বিভ্রান্তির পিদিমে ঝিমুতে ঝিমুতে মরা ভাতে আঙ্গুল চেটে-পুটে
এখন পার হয় সাজানো রাতের খুন সংসার মুখরতা,
ভেজা মগজে গন্ধকের দাগ মুছে মুছে হে প্রভু এ ঘরেই
বারোমাস নিথর বুকে দিগন্তের খিল আটকে সারাটা নদী
লালা হয়ে যেমন খুশি তেমন সেজে নিরবে নিরবে নেমেছে;
চিরনিদ্রায় লালিত বেহালায় স্মৃতির রক্তপাত,আমরণ ক্ষত
লুকোচুরি, কন্ঠের যেটুক উঠে ত্রিশ বছর ধরে শুধু কবিতার
শিরোণাম ছুঁয়েছে, ছুঁয়েছে কষ্টের প্রহর, উষ্মা ঠিক তার
মাঝামাঝি শান্ত ধুতির শোক মাঞ্জা পরিহিত আমিই একমাত্র
নিভৃতচারী, পাখি -প্রেমী, শোক-বিজের মাতাল পুরুষ;
যার গান শুনে সাঁজঘর চারেদিক চোখবুজে হয়েছে
রোদ্দুর - অবেলার আনন্দ কুঠির, কখনো
কাঠের কঙ্কাল, খামে ভরা
শূন্যতার সে কী অপূর্ব স্বাদ
শীতের ভ্রুণে লোকালয় তখনো বোবা
সদ্য ফোটা বুদবুদের কথামালায়
ঘটনাটি জানতো কেবল বাতাস
একবার বেরিয়ে গেলে কোনদিন ফিরবোনা আর
হে প্রভু - জলের চাকায় চিরলোকে ঘুরে ঘুরে শুধুমাত্র
তোমায় চেয়েছি, চিলের চুমু খেয়ে স্বপ্নে মাখা
রাতভর সাদা-কালো ফাঁকির বিজ্ঞাপন আর যাই হোক
মাছের ঘাম ভাংচুর নয়।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



