তাঁর পরিচয়- তিনি ছিলেন সাহিত্যিক, সমাজকর্মী এবং সম্পাদক। তাঁর অসাধারণ লেখনীর মাধ্যমে পাঠক সমাজের চিন্তার জগতকে নাড়া দিতে পেরেছেন বলেই তাঁর লেখা নবম ও দশম শ্রেণীর পাঠ্যবইয়ে অন্তর্ভূক্ত করা হয়েছে। সংগত কারণেই বিসিএস পরীক্ষার্থীদের যেসব লেখকের জীবনী সম্পর্কে ধারণা থাকা আবশ্যক, লুৎফর রহমান তাদের একজন। জীবনবোধ, মানবিক মূল্যবোধ, মননশীল দৃষ্টিভঙ্গি এগুলো যে তাঁর রচনার প্রসাদগুণ সেটা তাঁর কোন লেখা পড়লেই আপনি অনায়াসে বুঝতে পারবেন।
"জীবন সমস্যার সমাধান" ইদানিং একটি আলোচিত বিষয়। এই বিষয়টি আমি মোহাম্মদ লুৎফর রহমানের বইয়েই প্রথম পড়েছি। তাঁর লেখা সবগুলো প্রবন্ধের সাথেই 'জীবন' শব্দটি রয়েছে এবং আমি মনে করি সবগুলোই প্রাসঙ্গিক।
আমি চলি ঐ প্রান্তে, যেখানে অসৎ থেকে মানুষ হয়েছে সৎ। আমি চলি উড়ে উড়ে, ডানাহীন পাখির মতো, যেখানে দুর্বলতাকে জয় করে হয়েছে দুঃসাহস। আমি চলি শক্তির সাথে, দেহ যায় না ঝুঁকে। করি না প্রণাম, করি না চাটুকারিতা আর... ...বাকিটুকু পড়ুন
জুলাই মিউজিয়ামঃ স্মৃতির বিরুদ্ধে বিস্মৃতির লড়াই....
১৫ আগস্ট আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে গিয়েছিলাম জুলাই মিউজিয়ামে। সেখানে গিয়ে মনে হলো- এটি শুধু একটি জাদুঘর নয়; এটি বাংলাদেশের সাম্প্রতিক ইতিহাসের এক ভয়াবহ অধ্যায়ের বিরুদ্ধে... ...বাকিটুকু পড়ুন
হিজিবিজি নদী চলে মন উদাসের দেশে ! ................................................................... মানচিত্রের আঁকাবাঁকা রেখায় তারে পাবেনা, সে নদী তো চেনা কোনো ঠিকানায় যাবে না। তার কোনো কূল নেই, নেই কোনো ঘাট, সে বয়ে চলে একা, বুক জুড়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন