তারেক রহমান বাংলাদেশের রাজনীতিতে হঠাৎ করেই ঝড় বইয়ে দিয়েছেন। এটাকে ঠিক ঝড় না বলে রাজনীতির সুনামী বলা উচিত। আমার বিষয়টা বিশেষ পছন্দ হয়েছে।
১. তিনি বলেছেন বাংলাদেশের প্রথম রাস্ট্র প্রধান ছিলেন "জিয়াউর রহমান"।
যদিও এটা বেশ পুরানা সত্য তবুও তারেক রহমানের মুখে এমন সত্য শুনে চানক্যবাদীদের রাতের ঘুম তো হারাম হয়েছেই পাশাপাশি দিনের বিশ্রামও হারাম হয়েছে।
এখন তারা হন্যে হয়ে ছুটছে কিভাবে এই বক্তব্যকে ডিফেন্ড করা যায়। তাই চারপাশে চলছে আোয়ামীদের আরো এক পশলা প্রপাগান্ডা। খড়খুটো যা পায় তা দিয়ে বিরোধীতা করতে চাইছে। কিন্তু অনলাইনে জাতীয়তাবাদী বিপ্লবীদের অকাট্য যুক্তির দাপটে চানক্যবাদীদের খড়খুটো ধোপে ঠিকছে না। স্যালুট জাতীয়তাবাদী বিপ্লবীদের।
২. তারেক রহমান লন্ডনের সুধী সমাবেশে গতকাল বলেছেন "শেখ মুজিব বাংলাদেশের প্রথম অবৈধ রাস্ট্রপতি"।
আওয়ামীদের মাথায় তো এখন বাজ পড়লো। আওয়ামী চানক্যরা এখনো জিয়া দেশের প্রথম রাস্ট্র প্রধান এই সত্যের জবাবই দিতে পারছে না সেখানে মুজিব অবৈধভাবে ক্ষমতা নিয়েছিলেন এটা শুনে হাসিনাসুদ্ধা আওয়ামী জ্ঞাতি গোস্টিদের অবস্থা তথৈবচ।
আমি খুব ভালো করেই জানি, অনেক অনেক সিরিয়াস জাতীয়তাবাদী ও ইসলামী মনোভাবাপন্ন মানুষ আছেন যারা তারেক রহমানের এই নতুন যুদ্ধটাকে পছন্দ করছেন না। অনেক সাবেক ছাত্রদল নেতারা, আজিবন জাতীয়তাবাদী, বিএনপি, জিয়া, বেগম জিয়া এমনকি তারেক রহমানেরও ভক্ত আছেন যারা বিষয়টাকে অযথা বিতর্ক সৃষ্টি বলে মনে করছেন। আমার সাথে অনেকেই শেয়ার করেছেন তআদের এই হতাশার কথা। আমি যতটুকু পারি যুক্তি উপস্থাপন করেছি তাদের, তথ্য উপাত্ত সরবরাহ করেছি, বিভিন্ন লিংক দিয়েছি, অনেকে বুঝেছেন, অনেকে এখনো মেনে নিতে পারেন নি। মুজিব, মুজিব পরিবার ও আওয়ামীদের প্রতি কারো বিশেষ আবেগ ভালোবাসা থাকলে আমার কোন আপত্তি নাই।
কিন্তু আজ যখন দেখি পুরো রাজনীতির বাতাসকে তারেক রহমান উলট পালট করে দিয়েছেন কিছু সত্য, কিছু আনচ্যালেঞ্জড বিষয়গুলো জাতির সামনে তুলে ধরে, তখন দারুন এই বিতর্ক সৃষ্টির জন্য ধন্যবাদ দেই তাকে।
জনাব তারেক রহমান, আপনার বক্তব্যের গভীরতা সারা বাংলাদেশ বুঝতে পারছে ধীরে ধীরে। আজ মুক্তিযুদ্ধের ব্যবসায়ীরা এটাকে নিছক বিতর্ক সৃষ্টির চেস্টা বলে উড়িয়ে দিতে চাইলেও তারা নিজেও সুদুত্তর পাচ্ছে না, পারছে না ইতিহাস ঘেটে জবাব দিতে। এখনো গায়ের জোরে বলছে তারা যা করেছিলো তখন তাই সঠিক। তবুও বলি বৈরি সময়ে আপনি ইতিহাস খুঁড়ে সত্য বের করে যে সাহসিকতার পরিচয় দিচ্ছেন। মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের শিকড় খুঁজে যে কঠিন ও তিক্ত সত্য আজ জাতির সামনে তুলে ধরছেন। তার জন্য জাতি আপনার কাছে চির কৃতজ্ঞ থাকবে। এবং বাংলাদেশের ইতিহাসের, মুক্তিযুদ্ধে ইতিহাসের সব মিথ্যাটুকু একদিন মুছে গিয়ে সত্য ও শুধু সত্য দিয়ে লেখা থাকবে অমর হয়ে।এবং বাংলাদেশের ইতিহাসের, মুক্তিযুদ্ধে ইতিহাসের সব মিথ্যাটুকু একদিন মুছে গিয়ে সত্য ও শুধুমাত্র সত্য দিয়ে লেখা থাকবে অমর হয়ে। আমরা আবারো মাথা উঁচু করে দাঁড়াবো সত্য ইতিহাস নিয়ে। বুক চিতিয়ে কথা বলবো। আমাদের পরবর্তী প্রজন্ম জানবে মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত ইতিহাস, মুক্তিযুদ্ধের সত্যিকারের সেনানীদের ইতিহাস। পাশাপাশি ইতিহাস খুঁড়ে সত্য বের করার জন্য আপনার নামও ইতিহাসের পাতায় স্বর্নাক্ষরে লেখা থাকবে। ধন্যবাদ তারেক রহমান।
সর্বশেষ এডিট : ১২ ই এপ্রিল, ২০১৪ রাত ১০:৫৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




