবে ছোট, কিন্তু হৃদয়ের হিসেবে এক বিশাল পৃথিবী। সেই পৃথিবীতে ছিল হাসি, ছিল কান্না, ছিল ঘরের গন্ধ, ছিল প্রিয় মানুষের... ...বাকিটুকু পড়ুন

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মাদ্রাসার শিক্ষক: একটি প্রগতিশীল (?) অগ্রযাত্রা

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ১:০৮


আমি আসলে জন্মগতভাবেই খুব আশাবাদী মানুষ। সত্যি বলছি। ২৯ মার্চ ২০২৬ তারিখে যখন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় নতুন নীতিমালা জারি করল, আমি মনে মনে বললাম , অবশেষে কেউ... ...বাকিটুকু পড়ুন

'ট্রিট' বা 'উদযাপন' মানে স্রেফ খাওয়া-দাওয়াই মূখ্য কেন??

লিখেছেন শেহজাদ আমান, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ বিকাল ৪:৩৭



আমাদের উদযাপনটা হয়ে গেছে অনেকটা খাওয়া-দাওয়া কেন্দ্রিক? 'ট্রিট' বা 'সেলিব্রেশন' বলতে আমরা কেবল খাওয়া-দাওয়াকেই বুঝি...কিন্তু এটা কিন্তু ভিন্নরকমভাবেও করা যায় নিঃসন্দেহে!

প্রিয় কেউ ভালো কোনোকিছু করলে, সফলতা পেলে বা... ...বাকিটুকু পড়ুন

জীবন চালাতে শহরে থাকা কিন্তু বেঁচে থাকা যেন বাড়িতেই

লিখেছেন Sujon Mahmud, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৯

ঈদের ছুটিটা কেমন যেন চোখের পলকে শেষ হয়ে গেল। মনে হচ্ছিল, এই তো সেদিন বাড়ি গেলাম—মায়ের হাতের রান্না, বাবার গল্প, ছোট মেয়ের হাসি, আর স্ত্রীর সেই নীরব অভিমান… সবকিছু মিলিয়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×