ছোট ভাইয়ের বাসা থেকে বাবা কে আনতে রহিম সাহেব বাসা থেকে বের হয়েছেন। তার ছোট ভাই থাকে মতিঝিল। লোকাল বাসে উঠার পরে খানিক বাদে রহিম সাহেবের ফোনে রিং বেজে উঠে। রহিম সাহেব ফোন রিসিভ করার পর বলে উঠলেন, 'বাবা ঠিক ঠাক আছে তো। কোনো সমস্যা নাই তো। আমি গিয়ে নিয়ে আসবো। রাস্তা ফাকা আছে। কোনো ঝামেলা হবে না।'
রহিম সাহেব খেয়াল করলো, দুইটা ছেলে তার দিকে কেমন ভাবে যেন চেয়ে আছে আর মোবাইলে কি যেন করতেছে৷ রহিম সাহেব এক বার তাদের দিকে তাকিয়ে মুখ ফিরিয়ে জানালার বাইরে তাকালেন। গাড়ি সংসদ ভবন এলাকায় প্রবেশ করার সাথে সাথে পুলিশ গাড়ি থামিয়ে সবাই কে চেক করতে লাগলো। পুলিশ সবাই কে জানালো গাড়ির ভিতর একজন ইয়াবা বিক্রেতা আছে। তাদের কাছে কেউ গাড়ি থেকে মেসেজ দিয়েছে। বলতে বলতে ছেলে দুইটা রহিম সাহেব কে দেখিয়ে বললো সে ই ইয়াবা বিক্রেতা। ফোনে ইয়াবার ব্যাপারে কার সাথে যেন ডিল করেছিল। পুলিশ রহিম সাহেব কে টানতে টানতে থানায় নিয়ে গেল।
রহিম সাহেব অনেক ভাবে বুজানোর চেষ্টা করলেন, আজ বাবা দিবস৷ সে তার বাবা কে তার বাসায় নেয়ার জন্য বের হয়েছেন। ফোনে তার বাবার ব্যাপারে ই কথা বলছিলেন ছোট ভাইয়ের সাথে। কিন্তু কে শুনে কার কথা।
শেষমেশ রহিম সাহেবের ছোট ভাই থানায় এসে জোর জোড়াজুরি করে সন্ধ্যে নাগাত রহিম সাহেব কে থানা থেকে বের করে আনলেন।
রহিম সাহেবের বড্ড কষ্ট লাগছে, শেষ পর্যন্ত থানা হাজতে থাকতে হলো তাকে। বাসায় আসার পরে রহিম সাহেবের স্ত্রী বললেন, "আজ তোমার উপর দিয়ে অনেক ঝড় গেছে। আমাদের বাসার পাশে এক বাবার মাজার আছে ঐখান থেকে পানি পরা এনে দিবো? খেয়ে দেখো ভালো লাগবে। বাবা শব্দ টা শুনে রহিম সাহেব ক্ষেপে গেলেন। আর কোনো দিন বাবা বলে কোনো কিছুকে সম্মোধন করবা না। পাশের রুম থেকে রহিম সাহেবের একমাত্র ছেলে, বাবা এদিকে আসো তো বলে উঠলো।
রহিম সাহেব চিৎকার করে উঠলেন, এই বাসায় কারো বাবা থাকে না, আব্বু থাকে.........

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


