
গুগুল বাংলা সাইটে এড চালু করছে বলে একটা ভুয়া প্রচার চলচ্ছে। এরপরও আমার সাইটে তাদের এড আসছে না। গুগুলের সাথে যোগাযোগ করা হলে বাংলা ওয়েব সাইট তাদের পলেসিতে আসেনা বলে আমাকে জানান হয়। গুগুলের পলেসি ফলো করতে সাইটটিকে ইংলিশ ভাষার করতে হবে। অথচ প্রচারটা এরকম ছিল না, আমার সমস্যাটার কোন সমাধান হয়নি। তাই বিষয়টা আমার কাছে সম্পূর্ণ ভুয়া খবর ছাড়া আর কিছু মনে হচ্ছে না। আমাদের দেশে গুগুলের বা ফেসবুকের কোন নিজস্ব অফিস নেই তাই এধরনের সমস্যা সমাধানে সম্ভাবনা ক্ষীণ। আমি মনে করি দেশের মাল্টিন্যাশনাল প্রতিষ্ঠন গুলোর বিজ্ঞাপন ধরার জন্য এটা এক ধরনের কর্পরেট জালিয়াতি। যে পরিমান মানুষ বাংলাদেশে গুগুল এবং ফেসবুক ব্যবহার করে ইসরাইলের মোট জনসংখ্যা তত নয়। আমাদের দেশে যত শিশু প্রাইমারি স্কুলে যায় তত সংখ্যার মানুষ শ্রীলংকায় নাই। সে সব দেশে ট্যাক্স দিয়ে গুগুল আর ফেসবুক তাদের কার্যক্রম চালাচ্ছে। গুগুল এবং ফেসবুক দুটো দেশের জন্য ভাল রেভিনিউ সোর্স হতে পারে ট্যাক্স প্রদানকারি হিসেবে। নয়তো এগুলো বাংলাদেশে চালাতে দিয়ে দেশের কি লাভ হচ্ছে, কি উপকারে আসছে এসব সরকারের। চীনের মত বৃহৎ সংখ্যার জনগনের দেশে যেখানে ফেসবুক বা গুগুল ব্লক করা হয়েছে, সেখানে চীনারা চলছে কি করে? উত্তর হলো তারা তাদের নিজেদের বানান সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের সুবিধা ব্যবহার করছে। যার উপকারিতা কাজে লাগিয়ে প্রতি ২ মিনিটে একজন চীনা নাগরিক বিলিয়নিয়ার বনে যাচ্ছে। দেশের আইটি সেক্টরে নেতারা গুগুল বা ফেসবুক প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে টাকা ইনকাম করতে বলে কেন বুঝিনা! দেশের নিজস্ব মেধা ব্যবহার করে তারচেয়েও বড় কিছু করা সম্ভব, এটা হয়তো তারা নিজেরাই বিশ্বাস করে না। গত ১৭ বছর ধরে যারা রাষ্ট্রীয় পর্যায় একটা বাংলার প্ল্যাটর্ফম নির্ধারন করতে পারেনি তাদের কথায় কতটুক ভরসা রাখতে পারে দেশের যুব ও তরুন প্রজন্ম তা আমার জানা নেই। গুগুল বা ফেসবুকের কাছ থেকে সঠিক রেভিনিউ যদি নেয়া যায়, দেশে বহু ফ্লাইওভার বহু পদ্মা সেতু নির্মান করা সম্ভব। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে বিড়ালের গলায় ঘন্টা বাঁধবে কে? চেষ্টা যে করা হয়নি তা বিশ্বাস করা কঠিন। তবে রাষ্ট্রিয় পর্যায়ের নিতি নির্ধারকদের এসব বিষয়ে উপঢৌকনের কিছু কিছু খবর মাঝেমধ্যে কানে আসে। আর এই উপঢৌকন প্রবনতা বন্ধ হলে সত্যি সত্যি দেশের যুব ও তরুন প্রজন্ম ইন্টারনেট ব্যবহার করে অর্থ উপার্যন করতে পারতো। আর থাকলো দেশর বিজ্ঞাপন প্রতিষ্ঠান গুলো বাদ দিয়ে গুগুল বা ফেসবুকে বিজ্ঞান প্রচার বিষয়, এর জন্য দেশের বহুজাতিক সেসব প্রতিষ্ঠান গুলোকে আইনের আয়তায় আনা জরুরী। কারন তাদের মাধ্যমে অপ্রয়োজনে দেশের অর্থ বিদেশে পাচার হয়ে যাচ্ছে।
Visit: https://azadjoy.wordpress.com/
সর্বশেষ এডিট : ১১ ই নভেম্বর, ২০১৭ সন্ধ্যা ৭:১৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


